খুলনার ডুমুরিয়া হাটে অভিযান চালিয়ে ৩০ কেজি নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ জব্দ করেছে উপজেলা মৎস্য দপ্তর। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ অনুযায়ী এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান-এর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে অংশ নেন উপজেলা মৎস্য দপ্তরের মেরিন ফিশারিজ অফিসার মোঃ তরিকুল ইসলাম, টেকনিক্যাল অফিসার প্রণব কুমার দাশ ও আশিকুর রহমান, ক্ষেত্র সহকারী কে এম মহসিন আলম এবং অফিস সহকারী মোঃ সাইফুল্লাহ।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসন সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে। জব্দকৃত মাছ সাজিয়াড়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।
এ বিষয়ে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান বলেন, “মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী আফ্রিকান মাগুর মাছ চাষ, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন ও বাজারজাতকরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বিভিন্ন হাটবাজারে সচেতনতা কার্যক্রম চালানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
খুলনার ডুমুরিয়া হাটে অভিযান চালিয়ে ৩০ কেজি নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ জব্দ করেছে উপজেলা মৎস্য দপ্তর। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ অনুযায়ী এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান-এর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে অংশ নেন উপজেলা মৎস্য দপ্তরের মেরিন ফিশারিজ অফিসার মোঃ তরিকুল ইসলাম, টেকনিক্যাল অফিসার প্রণব কুমার দাশ ও আশিকুর রহমান, ক্ষেত্র সহকারী কে এম মহসিন আলম এবং অফিস সহকারী মোঃ সাইফুল্লাহ।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসন সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে। জব্দকৃত মাছ সাজিয়াড়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।
এ বিষয়ে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান বলেন, “মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী আফ্রিকান মাগুর মাছ চাষ, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন ও বাজারজাতকরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বিভিন্ন হাটবাজারে সচেতনতা কার্যক্রম চালানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।”

আপনার মতামত লিখুন