খিলক্ষেত বোটঘাট নামাপাড়া পানিরপাম্প 'Y'মোড়ের জায়গাও নিজ দখলে নিয়ে ভোগ করছেন সালামত উল্ল্যাহ।গুরুত্বপূর্ণ ও মুল্যবান এই জায়গাটির প্রকৃত মালিকগন বিদেশে অবস্থানকালে মৃত্যুবরন করায় এবং তাদের ওয়ারিশদের কোন হদিস না মেলায় জাল-জালিয়াতি ও পেশি শক্তি ব্যাবহার করে শৈশবে পাতার বিড়ির ব্যাবসায়ী সালামত উল্ল্যাহ প্রায় ৪/৫ বিঘা জমির মালিক সেজে বসে আছেন। সম্পদের পাশাপাশি সালামত উল্ল্যাহর স্ত্রী-সন্তানদের নামে-বেনামেও রয়েছে গোপন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট। মতিঝিল রূপালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় বিল্ডিংয়ের উপরে তার ছেলের পরিচালনায় একটি সিকিউরিটি কোম্পানি রয়েছে। সালামত উল্ল্যাহর এক ছেলে স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করার সুবাদে তিনি ও তার স্ত্রী ইতিমধ্যে মার্কিন নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর ও গ্রেফতার এড়াতে চলতি মাসের মধ্যে যেকোনো সময়ে গোপনে দেশ ছেড়ে পালাতে পারে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়।সালামত উল্ল্যাহর মতো দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা শুধু আইন ভাঙেন না—তারা রাষ্ট্র, প্রশাসন এবং জনবিশ্বাসের শেকড় কাঁপিয়ে দেন। এ ধরনের ব্যক্তি যদি আইনের ফাঁক গলে পালিয়ে যেতে পারে, তবে সেটি গোটা শাসনব্যবস্থার চরম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি। এখনই যদি দুর্নীতি দমন কমিশন, এনবিআর ও অন্যান্য সংস্থা সমন্বিতভাবে কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে জনগণের আস্থা ও রাষ্ট্রীয় ন্যায়বিচারের ভিত্তি মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৫
খিলক্ষেত বোটঘাট নামাপাড়া পানিরপাম্প 'Y'মোড়ের জায়গাও নিজ দখলে নিয়ে ভোগ করছেন সালামত উল্ল্যাহ।গুরুত্বপূর্ণ ও মুল্যবান এই জায়গাটির প্রকৃত মালিকগন বিদেশে অবস্থানকালে মৃত্যুবরন করায় এবং তাদের ওয়ারিশদের কোন হদিস না মেলায় জাল-জালিয়াতি ও পেশি শক্তি ব্যাবহার করে শৈশবে পাতার বিড়ির ব্যাবসায়ী সালামত উল্ল্যাহ প্রায় ৪/৫ বিঘা জমির মালিক সেজে বসে আছেন। সম্পদের পাশাপাশি সালামত উল্ল্যাহর স্ত্রী-সন্তানদের নামে-বেনামেও রয়েছে গোপন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট। মতিঝিল রূপালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় বিল্ডিংয়ের উপরে তার ছেলের পরিচালনায় একটি সিকিউরিটি কোম্পানি রয়েছে। সালামত উল্ল্যাহর এক ছেলে স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করার সুবাদে তিনি ও তার স্ত্রী ইতিমধ্যে মার্কিন নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর ও গ্রেফতার এড়াতে চলতি মাসের মধ্যে যেকোনো সময়ে গোপনে দেশ ছেড়ে পালাতে পারে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়।সালামত উল্ল্যাহর মতো দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা শুধু আইন ভাঙেন না—তারা রাষ্ট্র, প্রশাসন এবং জনবিশ্বাসের শেকড় কাঁপিয়ে দেন। এ ধরনের ব্যক্তি যদি আইনের ফাঁক গলে পালিয়ে যেতে পারে, তবে সেটি গোটা শাসনব্যবস্থার চরম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি। এখনই যদি দুর্নীতি দমন কমিশন, এনবিআর ও অন্যান্য সংস্থা সমন্বিতভাবে কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে জনগণের আস্থা ও রাষ্ট্রীয় ন্যায়বিচারের ভিত্তি মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে।

আপনার মতামত লিখুন