নিজস্ব প্রতিবেদক:
শেরপুরের মোফাজ্জল হোসেন—একসময় ‘আওয়ামী লীগের বাবুর্চি’ হিসেবে পরিচিত হলেও এখন তিনি জামায়াতে ইসলামীর ভুয়া নেতা সাজার অভিযোগে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। খিলক্ষেত নিকুঞ্জ জামতলা এলাকায় রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে তিনি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অটোরিকশার ব্যবসা ও চাঁদাবাজির সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। শুধু মাত্র রিকসার চাঁদাবাজীর টাকার লোভে আওয়ামীলীগ ছেড়ে এখন জামায়াতে নাম লিখিয়েছেন তিনি এমনটা তার বিরুদ্ধে।
দরবেশ সুলভ বেশভূষার কারণে প্রথমে ওলামলীগের সঙ্গে যুক্ত হন মোফাজ্জল। সেখানে সুবিধা করতে না পেরে যোগ দেন খিলক্ষেত থানা শ্রমিকলীগে, সেখান থেকে তার রাজনৈতিক উত্থান শুরু। শ্রমিকলীগ নেতা ‘রিকশা নান্নু’র ছত্রছায়ায় তিনি অটোরিকশার ব্যবসায় নামেন। প্রতিটি অটোরিকশা থেকে মাসে দুই হাজার টাকা এবং নতুন নামানো অটোরিকশা প্রতি ২০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করে তিনি অল্প সময়ে লাখপতি বনে যান এবং প্রায় ৩০টির অবৈধ রিকসার মালিক হন।
ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়ে গেলেও মোফাজ্জলের ব্যবসায় তেমন প্রভাব পড়েনি। ৩০ এপ্রিল এলাকাবাসীর উদ্যোগে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধ হলেও তিনি পুনরায় তা চালুর চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। যেকারণে তিনি দল পরিবর্তন করে এখন জামায়াতের সাথে তার ওঠা বসা। ঠিক খোলস পাল্টানোর মতই।

সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, এখন তিনি নিজেকে জামায়াতের নেতা হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন। এলাকাবাসীর দাবি, ৩০ জানুয়ারি শেরপুরে তিনি জামায়াতের প্রাথমিক সহযোগী সদস্য হওয়ার একটি কাগজ দেখিয়ে নিজেকে নেতা প্রমাণের চেষ্টা করেছেন। বিএনপি সাজতে না পেরে এখন জামায়াতের ছদ্মবেশ নিচ্ছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
মোফাজ্জলের এ বহুরূপী আচরণে স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ। তারা প্রশ্ন তুলেছেন—এমন একজন বিতর্কিত ও প্রভাবশালী চাঁদাবাজকে খিলক্ষেত থানা পুলিশ কেন গ্রেফতার করছে না। দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৫
নিজস্ব প্রতিবেদক:
শেরপুরের মোফাজ্জল হোসেন—একসময় ‘আওয়ামী লীগের বাবুর্চি’ হিসেবে পরিচিত হলেও এখন তিনি জামায়াতে ইসলামীর ভুয়া নেতা সাজার অভিযোগে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। খিলক্ষেত নিকুঞ্জ জামতলা এলাকায় রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে তিনি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অটোরিকশার ব্যবসা ও চাঁদাবাজির সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। শুধু মাত্র রিকসার চাঁদাবাজীর টাকার লোভে আওয়ামীলীগ ছেড়ে এখন জামায়াতে নাম লিখিয়েছেন তিনি এমনটা তার বিরুদ্ধে।
দরবেশ সুলভ বেশভূষার কারণে প্রথমে ওলামলীগের সঙ্গে যুক্ত হন মোফাজ্জল। সেখানে সুবিধা করতে না পেরে যোগ দেন খিলক্ষেত থানা শ্রমিকলীগে, সেখান থেকে তার রাজনৈতিক উত্থান শুরু। শ্রমিকলীগ নেতা ‘রিকশা নান্নু’র ছত্রছায়ায় তিনি অটোরিকশার ব্যবসায় নামেন। প্রতিটি অটোরিকশা থেকে মাসে দুই হাজার টাকা এবং নতুন নামানো অটোরিকশা প্রতি ২০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করে তিনি অল্প সময়ে লাখপতি বনে যান এবং প্রায় ৩০টির অবৈধ রিকসার মালিক হন।
ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়ে গেলেও মোফাজ্জলের ব্যবসায় তেমন প্রভাব পড়েনি। ৩০ এপ্রিল এলাকাবাসীর উদ্যোগে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধ হলেও তিনি পুনরায় তা চালুর চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। যেকারণে তিনি দল পরিবর্তন করে এখন জামায়াতের সাথে তার ওঠা বসা। ঠিক খোলস পাল্টানোর মতই।

সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, এখন তিনি নিজেকে জামায়াতের নেতা হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন। এলাকাবাসীর দাবি, ৩০ জানুয়ারি শেরপুরে তিনি জামায়াতের প্রাথমিক সহযোগী সদস্য হওয়ার একটি কাগজ দেখিয়ে নিজেকে নেতা প্রমাণের চেষ্টা করেছেন। বিএনপি সাজতে না পেরে এখন জামায়াতের ছদ্মবেশ নিচ্ছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
মোফাজ্জলের এ বহুরূপী আচরণে স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ। তারা প্রশ্ন তুলেছেন—এমন একজন বিতর্কিত ও প্রভাবশালী চাঁদাবাজকে খিলক্ষেত থানা পুলিশ কেন গ্রেফতার করছে না। দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন