খুলনার ডুমুরিয়ার চুকনগর বাজারে মৃতপ্রায় গরু জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগে তিন জনকে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। রবিবার (৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ডুমুরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অপ্রতিম কুমার চক্রবর্তীর নেতৃত্বে পরিচালিত এ ভ্রাম্যমাণ আদালত এ রায় দেন।
জানা গেছে, শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চুকনগর বাজারসংলগ্ন নরনিয়া গ্রামে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম মহালদারের হেফাজতে গোপালগঞ্জ থেকে আনা সাতটি রুগ্ন গরু রাখা হয়। সেখান থেকে একটি মৃতপ্রায় গরু ও একটি গুরুতর অসুস্থ গরু জবাই করে মাংস বিক্রির চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন তা ধরে ফেলে এবং গরুসহ মাংস আটকে রাখে। পরে বিষয়টি তারা ডুমুরিয়া থানার ওসি মাসুদ রানা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মাদ আল আমিনকে জানান।

ইউএনওর নির্দেশে সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছান সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আশরাফুল কবির, প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. পপি রানী, ডুমুরিয়া থানার পুলিশ সদস্যরা ও প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।
পরিদর্শন শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯–এর ৫২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে মো. সাইফুল ইসলাম (২২), মোস্তাফিজুর রহমান (৪৫) ও এয়াকুব আলী (৫০)–কে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে জেল হাজতে পাঠানো হয়।
এ সময় জীবিত পাঁচটি গরুর মধ্যে দুটি সাজিয়াড়া সামছুল উলুম মাদ্রাসা, দুটি চাকুন্দিয়া মাদ্রাসা ও একটি নরনিয়া মাদ্রাসায় হস্তান্তর করা হয়। অন্যদিকে জবাইকৃত দুইটি গরুর মরদেহ প্রক্রিয়াজাতভাবে মাটিতে পুঁতে ধ্বংস করা হয়।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আশরাফুল কবির বলেন, “বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মরা বা রুগ্ন গরুর মাংস জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম ক্ষতিকর। ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড করলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডুমুরিয়া থানার এসআই শামীম, এএসআই মিজানুর রহমান ও শামীম, চুকনগর বাজার কমিটির সভাপতি মো. সাইদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. বিল্লাল হোসেন সরদার, স্থানীয় সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৫
খুলনার ডুমুরিয়ার চুকনগর বাজারে মৃতপ্রায় গরু জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগে তিন জনকে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। রবিবার (৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ডুমুরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অপ্রতিম কুমার চক্রবর্তীর নেতৃত্বে পরিচালিত এ ভ্রাম্যমাণ আদালত এ রায় দেন।
জানা গেছে, শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চুকনগর বাজারসংলগ্ন নরনিয়া গ্রামে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম মহালদারের হেফাজতে গোপালগঞ্জ থেকে আনা সাতটি রুগ্ন গরু রাখা হয়। সেখান থেকে একটি মৃতপ্রায় গরু ও একটি গুরুতর অসুস্থ গরু জবাই করে মাংস বিক্রির চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন তা ধরে ফেলে এবং গরুসহ মাংস আটকে রাখে। পরে বিষয়টি তারা ডুমুরিয়া থানার ওসি মাসুদ রানা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মাদ আল আমিনকে জানান।

ইউএনওর নির্দেশে সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছান সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আশরাফুল কবির, প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. পপি রানী, ডুমুরিয়া থানার পুলিশ সদস্যরা ও প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।
পরিদর্শন শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯–এর ৫২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে মো. সাইফুল ইসলাম (২২), মোস্তাফিজুর রহমান (৪৫) ও এয়াকুব আলী (৫০)–কে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে জেল হাজতে পাঠানো হয়।
এ সময় জীবিত পাঁচটি গরুর মধ্যে দুটি সাজিয়াড়া সামছুল উলুম মাদ্রাসা, দুটি চাকুন্দিয়া মাদ্রাসা ও একটি নরনিয়া মাদ্রাসায় হস্তান্তর করা হয়। অন্যদিকে জবাইকৃত দুইটি গরুর মরদেহ প্রক্রিয়াজাতভাবে মাটিতে পুঁতে ধ্বংস করা হয়।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আশরাফুল কবির বলেন, “বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মরা বা রুগ্ন গরুর মাংস জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম ক্ষতিকর। ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড করলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডুমুরিয়া থানার এসআই শামীম, এএসআই মিজানুর রহমান ও শামীম, চুকনগর বাজার কমিটির সভাপতি মো. সাইদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. বিল্লাল হোসেন সরদার, স্থানীয় সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।

আপনার মতামত লিখুন