ডুমুরিয়া উপজেলায় বৃহস্পতিবার বিকেলে লাইসেন্সবিহীন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পরিচালিত বরফ ফ্যাক্টরি ও মাছের ডিপোর বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ। “মৎস্য ও মৎস্য পণ্য (পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮৩” অনুযায়ী পরিচালিত এই অভিযানে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান-এর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে চুকনগর বাজারের সামাদ শেখ আইস ফ্যাক্টরিকে ২,০০০ টাকা, চুকনগর আইস ফ্যাক্টরিকে ২,০০০ টাকা, মেসার্স মায়ের দোয়া ফিসকে ১,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া খর্ণিয়া বাজারের মেসার্স নুপুর ফিসকে ১,০০০ টাকা এবং মেসার্স রায়হান ফিসকে ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তবে এসব ডিপোতে কোন পুশকৃত (ইনজেকশন দেওয়া) চিংড়ি পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য দপ্তরের টেকনিক্যাল অফিসার প্রণব কুমার দাশ ও আশিকুর রহমান, ক্ষেত্র সহকারী কে এম মহসিন আলম এবং অফিস সহকারী মোঃ সাইফুল্লাহ।
খুলনা বিভাগের পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ বদরুজ্জামান-এর নির্দেশে এই অভিযান পরিচালিত হয়। ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসন অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
এ প্রসঙ্গে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান বলেন,
“এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে বারবার লাইসেন্স গ্রহণের জন্য তাগাদা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারা লাইসেন্স না করেই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য রক্ষা, নিরাপদ মৎস্য বিপণন নিশ্চিতকরণ এবং ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণের লক্ষ্যে এই ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। মৎস্য আইনের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে আমরা সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব ও মানসম্মত ডিপো ও বরফ কল পরিচালনায় মালিকদের উৎসাহিত করছি।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৫
ডুমুরিয়া উপজেলায় বৃহস্পতিবার বিকেলে লাইসেন্সবিহীন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পরিচালিত বরফ ফ্যাক্টরি ও মাছের ডিপোর বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ। “মৎস্য ও মৎস্য পণ্য (পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮৩” অনুযায়ী পরিচালিত এই অভিযানে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান-এর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে চুকনগর বাজারের সামাদ শেখ আইস ফ্যাক্টরিকে ২,০০০ টাকা, চুকনগর আইস ফ্যাক্টরিকে ২,০০০ টাকা, মেসার্স মায়ের দোয়া ফিসকে ১,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া খর্ণিয়া বাজারের মেসার্স নুপুর ফিসকে ১,০০০ টাকা এবং মেসার্স রায়হান ফিসকে ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তবে এসব ডিপোতে কোন পুশকৃত (ইনজেকশন দেওয়া) চিংড়ি পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য দপ্তরের টেকনিক্যাল অফিসার প্রণব কুমার দাশ ও আশিকুর রহমান, ক্ষেত্র সহকারী কে এম মহসিন আলম এবং অফিস সহকারী মোঃ সাইফুল্লাহ।
খুলনা বিভাগের পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ বদরুজ্জামান-এর নির্দেশে এই অভিযান পরিচালিত হয়। ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসন অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
এ প্রসঙ্গে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান বলেন,
“এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে বারবার লাইসেন্স গ্রহণের জন্য তাগাদা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারা লাইসেন্স না করেই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য রক্ষা, নিরাপদ মৎস্য বিপণন নিশ্চিতকরণ এবং ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণের লক্ষ্যে এই ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। মৎস্য আইনের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে আমরা সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব ও মানসম্মত ডিপো ও বরফ কল পরিচালনায় মালিকদের উৎসাহিত করছি।”

আপনার মতামত লিখুন