কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলায় এক মা তার স্বামীর দায়ের করা মামলাকে “মিথ্যা ও বানোয়াট” দাবি করে তা প্রত্যাহার এবং ঘটনার সঠিক তদন্ত চেয়েছেন। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) দুপুর ২টায় কসবা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের চারুয়া গ্রামের বাসিন্দা ফেরদৌস বেগম, যিনি অভিযুক্ত মাসুমের মা এবং বাদী জসিম উদ্দিনের স্ত্রী।
ফেরদৌস বেগম বলেন,
“গত ২৩ জুলাই আমার স্বামী জসিম উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যে মামলাটি দায়ের করেছেন (সিআর মামলা নং: ৫৬৫), তাতে আমাকেই ১ নম্বর সাক্ষী করা হয়েছে— অথচ ওই ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার ছেলে মাসুম কোনো মাদকাসক্ত নয়, সে আমার গায়ে হাত তোলে না, ঘরে কোনো ভাঙচুরও করেনি। এসব ভিত্তিহীন অভিযোগে কসবা থানা পুলিশ ৫ আগস্ট মাসুমকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে।”
তিনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে মাসুমের স্ত্রী মীম আক্তার বলেন,
“আমার স্বামীকে বিদেশ পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েও আমার শ্বশুর কথা রাখেননি। বরং দ্বিতীয় বিয়ে করার পর আমার শাশুড়ি ও স্বামী মাসুমের দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ অবহেলা করেছেন। এখন তারা আমাদের সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে এই ষড়যন্ত্রমূলক মামলা করেছেন।”
তিনি মামলাটিকে পারিবারিক সহিংসতা ও সম্পত্তি আত্মসাতের অপচেষ্টা হিসেবে আখ্যায়িত করে তদন্ত সাপেক্ষে ন্যায়বিচারের দাবি জানান।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৫
কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলায় এক মা তার স্বামীর দায়ের করা মামলাকে “মিথ্যা ও বানোয়াট” দাবি করে তা প্রত্যাহার এবং ঘটনার সঠিক তদন্ত চেয়েছেন। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) দুপুর ২টায় কসবা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের চারুয়া গ্রামের বাসিন্দা ফেরদৌস বেগম, যিনি অভিযুক্ত মাসুমের মা এবং বাদী জসিম উদ্দিনের স্ত্রী।
ফেরদৌস বেগম বলেন,
“গত ২৩ জুলাই আমার স্বামী জসিম উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যে মামলাটি দায়ের করেছেন (সিআর মামলা নং: ৫৬৫), তাতে আমাকেই ১ নম্বর সাক্ষী করা হয়েছে— অথচ ওই ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার ছেলে মাসুম কোনো মাদকাসক্ত নয়, সে আমার গায়ে হাত তোলে না, ঘরে কোনো ভাঙচুরও করেনি। এসব ভিত্তিহীন অভিযোগে কসবা থানা পুলিশ ৫ আগস্ট মাসুমকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে।”
তিনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে মাসুমের স্ত্রী মীম আক্তার বলেন,
“আমার স্বামীকে বিদেশ পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েও আমার শ্বশুর কথা রাখেননি। বরং দ্বিতীয় বিয়ে করার পর আমার শাশুড়ি ও স্বামী মাসুমের দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ অবহেলা করেছেন। এখন তারা আমাদের সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে এই ষড়যন্ত্রমূলক মামলা করেছেন।”
তিনি মামলাটিকে পারিবারিক সহিংসতা ও সম্পত্তি আত্মসাতের অপচেষ্টা হিসেবে আখ্যায়িত করে তদন্ত সাপেক্ষে ন্যায়বিচারের দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন