নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লিটন সরকার বলেন, ঢাকাকে বাসযোগ্য করার জন্য রাজউক কাজ করে যাচ্ছে। সেই পদক্ষেপ অনুযায়ী রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ জোন- ২/১ আওতাধীন দক্ষিণখান সরদার পাড়া এলাকায় রাজউকের নকশা বহির্ভূত তিনটি ভবনকে মোট ৮ লাখ টাকা জরিমানাসহ মিটার খুলে নেয়া হয়েছে।
ভবন মালিক মুচলেকা দিয়েছেন তারা নিজ দায়িত্বে বর্ধিত অংশ ভেঙ্গে রাজউকের পরিচালকের কাছে মিটারের জন্য আবেদন করলে আমরা ডেসকোর মাধ্যমে তাদের মিটার পুনরায় সংযোগ দেয়ার ব্যবস্থা করবো।
https://www.youtube.com/watch?v=1FNipGh7CMA&t=1s
নকশা বহির্বভূত অংশ নিজ উদ্যোগে ভেঙে অপসারণ করবেন মর্মে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে মুচলেকা দেন ভবন মালিকগন। রাজউকের নকশা বহির্ভূত ভবন যেনো নির্মাণ করতে না পারে তার জন্য রাজউকের এই উচ্ছেদ কার্যক্রম চলমান থাকবে। রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান একটি চলমান প্রক্রিয়া।
এছাড়াও কয়েকটি ভবনের মালিক রাস্তায় জায়গা দখল করে র্যাম্প তাৎক্ষণিকভাবে অপসারণ করা হয়। রাস্তার জায়গা দখল করে র্যাম্প নির্মাণ করে মানুষ চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।
স্থানীয় লোকজন জানান, নকশা বহির্ভূত ভবনে নিয়মিত এই অভিযান পরিচালনা করলে আর এভাবে কেউ নিয়মের বাইরে ভবন নির্মাণ করবে না। রাস্তার জায়গা দখল করে ভবন নির্মাণ করার সাহস করবে না।
উচ্ছেদ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন রাজউক জোন- ২/১ এর পক্ষে অথরাইজড অফিসার প্রকৌশলী মোঃ সাইফুল ইসলাম, সহকারি অথরাইজড অফিসার সাজ্জাদ হোসেন, প্রধান ইমারত পরিদর্শকসহ রাজউকের অন্যান্য কর্মকর্তারা। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৫
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লিটন সরকার বলেন, ঢাকাকে বাসযোগ্য করার জন্য রাজউক কাজ করে যাচ্ছে। সেই পদক্ষেপ অনুযায়ী রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ জোন- ২/১ আওতাধীন দক্ষিণখান সরদার পাড়া এলাকায় রাজউকের নকশা বহির্ভূত তিনটি ভবনকে মোট ৮ লাখ টাকা জরিমানাসহ মিটার খুলে নেয়া হয়েছে।
ভবন মালিক মুচলেকা দিয়েছেন তারা নিজ দায়িত্বে বর্ধিত অংশ ভেঙ্গে রাজউকের পরিচালকের কাছে মিটারের জন্য আবেদন করলে আমরা ডেসকোর মাধ্যমে তাদের মিটার পুনরায় সংযোগ দেয়ার ব্যবস্থা করবো।
https://www.youtube.com/watch?v=1FNipGh7CMA&t=1s
নকশা বহির্বভূত অংশ নিজ উদ্যোগে ভেঙে অপসারণ করবেন মর্মে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে মুচলেকা দেন ভবন মালিকগন। রাজউকের নকশা বহির্ভূত ভবন যেনো নির্মাণ করতে না পারে তার জন্য রাজউকের এই উচ্ছেদ কার্যক্রম চলমান থাকবে। রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান একটি চলমান প্রক্রিয়া।
এছাড়াও কয়েকটি ভবনের মালিক রাস্তায় জায়গা দখল করে র্যাম্প তাৎক্ষণিকভাবে অপসারণ করা হয়। রাস্তার জায়গা দখল করে র্যাম্প নির্মাণ করে মানুষ চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।
স্থানীয় লোকজন জানান, নকশা বহির্ভূত ভবনে নিয়মিত এই অভিযান পরিচালনা করলে আর এভাবে কেউ নিয়মের বাইরে ভবন নির্মাণ করবে না। রাস্তার জায়গা দখল করে ভবন নির্মাণ করার সাহস করবে না।
উচ্ছেদ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন রাজউক জোন- ২/১ এর পক্ষে অথরাইজড অফিসার প্রকৌশলী মোঃ সাইফুল ইসলাম, সহকারি অথরাইজড অফিসার সাজ্জাদ হোসেন, প্রধান ইমারত পরিদর্শকসহ রাজউকের অন্যান্য কর্মকর্তারা। 
আপনার মতামত লিখুন