বিআরটিএ মিরপুরে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তা: জড়িত দালাল চক্র ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ।
ঢাকা | ১৭ আগস্ট ২০২৫, রোববার
রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) -১৩ এর কার্যালয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে মোঃ জাকিরুল ইসলাম নামে এক সাংবাদিক দালাল চক্র ও কতিপয় কর্মকর্তার যৌথ হেনস্তা, অবরুদ্ধ ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটে ১৭ আগস্ট রোববার, দুপুর ১২টার দিকে।
সাংবাদিক জাকিরুল ইসলাম জানান, তিনি দালাল চক্র ও অনিয়ম বিষয়ে অনুসন্ধানী তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে বিআরটিএ মিরপুর কার্যালয়ে যান। প্রথমে তিনি ১০১ নং রুমে মালিকানা শাখায় প্রবেশ করে দালালদের বিষয়ে জানতে চাইলে সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিদর্শক রাসেল বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।
এরপর তিনি দ্বিতীয় তলায় মোটরসাইকেল মালিকানা ও রেজিস্ট্রেশন শাখার সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ার) শামসুল কবিরের কক্ষে গেলে একই প্রশ্নের মুখে তিনি বলেন, "আমি খুব ব্যস্ত, পরে কথা বলব।" এছাড়া তিনি সাংবাদিককে উল্টো ব্যক্তিগত প্রশ্নবাণে জর্জরিত করেন এবং দালাল ‘নাজমুল’ সম্পর্কে অস্বীকৃতি জানান।
তথ্য সংগ্রহে ব্যাঘাত ঘটানোর পর সাংবাদিক জাকিরুল ইসলাম ১১০ নং রুমে ফিটনেস শাখায় যান। সেখানে সহকারী পরিচালক শেখ ইমরানের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তিনিও কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করে ১২৭ নং রুমে যেতে বলেন। ১২৭ নং রুমে গিয়ে তিনি কয়েকজন জুনিয়র অফিসার ও কিছু দালাল চক্রের সদস্যকে দেখতে পান।
রুম থেকে বের হয়ে অফিস প্রাঙ্গণের আনসার ক্যাম্পের পাশে একটি গাছের নিচে বসে বিশ্রাম নিলে দুলাল ও হাবিব নামে দুই দালাল তাঁর পরিচয় জানতে চান। পরিচয়পত্র প্রদর্শন করার পরও তারা ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিককে অপমান করেন। কিছুক্ষণের মধ্যে আরও কয়েকজন দালাল এসে সাংবাদিককে ঘিরে ধরে। আনসার সদস্যদের সামনেই তাঁর মোবাইল ও পরিচয়পত্র ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
পরবর্তীতে আনসারদের সহযোগিতায় এক অজ্ঞাত আনসার সদস্য তাঁকে আনসার ক্যাম্পের পাশের হাজতে পাঠিয়ে দেন। পরে আনসারের পিসি সোহেল তাঁকে কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর আনসার ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেন।
প্রায় দুই ঘণ্টা পর আনসারের পিসি সোহেল ও সহকারী পিসি শহিদুল এবং দুলাল-হাবিবসহ আরও কয়েকজন দালাল মিলে সাংবাদিককে ক্যাম্পে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক একটি “চাঁদাবাজির মুচলেকা” লিখিয়ে দেন এবং তাকে বিআরটিএ প্রাঙ্গণ থেকে বের করে দেন।
এই ঘটনায় এখনো কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সাংবাদিক জাকিরুল ইসলাম বলেন, "আমি একজন পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে দায়িত্ব পালনে গিয়েছিলাম। সেখানে দালালদের দৌরাত্ম্য, কর্মকর্তাদের নীরবতা এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসারদের সরাসরি জড়িত থাকা অত্যন্ত লজ্জাজনক ও ভয়াবহ অভিজ্ঞতা।"
তিনি ঘটনার বিচার দাবি করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। ইতোমধ্যে তিনি আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে বিআরটিএ মিরপুর অফিস কিংবা আনসার বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিআরটিএ মিরপুরে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তা: জড়িত দালাল চক্র ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ।
ঢাকা | ১৭ আগস্ট ২০২৫, রোববার
রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) -১৩ এর কার্যালয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে মোঃ জাকিরুল ইসলাম নামে এক সাংবাদিক দালাল চক্র ও কতিপয় কর্মকর্তার যৌথ হেনস্তা, অবরুদ্ধ ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটে ১৭ আগস্ট রোববার, দুপুর ১২টার দিকে।
সাংবাদিক জাকিরুল ইসলাম জানান, তিনি দালাল চক্র ও অনিয়ম বিষয়ে অনুসন্ধানী তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে বিআরটিএ মিরপুর কার্যালয়ে যান। প্রথমে তিনি ১০১ নং রুমে মালিকানা শাখায় প্রবেশ করে দালালদের বিষয়ে জানতে চাইলে সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিদর্শক রাসেল বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।
এরপর তিনি দ্বিতীয় তলায় মোটরসাইকেল মালিকানা ও রেজিস্ট্রেশন শাখার সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ার) শামসুল কবিরের কক্ষে গেলে একই প্রশ্নের মুখে তিনি বলেন, "আমি খুব ব্যস্ত, পরে কথা বলব।" এছাড়া তিনি সাংবাদিককে উল্টো ব্যক্তিগত প্রশ্নবাণে জর্জরিত করেন এবং দালাল ‘নাজমুল’ সম্পর্কে অস্বীকৃতি জানান।
তথ্য সংগ্রহে ব্যাঘাত ঘটানোর পর সাংবাদিক জাকিরুল ইসলাম ১১০ নং রুমে ফিটনেস শাখায় যান। সেখানে সহকারী পরিচালক শেখ ইমরানের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তিনিও কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করে ১২৭ নং রুমে যেতে বলেন। ১২৭ নং রুমে গিয়ে তিনি কয়েকজন জুনিয়র অফিসার ও কিছু দালাল চক্রের সদস্যকে দেখতে পান।
রুম থেকে বের হয়ে অফিস প্রাঙ্গণের আনসার ক্যাম্পের পাশে একটি গাছের নিচে বসে বিশ্রাম নিলে দুলাল ও হাবিব নামে দুই দালাল তাঁর পরিচয় জানতে চান। পরিচয়পত্র প্রদর্শন করার পরও তারা ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিককে অপমান করেন। কিছুক্ষণের মধ্যে আরও কয়েকজন দালাল এসে সাংবাদিককে ঘিরে ধরে। আনসার সদস্যদের সামনেই তাঁর মোবাইল ও পরিচয়পত্র ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
পরবর্তীতে আনসারদের সহযোগিতায় এক অজ্ঞাত আনসার সদস্য তাঁকে আনসার ক্যাম্পের পাশের হাজতে পাঠিয়ে দেন। পরে আনসারের পিসি সোহেল তাঁকে কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর আনসার ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেন।
প্রায় দুই ঘণ্টা পর আনসারের পিসি সোহেল ও সহকারী পিসি শহিদুল এবং দুলাল-হাবিবসহ আরও কয়েকজন দালাল মিলে সাংবাদিককে ক্যাম্পে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক একটি “চাঁদাবাজির মুচলেকা” লিখিয়ে দেন এবং তাকে বিআরটিএ প্রাঙ্গণ থেকে বের করে দেন।
এই ঘটনায় এখনো কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সাংবাদিক জাকিরুল ইসলাম বলেন, "আমি একজন পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে দায়িত্ব পালনে গিয়েছিলাম। সেখানে দালালদের দৌরাত্ম্য, কর্মকর্তাদের নীরবতা এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসারদের সরাসরি জড়িত থাকা অত্যন্ত লজ্জাজনক ও ভয়াবহ অভিজ্ঞতা।"
তিনি ঘটনার বিচার দাবি করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। ইতোমধ্যে তিনি আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে বিআরটিএ মিরপুর অফিস কিংবা আনসার বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন