তিন বছরের মধ্য স্বামীর সাথে কোন বনিবনা না হওয়ায় এবং স্বামী নির্যাতন করায় তার বিরুদ্ধে আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন ভুক্তভোগী। শ্রীনগর থানায় মামলার নোটিশ নিতে এসে পুলিশের মাধ্যমে পরিচয় হয় স্বপন মেম্বারের সাথে। ভুক্তভোগী নারীকে মামলা না চালিয়ে মীমাংসার জন্য প্রস্তাব দেয় স্বপন মেম্বার। এরপর তার দোকানে বসে বিষয়টি দেড় লক্ষ টাকায় মীমাংসা করে দেন।ঐ সময় টাকাসহ ভুক্তভোগী নারীকে স্বপন মেম্বার তার ভাড়াটিয়া বাড়ীর দ্বিতীয় তলায় বন্ধুর বউ সাজিয়ে বাসা ভাড়া নিয়ে দেন। পরদিন মামলা তুলে নেয়ার জন্য ভুক্তভোগীকে নিয়ে স্বপন আদালতে যায় এবং মামলা তুলে নেয়ার কথা বলে তার কাছ থেকে একাধিক কাগজে স্বাক্ষর করে নেন। পরে বাসায় এসে স্বপন জরুরী প্রয়োজনে দুইদিনের জন্য ধার চেয়ে দেড়লক্ষ টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করে।এরপর স্ত্রী দাবি করে তার সাথে ঘর সংসার করার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন।বিষয়টি বুঝতে পেরে ভুক্তভোগী কৌশলে বাসা ছেড়ে লৌহজং এলাকায় চলে যায়। সেখানে খোঁজ নিয়ে ১০দিন পর ভয়ভীতি দেখিয়ে স্বপন মেম্বার পুনরায় ঐ নারীকে তার বাবার বাড়ী ষোলঘর এলাকায় এনে বাসা ভাড়া করে স্বামী হিসেবে সংসার শুরু করেন। এসময় তিনি ৩ মাসের গর্ভবর্তী হলে স্বপন মেম্বার ঔষধ প্রয়োগ করে গর্ভপাত করান। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী নারীকে জোরপূর্বক উলঙ্গ করে তার নগ্ন ছবি তুলে তাকে দেহ ব্যবসা করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। সে রাজী না হওয়ায় তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করে এবং স্বপন তার নিজ ভাড়াটিয়া বাসায় আটক করে রাখে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর বাবা থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করেন।এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য স্বপনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সে আমার বিয়ে করা বউ কোর্ট কাবিন আছে। সে আমার বাড়িতে মারধর করেছে। এ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে আমার প্রথম স্ত্রীকে বাদী করে থানায় অভিযোগ করেছি।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৫
তিন বছরের মধ্য স্বামীর সাথে কোন বনিবনা না হওয়ায় এবং স্বামী নির্যাতন করায় তার বিরুদ্ধে আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন ভুক্তভোগী। শ্রীনগর থানায় মামলার নোটিশ নিতে এসে পুলিশের মাধ্যমে পরিচয় হয় স্বপন মেম্বারের সাথে। ভুক্তভোগী নারীকে মামলা না চালিয়ে মীমাংসার জন্য প্রস্তাব দেয় স্বপন মেম্বার। এরপর তার দোকানে বসে বিষয়টি দেড় লক্ষ টাকায় মীমাংসা করে দেন।ঐ সময় টাকাসহ ভুক্তভোগী নারীকে স্বপন মেম্বার তার ভাড়াটিয়া বাড়ীর দ্বিতীয় তলায় বন্ধুর বউ সাজিয়ে বাসা ভাড়া নিয়ে দেন। পরদিন মামলা তুলে নেয়ার জন্য ভুক্তভোগীকে নিয়ে স্বপন আদালতে যায় এবং মামলা তুলে নেয়ার কথা বলে তার কাছ থেকে একাধিক কাগজে স্বাক্ষর করে নেন। পরে বাসায় এসে স্বপন জরুরী প্রয়োজনে দুইদিনের জন্য ধার চেয়ে দেড়লক্ষ টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করে।এরপর স্ত্রী দাবি করে তার সাথে ঘর সংসার করার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন।বিষয়টি বুঝতে পেরে ভুক্তভোগী কৌশলে বাসা ছেড়ে লৌহজং এলাকায় চলে যায়। সেখানে খোঁজ নিয়ে ১০দিন পর ভয়ভীতি দেখিয়ে স্বপন মেম্বার পুনরায় ঐ নারীকে তার বাবার বাড়ী ষোলঘর এলাকায় এনে বাসা ভাড়া করে স্বামী হিসেবে সংসার শুরু করেন। এসময় তিনি ৩ মাসের গর্ভবর্তী হলে স্বপন মেম্বার ঔষধ প্রয়োগ করে গর্ভপাত করান। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী নারীকে জোরপূর্বক উলঙ্গ করে তার নগ্ন ছবি তুলে তাকে দেহ ব্যবসা করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। সে রাজী না হওয়ায় তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করে এবং স্বপন তার নিজ ভাড়াটিয়া বাসায় আটক করে রাখে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর বাবা থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করেন।এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য স্বপনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সে আমার বিয়ে করা বউ কোর্ট কাবিন আছে। সে আমার বাড়িতে মারধর করেছে। এ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে আমার প্রথম স্ত্রীকে বাদী করে থানায় অভিযোগ করেছি।

আপনার মতামত লিখুন