রাজধানীর খিলক্ষেতে আবারও ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। মানবাধিকার কর্মী কামরুল ও তার স্ত্রী জোসনা বেগমকে নির্মমভাবে পিটিয়ে পঙ্গু করা হয়েছে বলে জানা গেছে। হামলাকারী হিসেবে দায়ের হয়েছে কুখ্যাত সন্ত্রাসী মামুন বাহিনী, যারা পরিকল্পিতভাবে মব তৈরি করে প্রকাশ্যে হামলা চালিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা আনুমানিক ৩টার দিকে কামরুল ও তার স্ত্রী রেল মন্ত্রনালয় থেকে লিজ নেওয়া জায়গায় ওয়েলফেয়ার সোসাইটির বৈদ্যুতিক মিটার বসানো দেখতে পান। তারা বিষয়টি নিকটস্থ থানায় জানালে, পুলিশের দুইটি টিম ঘটনাস্থলে গেলে মামুন ও তার বাহিনী কামরুলকে রেলওয়ের সীমানায় নিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে।
কামরুলকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসা স্ত্রী জোসনা বেগমের দুই পা ভেঙে দেওয়া হয়। হামলার সময় কামরুলকে বারবার ভয় দেখানো হয়। সন্ত্রাসীরা পুলিশ আসার কারণে দ্রুত রিক্সায় তুলে চলে যায়। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে কুর্মিটোলা হাসপাতাল থেকে পঙ্গু হাসপাতালে প্রেরণ করে।
ঘটনার তদন্তে বেরিয়েছে, এই হামলার পেছনে বৈদ্যুতিক মিটারের মালিক ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট (ইডেন পার্ক) ও রেলওয়ের জমি সংক্রান্ত বিতর্ক মূল কারণ। স্থানীয় মানুষ এবং প্রতিবেদকরা প্রশ্ন তুলছেন—সরকারি জমিতে ব্যক্তিগত মিটার বসানো ও প্রকাশ্য দিবালোকে সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা কী উদ্দেশ্য প্রচার করতে চায়?
কামরুল দম্পতির এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। হামলার ফলে তারা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। মানবাধিকার সংস্থা ও স্থানীয় নাগরিকরা প্রশাসনের উচ্চ স্তরের হস্তক্ষেপ ও বিচার দাবি করছেন।
প্রতিবাদী ও ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বলছেন, “যদি এই বিচারহীনতা চলতে থাকে, আগামীতে আরেকজন কামরুল রাস্তায় রক্তাক্ত হতে পারে। এখনই সময় দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
রাজধানীর খিলক্ষেতে আবারও ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। মানবাধিকার কর্মী কামরুল ও তার স্ত্রী জোসনা বেগমকে নির্মমভাবে পিটিয়ে পঙ্গু করা হয়েছে বলে জানা গেছে। হামলাকারী হিসেবে দায়ের হয়েছে কুখ্যাত সন্ত্রাসী মামুন বাহিনী, যারা পরিকল্পিতভাবে মব তৈরি করে প্রকাশ্যে হামলা চালিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা আনুমানিক ৩টার দিকে কামরুল ও তার স্ত্রী রেল মন্ত্রনালয় থেকে লিজ নেওয়া জায়গায় ওয়েলফেয়ার সোসাইটির বৈদ্যুতিক মিটার বসানো দেখতে পান। তারা বিষয়টি নিকটস্থ থানায় জানালে, পুলিশের দুইটি টিম ঘটনাস্থলে গেলে মামুন ও তার বাহিনী কামরুলকে রেলওয়ের সীমানায় নিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে।
কামরুলকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসা স্ত্রী জোসনা বেগমের দুই পা ভেঙে দেওয়া হয়। হামলার সময় কামরুলকে বারবার ভয় দেখানো হয়। সন্ত্রাসীরা পুলিশ আসার কারণে দ্রুত রিক্সায় তুলে চলে যায়। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে কুর্মিটোলা হাসপাতাল থেকে পঙ্গু হাসপাতালে প্রেরণ করে।
ঘটনার তদন্তে বেরিয়েছে, এই হামলার পেছনে বৈদ্যুতিক মিটারের মালিক ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট (ইডেন পার্ক) ও রেলওয়ের জমি সংক্রান্ত বিতর্ক মূল কারণ। স্থানীয় মানুষ এবং প্রতিবেদকরা প্রশ্ন তুলছেন—সরকারি জমিতে ব্যক্তিগত মিটার বসানো ও প্রকাশ্য দিবালোকে সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা কী উদ্দেশ্য প্রচার করতে চায়?
কামরুল দম্পতির এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। হামলার ফলে তারা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। মানবাধিকার সংস্থা ও স্থানীয় নাগরিকরা প্রশাসনের উচ্চ স্তরের হস্তক্ষেপ ও বিচার দাবি করছেন।
প্রতিবাদী ও ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বলছেন, “যদি এই বিচারহীনতা চলতে থাকে, আগামীতে আরেকজন কামরুল রাস্তায় রক্তাক্ত হতে পারে। এখনই সময় দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার।”

আপনার মতামত লিখুন