দিনাজপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকা নিজের পরকীয়া ঢাকতে স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক মামলা করেছেন।যে কারনে স্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রতারণা, অসামাজিক কার্যকলাপ ও হুমকির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার স্বামী।
সোমবার (২৫ আগস্ট) বেলা ১১টায় দিনাজপুর প্রেসক্লাবে এক লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ তোলেন দিনাজপুর শহরের চাউলিয়াপট্টি এলাকার বাসিন্দা মোঃ এরশাদুল আলম।
তিনি জানান, ২০১১ সালের ৩০ মার্চ শহরের ষষ্টিতলা এলাকার মাসুদ হোসেনের মেয়ে মোছাঃ মাসিদা খাতুন দিবার সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্ত্রী অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরবর্তীতে জানতে পারেন, ওই শিক্ষিকার অতীতে একাধিক বিয়ে হয়েছে এবং তৃতীয় স্বামীর সংসারে একটি ছেলে সন্তানও রয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে এরশাদুল আলম দাবি করেন, বর্তমান সংসারে তার ১৪ বছরের এক পুত্রসন্তান রয়েছে। কিন্তু তার স্ত্রী বিরল উপজেলার মাটিয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হওয়া সত্ত্বেও অতীতে একাধিক বিয়ে, ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সঙ্গে অসামাজিক কার্যকলাপ এবং অনুমতি ছাড়াই ভারতে অবস্থানসহ নানা কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন।
অভিযোগে তিনি আরও বলেন, তার স্ত্রী ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে বন্ধুদের সঙ্গে অশ্লীল ছবি দেখতেন। এ নিয়ে শ্বশুর-শাশুড়িকে অবগত করলে তারা জানান, “আমাদের মেয়ে যদি খারাপ হয় তবে তালাক দিয়ে দাও।”
এরশাদুল আলম বলেন, “আমার স্ত্রী এরই মধ্যে আমার বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে ১২ লাখ টাকার মিথ্যা মামলা করেছে, যা বর্তমানে চলমান।”
তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে তিনি দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন এবং জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৫
দিনাজপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকা নিজের পরকীয়া ঢাকতে স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক মামলা করেছেন।যে কারনে স্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রতারণা, অসামাজিক কার্যকলাপ ও হুমকির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার স্বামী।
সোমবার (২৫ আগস্ট) বেলা ১১টায় দিনাজপুর প্রেসক্লাবে এক লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ তোলেন দিনাজপুর শহরের চাউলিয়াপট্টি এলাকার বাসিন্দা মোঃ এরশাদুল আলম।
তিনি জানান, ২০১১ সালের ৩০ মার্চ শহরের ষষ্টিতলা এলাকার মাসুদ হোসেনের মেয়ে মোছাঃ মাসিদা খাতুন দিবার সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্ত্রী অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরবর্তীতে জানতে পারেন, ওই শিক্ষিকার অতীতে একাধিক বিয়ে হয়েছে এবং তৃতীয় স্বামীর সংসারে একটি ছেলে সন্তানও রয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে এরশাদুল আলম দাবি করেন, বর্তমান সংসারে তার ১৪ বছরের এক পুত্রসন্তান রয়েছে। কিন্তু তার স্ত্রী বিরল উপজেলার মাটিয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হওয়া সত্ত্বেও অতীতে একাধিক বিয়ে, ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সঙ্গে অসামাজিক কার্যকলাপ এবং অনুমতি ছাড়াই ভারতে অবস্থানসহ নানা কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন।
অভিযোগে তিনি আরও বলেন, তার স্ত্রী ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে বন্ধুদের সঙ্গে অশ্লীল ছবি দেখতেন। এ নিয়ে শ্বশুর-শাশুড়িকে অবগত করলে তারা জানান, “আমাদের মেয়ে যদি খারাপ হয় তবে তালাক দিয়ে দাও।”
এরশাদুল আলম বলেন, “আমার স্ত্রী এরই মধ্যে আমার বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে ১২ লাখ টাকার মিথ্যা মামলা করেছে, যা বর্তমানে চলমান।”
তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে তিনি দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন এবং জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।

আপনার মতামত লিখুন