শীর্ষ সন্ত্রাসী এক্সেল বাবু[/caption]
সেনাবাহিনীর একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে মোহাম্মদপুর ও আশপাশের এলাকায় এক্সেল বাবুর ছত্রছায়ায় একাধিক কিশোর গ্যাং সক্রিয়ভাবে সন্ত্রাস, মাদক, চাঁদাবাজি ও অস্ত্র ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। তার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক হত্যা ও সন্ত্রাসবাদ সংশ্লিষ্ট অভিযোগ।
গত কয়েক মাসে তাকে গ্রেপ্তারে অন্তত চার থেকে পাঁচবার অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে প্রতিবারই সেনাদল বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পৌঁছানোর আগে এক্সেল বাবু নানা কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। এবার তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার সুনির্দিষ্ট অবস্থান নিশ্চিত করে পরিকল্পিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে সেনাবাহিনীর একটি দল। অভিযান শেষে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সেনাবাহিনী সূত্র আরও জানায়, এক্সেল বাবুর বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ৪টি হত্যা মামলা ছাড়াও সন্ত্রাস, অস্ত্র এবং চাঁদাবাজির অন্তত ১২ থেকে ১৩টি মামলা চলমান রয়েছে।
এই ঘটনায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। মোহাম্মদপুরের একাধিক অভিভাবক বলেন, "গত কয়েক বছরে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে সন্ধ্যার পর বাইরে বের হওয়া নিয়েও শঙ্কা ছিল। এই গ্রেপ্তারের মাধ্যমে আমরা কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছি।"
উল্লেখ্য, রাজধানীতে কিশোর গ্যাং দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা দেশব্যাপী আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এক্সেল বাবুর গ্রেপ্তার কিশোর গ্যাং নির্মূলে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মে ২০২৫
শীর্ষ সন্ত্রাসী এক্সেল বাবু[/caption]
সেনাবাহিনীর একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে মোহাম্মদপুর ও আশপাশের এলাকায় এক্সেল বাবুর ছত্রছায়ায় একাধিক কিশোর গ্যাং সক্রিয়ভাবে সন্ত্রাস, মাদক, চাঁদাবাজি ও অস্ত্র ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। তার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক হত্যা ও সন্ত্রাসবাদ সংশ্লিষ্ট অভিযোগ।
গত কয়েক মাসে তাকে গ্রেপ্তারে অন্তত চার থেকে পাঁচবার অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে প্রতিবারই সেনাদল বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পৌঁছানোর আগে এক্সেল বাবু নানা কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। এবার তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার সুনির্দিষ্ট অবস্থান নিশ্চিত করে পরিকল্পিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে সেনাবাহিনীর একটি দল। অভিযান শেষে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সেনাবাহিনী সূত্র আরও জানায়, এক্সেল বাবুর বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ৪টি হত্যা মামলা ছাড়াও সন্ত্রাস, অস্ত্র এবং চাঁদাবাজির অন্তত ১২ থেকে ১৩টি মামলা চলমান রয়েছে।
এই ঘটনায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। মোহাম্মদপুরের একাধিক অভিভাবক বলেন, "গত কয়েক বছরে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে সন্ধ্যার পর বাইরে বের হওয়া নিয়েও শঙ্কা ছিল। এই গ্রেপ্তারের মাধ্যমে আমরা কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছি।"
উল্লেখ্য, রাজধানীতে কিশোর গ্যাং দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা দেশব্যাপী আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এক্সেল বাবুর গ্রেপ্তার কিশোর গ্যাং নির্মূলে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। 
আপনার মতামত লিখুন