ঘটনার বিবরন ও মামলা সূত্রে জানা যায়,খিলক্ষেতের উত্তর নামাপাড়া বোটঘাট এলাকার ক-২২৮/৬/১ নম্বর ফ্ল্যাটে গত ১০ই জুন বিকেল ৪টার দিকে একদল দুর্বৃত্ত হামলা চালায়। নিজেদের পুলিশ প্রশাসনের লোক পরিচয় দিয়ে তারা ফ্ল্যাটে ঢুকে আসবাবপত্র তছনছ করে এবং সহিদুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যদের মারধর করে। বাদীর স্ত্রীর বড় ভাইকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য ১০ (দশ লক্ষ) টাকা চাঁদা দাবি করে। অতঃপর উক্ত আসামী মোক্তার তাড়াতাড়ি চাঁদার টাকা নিতে বলিলে বাদী কোন উপায় না পেয়ে বিবাদীদের ৫ (পাঁচ লক্ষ) টাকা দিতে রাজি হন। তখন বিবাদীগণ বাদীর নিকট হতে নগদ এক দলক্ষ টাকা নেয় এবং বাদীর নামীয় প্রাইম ব্যাংকের এ্যাকাউন্ট নং ২১৪১১১৭০১৩২০৫ ৩৫ এ চেক নং- ৪৬০৯৬৮৩ তে চার লক্ষ টাকা লিখে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করে নেয়। পরবর্তীতে ১০০ টাকা মূল্যমানের পরপর ৩টি সাদা স্ট্যাম্পে পাথর ক্রয় বাবদ পাওনা টাকা উল্লেখ করে জোরপূর্বক সাক্ষর নিয়ে অন্যান্য মালামাল লুটপাট চালিয়ে সন্ধ্যার আগেই পালিয়ে যায়।এমনকি যাবার সময়ে ফ্ল্যাটের ২টি সিসিটিভি ও ডিভিআর খুলে নিয়ে যায় আসামী আফজাল হোসেন মোক্তার ও তার ৪/৫জন সঙ্গীরা।এরপর হতেই উক্ত আসামী মোক্তার বারবার ফোন করে বাদীকে বিভিন্ন ধরনের ভয়-ভীতি ও হুমকি ধমকি দিয়ে আসছিল। এমতাবস্থায় ১৯শে জুন বৃহস্পতিবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার প্রধান আসামী মোক্তারকে তার বাসা থেকে গ্রেফতার করে খিলক্ষেত থানা পুলিশ। পরে মোক্তারের বাসা তল্লাশি করে তার হেফাজতে থাকা বাদীর নিকট হতে নেওয়া চেক ও ষ্ট্যাম্প উদ্ধার করে তালিকা মূলে জব্দ করে স্থানীয় থানা পুলিশের সদস্যরা।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৫
ঘটনার বিবরন ও মামলা সূত্রে জানা যায়,খিলক্ষেতের উত্তর নামাপাড়া বোটঘাট এলাকার ক-২২৮/৬/১ নম্বর ফ্ল্যাটে গত ১০ই জুন বিকেল ৪টার দিকে একদল দুর্বৃত্ত হামলা চালায়। নিজেদের পুলিশ প্রশাসনের লোক পরিচয় দিয়ে তারা ফ্ল্যাটে ঢুকে আসবাবপত্র তছনছ করে এবং সহিদুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যদের মারধর করে। বাদীর স্ত্রীর বড় ভাইকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য ১০ (দশ লক্ষ) টাকা চাঁদা দাবি করে। অতঃপর উক্ত আসামী মোক্তার তাড়াতাড়ি চাঁদার টাকা নিতে বলিলে বাদী কোন উপায় না পেয়ে বিবাদীদের ৫ (পাঁচ লক্ষ) টাকা দিতে রাজি হন। তখন বিবাদীগণ বাদীর নিকট হতে নগদ এক দলক্ষ টাকা নেয় এবং বাদীর নামীয় প্রাইম ব্যাংকের এ্যাকাউন্ট নং ২১৪১১১৭০১৩২০৫ ৩৫ এ চেক নং- ৪৬০৯৬৮৩ তে চার লক্ষ টাকা লিখে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করে নেয়। পরবর্তীতে ১০০ টাকা মূল্যমানের পরপর ৩টি সাদা স্ট্যাম্পে পাথর ক্রয় বাবদ পাওনা টাকা উল্লেখ করে জোরপূর্বক সাক্ষর নিয়ে অন্যান্য মালামাল লুটপাট চালিয়ে সন্ধ্যার আগেই পালিয়ে যায়।এমনকি যাবার সময়ে ফ্ল্যাটের ২টি সিসিটিভি ও ডিভিআর খুলে নিয়ে যায় আসামী আফজাল হোসেন মোক্তার ও তার ৪/৫জন সঙ্গীরা।এরপর হতেই উক্ত আসামী মোক্তার বারবার ফোন করে বাদীকে বিভিন্ন ধরনের ভয়-ভীতি ও হুমকি ধমকি দিয়ে আসছিল। এমতাবস্থায় ১৯শে জুন বৃহস্পতিবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার প্রধান আসামী মোক্তারকে তার বাসা থেকে গ্রেফতার করে খিলক্ষেত থানা পুলিশ। পরে মোক্তারের বাসা তল্লাশি করে তার হেফাজতে থাকা বাদীর নিকট হতে নেওয়া চেক ও ষ্ট্যাম্প উদ্ধার করে তালিকা মূলে জব্দ করে স্থানীয় থানা পুলিশের সদস্যরা।

আপনার মতামত লিখুন