খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার ১১ নম্বর সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বুধবার সকাল থেকে তিন ঘণ্টা তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। দুর্নীতি, অনিয়ম এবং মিথ্যা মামলায় সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ এনে বিএনপি-সমর্থিত স্থানীয়রা দুপুর পৌনে ১২টার দিকে পরিষদে তালা লাগিয়ে দেন।
পরে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বিকেল সোয়া ৩টায় তালা খোলা হয়।
এ ঘটনায় এলাকাবাসী পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী হুমায়ুন কবির বুলুর পদত্যাগের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ জমা দেন।
চেয়ারম্যান গাজী হুমায়ুন কবির বুলু ২০১৫ সালে ছিলেন ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ও জেলা বিএনপির তথ্য ও প্রচার সম্পাদক।
২০১৬ সালে তিনি বিএনপি ছেড়ে আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং পরপর দুই মেয়াদে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম, ইট সরবরাহে পক্ষপাতিত্ব এবং মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ উঠে।
বিশেষ করে আরাজি ডুমুরিয়ায় একটি সড়ক নির্মাণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পারভেজ গাজীর সঙ্গে মতবিরোধকে কেন্দ্র করেই এ বিরোধের সূত্রপাত বলে অভিযোগ উঠেছে।
ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হরিদাস কুন্ডু বলেন,
“তারা প্রথমে জানতে চায় চেয়ারম্যান আছেন কি না। এরপর আমাদের বলেন অফিস কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রাখতে। আমরা বাইরে গেলে পরে দেখি আমাদের তালার পাশেই তারা ডাবল তালা লাগিয়েছে। তবে কেউ খারাপ ব্যবহার করেনি।”
চেয়ারম্যান গাজী হুমায়ুন কবির বুলু বলেন—
“আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হচ্ছে, সেগুলো মিথ্যা। তদন্ত হলেই সত্য বেরিয়ে আসবে। রাস্তার ইট চাওয়া নিয়ে পারভেজ গাজীর সঙ্গে মতবিরোধ হয়েছিল, সেখান থেকেই এই অপপ্রচার।"
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন জানান—
"ইউনিয়ন পরিষদের তালা খুলে দেওয়া হয়েছে। চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ তদন্তে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।”
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে আওয়ামী লীগের কিছু নেতার সঙ্গে বিরোধের জেরে চেয়ারম্যানের পরিচালনাধীন হাসেম আলী মৎস্য ও কাঁচাবাজারের ভবন ভেঙে প্রায় ৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৫
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার ১১ নম্বর সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বুধবার সকাল থেকে তিন ঘণ্টা তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। দুর্নীতি, অনিয়ম এবং মিথ্যা মামলায় সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ এনে বিএনপি-সমর্থিত স্থানীয়রা দুপুর পৌনে ১২টার দিকে পরিষদে তালা লাগিয়ে দেন।
পরে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বিকেল সোয়া ৩টায় তালা খোলা হয়।
এ ঘটনায় এলাকাবাসী পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী হুমায়ুন কবির বুলুর পদত্যাগের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ জমা দেন।
চেয়ারম্যান গাজী হুমায়ুন কবির বুলু ২০১৫ সালে ছিলেন ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ও জেলা বিএনপির তথ্য ও প্রচার সম্পাদক।
২০১৬ সালে তিনি বিএনপি ছেড়ে আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং পরপর দুই মেয়াদে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম, ইট সরবরাহে পক্ষপাতিত্ব এবং মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ উঠে।
বিশেষ করে আরাজি ডুমুরিয়ায় একটি সড়ক নির্মাণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পারভেজ গাজীর সঙ্গে মতবিরোধকে কেন্দ্র করেই এ বিরোধের সূত্রপাত বলে অভিযোগ উঠেছে।
ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হরিদাস কুন্ডু বলেন,
“তারা প্রথমে জানতে চায় চেয়ারম্যান আছেন কি না। এরপর আমাদের বলেন অফিস কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রাখতে। আমরা বাইরে গেলে পরে দেখি আমাদের তালার পাশেই তারা ডাবল তালা লাগিয়েছে। তবে কেউ খারাপ ব্যবহার করেনি।”
চেয়ারম্যান গাজী হুমায়ুন কবির বুলু বলেন—
“আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হচ্ছে, সেগুলো মিথ্যা। তদন্ত হলেই সত্য বেরিয়ে আসবে। রাস্তার ইট চাওয়া নিয়ে পারভেজ গাজীর সঙ্গে মতবিরোধ হয়েছিল, সেখান থেকেই এই অপপ্রচার।"
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন জানান—
"ইউনিয়ন পরিষদের তালা খুলে দেওয়া হয়েছে। চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ তদন্তে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।”
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে আওয়ামী লীগের কিছু নেতার সঙ্গে বিরোধের জেরে চেয়ারম্যানের পরিচালনাধীন হাসেম আলী মৎস্য ও কাঁচাবাজারের ভবন ভেঙে প্রায় ৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন