গ্রেপ্তার মাহমুদুল হাসান মহিন।[/caption]
ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয় হয়। এ পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও র্যাব। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন যুবদল নেতা পরিচিত মাহমুদুল হাসান ওরফে মহিন এবং তারেক রহমান ওরফে রবিন। তারেকের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। র্যাব আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে কেরানীগঞ্জের ইবনে সিনা হাসপাতাল এলাকা থেকে, যদিও তাদের নাম প্রকাশ করা হয়নি।
[caption id="attachment_12794" align="aligncenter" width="300"]
অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার তারেক রহমান রবিন।[/caption]
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশব্যাপী নিন্দার ঝড় ওঠে। ভিডিওতে দেখা যায়, লাল চাঁদের নিথর দেহের ওপর একাধিক ব্যক্তি কংক্রিটের বড় খণ্ড দিয়ে বর্বরভাবে আঘাত করছে। অনেকে ঘটনাটিকে ‘ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
এই ঘটনায় রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও দেখা গেছে। জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, সিপিবি, গণসংহতি আন্দোলন, এবি পার্টি ও গণ অধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠন গভীর নিন্দা জানিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ফেডারেশন ও ইসলামী ছাত্র আন্দোলন পৃথক বিক্ষোভ করেছে। পুরান ঢাকায় বিক্ষোভ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও। আজও কয়েকটি ছাত্রসংগঠন প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের সংগঠন থেকে বহিষ্কার শুরু হয়েছে। জাতীয়তাবাদী যুবদল বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক জলবায়ুবিষয়ক সহসম্পাদক রজ্জব আলী ওরফে পিন্টু এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাবাহ করিম ওরফে লাকিকে। ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলও পৃথকভাবে তাদের সংগঠনের দুই নেতাকে বহিষ্কার করেছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখার উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, প্রাথমিক তদন্তে ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব ও পুরোনো শত্রুতার তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে তদন্ত চলছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঢাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক পটভূমি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। নাগরিকদের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করছেন সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন মহল। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৫
গ্রেপ্তার মাহমুদুল হাসান মহিন।[/caption]
ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয় হয়। এ পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও র্যাব। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন যুবদল নেতা পরিচিত মাহমুদুল হাসান ওরফে মহিন এবং তারেক রহমান ওরফে রবিন। তারেকের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। র্যাব আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে কেরানীগঞ্জের ইবনে সিনা হাসপাতাল এলাকা থেকে, যদিও তাদের নাম প্রকাশ করা হয়নি।
[caption id="attachment_12794" align="aligncenter" width="300"]
অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার তারেক রহমান রবিন।[/caption]
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশব্যাপী নিন্দার ঝড় ওঠে। ভিডিওতে দেখা যায়, লাল চাঁদের নিথর দেহের ওপর একাধিক ব্যক্তি কংক্রিটের বড় খণ্ড দিয়ে বর্বরভাবে আঘাত করছে। অনেকে ঘটনাটিকে ‘ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
এই ঘটনায় রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও দেখা গেছে। জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, সিপিবি, গণসংহতি আন্দোলন, এবি পার্টি ও গণ অধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠন গভীর নিন্দা জানিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ফেডারেশন ও ইসলামী ছাত্র আন্দোলন পৃথক বিক্ষোভ করেছে। পুরান ঢাকায় বিক্ষোভ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও। আজও কয়েকটি ছাত্রসংগঠন প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের সংগঠন থেকে বহিষ্কার শুরু হয়েছে। জাতীয়তাবাদী যুবদল বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক জলবায়ুবিষয়ক সহসম্পাদক রজ্জব আলী ওরফে পিন্টু এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাবাহ করিম ওরফে লাকিকে। ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলও পৃথকভাবে তাদের সংগঠনের দুই নেতাকে বহিষ্কার করেছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখার উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, প্রাথমিক তদন্তে ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব ও পুরোনো শত্রুতার তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে তদন্ত চলছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঢাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক পটভূমি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। নাগরিকদের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করছেন সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন মহল। 
আপনার মতামত লিখুন