শ্রীনগর উপজেলার বাড়ৈখালী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের মৃত সামেদ আলীর পুত্র মোঃ মোতাহারকে “আওয়ামী দোসর” বানিয়ে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে। ভিডিওটিতে দেখা যায়, মোতাহার ২০২২ সালের নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মহিউদ্দিনের পক্ষে বক্তব্য দিচ্ছেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাড়ৈখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ইকবাল হোসেন মাষ্টার, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও থানা আওয়ামী লীগ সদস্য হাজী মোঃ ফারুক হোসেন, স্থানীয় মেম্বার ও আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ মহসিন খানসহ অন্যরা।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিএনপি কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তবে বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন মোতাহার হোসেন ও স্থানীয় বিএনপি নেতারা। তাদের দাবি, বাস্তব পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল।
বিএনপি নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের নির্বাচনের আগে বাড়ৈখালী ইউনিয়নের ৭ ও ৩ নং ওয়ার্ডের কয়েকজন তরুণের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এরপর ইকবাল হোসেন মাষ্টার ওই ঘটনায় মামলা দেওয়ার হুমকি দেন। ডামি প্রার্থী গোলাম সারওয়ার কবিরের অবস্থান মজবুত রাখতে মামলা আতঙ্কে কয়েকজনকে আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করতে বাধ্য করা হয়। এর অংশ হিসেবেই মোতাহারকে মহিউদ্দিনের পক্ষে বক্তব্য দিতে হয়।
একজন স্থানীয় বিএনপি নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “এখন সবাই বিএনপি করছে। তাহলে এতদিন কারা আওয়ামী লীগ করেছে? মোতাহারের মতো একজন সাধারণ কর্মী কি ইকবাল মাষ্টার, ফারুক চেয়ারম্যান আর মহসিন মেম্বারের সাথে লড়াই করে টিকে থাকতে পারত? অসম্ভব।”
মোতাহার হোসেন নিজেও অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি বিএনপি করি। কিন্তু মামলা-মোকদ্দমার হুমকি দিয়ে আমাকে বক্তব্য দিতে বাধ্য করা হয়েছিল। না গেলে আমার পরিবারকে হয়রানি করা হতো। আমি একজন দিনমজুর, একদিন কাজ না করলে সংসার চলে না। তাই মনের বিরুদ্ধে গিয়ে কথা বলতে হয়েছিল।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৫
শ্রীনগর উপজেলার বাড়ৈখালী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের মৃত সামেদ আলীর পুত্র মোঃ মোতাহারকে “আওয়ামী দোসর” বানিয়ে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে। ভিডিওটিতে দেখা যায়, মোতাহার ২০২২ সালের নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মহিউদ্দিনের পক্ষে বক্তব্য দিচ্ছেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাড়ৈখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ইকবাল হোসেন মাষ্টার, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও থানা আওয়ামী লীগ সদস্য হাজী মোঃ ফারুক হোসেন, স্থানীয় মেম্বার ও আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ মহসিন খানসহ অন্যরা।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিএনপি কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তবে বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন মোতাহার হোসেন ও স্থানীয় বিএনপি নেতারা। তাদের দাবি, বাস্তব পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল।
বিএনপি নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের নির্বাচনের আগে বাড়ৈখালী ইউনিয়নের ৭ ও ৩ নং ওয়ার্ডের কয়েকজন তরুণের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এরপর ইকবাল হোসেন মাষ্টার ওই ঘটনায় মামলা দেওয়ার হুমকি দেন। ডামি প্রার্থী গোলাম সারওয়ার কবিরের অবস্থান মজবুত রাখতে মামলা আতঙ্কে কয়েকজনকে আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করতে বাধ্য করা হয়। এর অংশ হিসেবেই মোতাহারকে মহিউদ্দিনের পক্ষে বক্তব্য দিতে হয়।
একজন স্থানীয় বিএনপি নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “এখন সবাই বিএনপি করছে। তাহলে এতদিন কারা আওয়ামী লীগ করেছে? মোতাহারের মতো একজন সাধারণ কর্মী কি ইকবাল মাষ্টার, ফারুক চেয়ারম্যান আর মহসিন মেম্বারের সাথে লড়াই করে টিকে থাকতে পারত? অসম্ভব।”
মোতাহার হোসেন নিজেও অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি বিএনপি করি। কিন্তু মামলা-মোকদ্দমার হুমকি দিয়ে আমাকে বক্তব্য দিতে বাধ্য করা হয়েছিল। না গেলে আমার পরিবারকে হয়রানি করা হতো। আমি একজন দিনমজুর, একদিন কাজ না করলে সংসার চলে না। তাই মনের বিরুদ্ধে গিয়ে কথা বলতে হয়েছিল।”

আপনার মতামত লিখুন