মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি:
কথিত আবাসন কোম্পানি পুষ্পধারা প্রোপার্টিজ লিমিটেড–এর ডাইরেক্টর মাইনউদ্দিন খান প্রায় ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে মালয়েশিয়ায় পলাতক রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
২০১৪ সালে কোম্পানিটি ‘পদ্মাভ্যালি’ ও ‘পদ্মা ইকোসিটি’ নামে দুটি প্রকল্প হাতে নেয়। মাত্র ১০০ শতাংশ জমির উপর ভিত্তি করে একাধিক সেক্টর খুলে তারা প্লট, ফ্ল্যাট, ডুপ্লেক্স, ট্রিপ্লেক্স ও কন্ডোমিনিয়াম বিক্রি করতে থাকে। গ্রাহক আকৃষ্ট করতে রাজধানীর অভিজাত এলাকায় কর্পোরেট অফিস, বিলাসবহুল মার্কেটিং, এমনকি নিজস্ব পাঁচতারকা হোটেলে ভোজের আয়োজন করা হতো।
তদন্তে জানা গেছে, প্রকল্পের প্রধান ফটকই দাঁড়িয়ে আছে পাকিস্তান আমলের রেকর্ডীয় খাস জমিতে। প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা ছিল কেওয়াটখালী, ষোলঘর ও আলমপুর মৌজায়, কিন্তু গ্রাহকদের জমি বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে ২০ কিলোমিটার দূরের বাড়ৈখালী মৌজা থেকে। অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের বড় অংশই ভাড়া করা সাইনবোর্ডের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব খাটিয়ে কোম্পানির ম্যানেজমেন্ট সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে কয়েকজন কর্মকর্তা রাতারাতি কোটিপতি হয়েছেন।
শ্রীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, সরকারি জমি দখলের তথ্য পাওয়ার পর এ্যাসিল্যান্ডের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে অতি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হবে।”
ভুক্তভোগীরা সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন—এই ভয়াবহ প্রতারণার চক্র ভেঙে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে, যাতে সাধারণ মানুষের সঞ্চিত অর্থ ও আবাসনের স্বপ্ন রক্ষা পায়।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৫
মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি:
কথিত আবাসন কোম্পানি পুষ্পধারা প্রোপার্টিজ লিমিটেড–এর ডাইরেক্টর মাইনউদ্দিন খান প্রায় ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে মালয়েশিয়ায় পলাতক রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
২০১৪ সালে কোম্পানিটি ‘পদ্মাভ্যালি’ ও ‘পদ্মা ইকোসিটি’ নামে দুটি প্রকল্প হাতে নেয়। মাত্র ১০০ শতাংশ জমির উপর ভিত্তি করে একাধিক সেক্টর খুলে তারা প্লট, ফ্ল্যাট, ডুপ্লেক্স, ট্রিপ্লেক্স ও কন্ডোমিনিয়াম বিক্রি করতে থাকে। গ্রাহক আকৃষ্ট করতে রাজধানীর অভিজাত এলাকায় কর্পোরেট অফিস, বিলাসবহুল মার্কেটিং, এমনকি নিজস্ব পাঁচতারকা হোটেলে ভোজের আয়োজন করা হতো।
তদন্তে জানা গেছে, প্রকল্পের প্রধান ফটকই দাঁড়িয়ে আছে পাকিস্তান আমলের রেকর্ডীয় খাস জমিতে। প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা ছিল কেওয়াটখালী, ষোলঘর ও আলমপুর মৌজায়, কিন্তু গ্রাহকদের জমি বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে ২০ কিলোমিটার দূরের বাড়ৈখালী মৌজা থেকে। অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের বড় অংশই ভাড়া করা সাইনবোর্ডের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব খাটিয়ে কোম্পানির ম্যানেজমেন্ট সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে কয়েকজন কর্মকর্তা রাতারাতি কোটিপতি হয়েছেন।
শ্রীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, সরকারি জমি দখলের তথ্য পাওয়ার পর এ্যাসিল্যান্ডের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে অতি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হবে।”
ভুক্তভোগীরা সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন—এই ভয়াবহ প্রতারণার চক্র ভেঙে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে, যাতে সাধারণ মানুষের সঞ্চিত অর্থ ও আবাসনের স্বপ্ন রক্ষা পায়।

আপনার মতামত লিখুন