রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে হয়রানি চালানোর এক উদ্বেগজনক প্রবণতা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় এক শ্রেণির স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি ও তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতা প্রভাবশালীরা এই কৌশল অবলম্বন করছে।
গণমাধ্যমে চাঁদাবাজি, অবৈধ দখল ও অপরাধচক্র নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই এসব চক্রান্ত জোরদার হয়েছে। অপরাধে জড়িত প্রভাবশালী মহল তাদের অপকর্ম আড়াল করতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলক অভিযোগ তুলে সামাজিক ও আইনগতভাবে চাপে ফেলতে চাইছে। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় এবং দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহে নিয়োজিত সাংবাদিকরাই এই হয়রানির প্রধান লক্ষ্যবস্তু।
অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় কিছু কথিত নেতা এবং তাদের ছত্রছায়ায় থাকা দালালচক্র এসব ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে সক্রিয়। প্রশাসন যদি এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়, তবে স্বাধীন সাংবাদিকতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে এবং অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক সমাজ।
সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া অভিযোগগুলো যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করছে—তা স্পষ্ট। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের নিরপেক্ষ ও কার্যকর ভূমিকা জরুরি হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যেই সাংবাদিক সমাজ প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছে, মিথ্যা অভিযোগ দায়েরকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা রক্ষা করা হোক।
খিলক্ষেতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে হয়রানি এখন একটি গুরুতর সমস্যা। এটি রোধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ এবং সাংবাদিক সমাজের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধই হতে পারে একমাত্র সমাধান। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ রক্ষা করা সমাজের সামগ্রিক দায়িত্ব।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে হয়রানি চালানোর এক উদ্বেগজনক প্রবণতা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় এক শ্রেণির স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি ও তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতা প্রভাবশালীরা এই কৌশল অবলম্বন করছে।
গণমাধ্যমে চাঁদাবাজি, অবৈধ দখল ও অপরাধচক্র নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই এসব চক্রান্ত জোরদার হয়েছে। অপরাধে জড়িত প্রভাবশালী মহল তাদের অপকর্ম আড়াল করতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলক অভিযোগ তুলে সামাজিক ও আইনগতভাবে চাপে ফেলতে চাইছে। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় এবং দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহে নিয়োজিত সাংবাদিকরাই এই হয়রানির প্রধান লক্ষ্যবস্তু।
অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় কিছু কথিত নেতা এবং তাদের ছত্রছায়ায় থাকা দালালচক্র এসব ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে সক্রিয়। প্রশাসন যদি এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়, তবে স্বাধীন সাংবাদিকতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে এবং অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক সমাজ।
সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া অভিযোগগুলো যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করছে—তা স্পষ্ট। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের নিরপেক্ষ ও কার্যকর ভূমিকা জরুরি হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যেই সাংবাদিক সমাজ প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছে, মিথ্যা অভিযোগ দায়েরকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা রক্ষা করা হোক।
খিলক্ষেতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে হয়রানি এখন একটি গুরুতর সমস্যা। এটি রোধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ এবং সাংবাদিক সমাজের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধই হতে পারে একমাত্র সমাধান। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ রক্ষা করা সমাজের সামগ্রিক দায়িত্ব।

আপনার মতামত লিখুন