সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে নির্মমভাবে হত্যা করার প্রতিবাদে বিচার দাবিতে উত্তরা সাংবাদিক ও ছাত্র-জনতা এককভাবে মানববন্ধন করেছে।
শনিবার (৯ আগস্ট) সকাল ১১টায় উত্তরা বিএনএস সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে উত্তরার সাংবাদিক, রাজনীতিক ও ছাত্র-জনতার পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।

খোলা কাগজের নিজস্ব প্রতিবেদক শিপার মাহমুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সিনিয়র সাংবাদিক মনির হোসেন জীবন, নাগরিক টিভির মো. মাসুদ পারভেজ, চ্যানেল এস-এর মাহতাব ফারাহী, ইত্তেফাকের জাহাঙ্গীর কবির, কালের কণ্ঠের আল-আমিন, বাংলাদেশ বুলেটিনের মো. আমিনুল ইসলাম, বাংলা টিভির মাহমুদুল হাসান (সবুজ), নববাণী পত্রিকার নাজমুল মণ্ডলসহ উত্তরা অঞ্চলের অর্ধশতাধিক গণমাধ্যমকর্মী বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বলেন, একের পর এক সাংবাদিক হত্যার ঘটনায় বিচার না হওয়ায় দেশে দণ্ডমুক্তির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তুহিন হত্যার নৃশংসতা প্রমাণ করে দেশের গণমাধ্যম স্বাধীনতা গভীর হুমকির মুখে রয়েছে। তারা অবিলম্বে তুহিন হত্যার দ্রুত বিচার এবং প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।
সমাপনী বক্তব্য দেন আমার দেশ পত্রিকার সাংবাদিক মাহমুদুল হাসান আশিক। মানববন্ধন তার বক্তব্যে সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৫
সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে নির্মমভাবে হত্যা করার প্রতিবাদে বিচার দাবিতে উত্তরা সাংবাদিক ও ছাত্র-জনতা এককভাবে মানববন্ধন করেছে।
শনিবার (৯ আগস্ট) সকাল ১১টায় উত্তরা বিএনএস সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে উত্তরার সাংবাদিক, রাজনীতিক ও ছাত্র-জনতার পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।

খোলা কাগজের নিজস্ব প্রতিবেদক শিপার মাহমুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সিনিয়র সাংবাদিক মনির হোসেন জীবন, নাগরিক টিভির মো. মাসুদ পারভেজ, চ্যানেল এস-এর মাহতাব ফারাহী, ইত্তেফাকের জাহাঙ্গীর কবির, কালের কণ্ঠের আল-আমিন, বাংলাদেশ বুলেটিনের মো. আমিনুল ইসলাম, বাংলা টিভির মাহমুদুল হাসান (সবুজ), নববাণী পত্রিকার নাজমুল মণ্ডলসহ উত্তরা অঞ্চলের অর্ধশতাধিক গণমাধ্যমকর্মী বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বলেন, একের পর এক সাংবাদিক হত্যার ঘটনায় বিচার না হওয়ায় দেশে দণ্ডমুক্তির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তুহিন হত্যার নৃশংসতা প্রমাণ করে দেশের গণমাধ্যম স্বাধীনতা গভীর হুমকির মুখে রয়েছে। তারা অবিলম্বে তুহিন হত্যার দ্রুত বিচার এবং প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।
সমাপনী বক্তব্য দেন আমার দেশ পত্রিকার সাংবাদিক মাহমুদুল হাসান আশিক। মানববন্ধন তার বক্তব্যে সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন