মামলা থেকে অব্যাহতি পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ‘সমন্বয়ক’ পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তিনজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। শুক্রবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে দিন-তারিখ) ঢাকার মহানগর হাকিম মেহেদী হাসান এ সংক্রান্ত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—এএইচএম নোমান রেজা, তানজিল হোসেন ও ফারিয়া আক্তার তমা। মামলার বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই আব্দুল মালেক খান তিনজনকে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। তবে শুনানি শেষে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বলে আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মো. আতিকুর রহমান খান গণমাধ্যমকে জানান।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরের ৬ নম্বর রোডের একটি বাসায় প্রবেশ করে তিনজন নিজেদের ‘সমন্বয়ক’ পরিচয় দেন। তারা বাসার মালিক দেলোয়ার হোসেনকে মামলা থেকে অব্যাহতি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, দেলোয়ার হোসেনের পরিবার সাড়ে ৫ লাখ টাকা ব্যবস্থা করলেও বাকি টাকা শুক্রবার বিকেল ৪টার মধ্যে পরিশোধ করতে বলা হয়। টাকা না দিলে নানাভাবে হুমকি দেওয়া হয় বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।
ঘটনার পর দেলোয়ার হোসেনের পরিবার উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর রাতেই বিমানবন্দর থানার সামনে থেকে এএইচএম নোমান রেজাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে অন্য দুইজনকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলা থেকে অব্যাহতি পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ‘সমন্বয়ক’ পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তিনজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। শুক্রবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে দিন-তারিখ) ঢাকার মহানগর হাকিম মেহেদী হাসান এ সংক্রান্ত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—এএইচএম নোমান রেজা, তানজিল হোসেন ও ফারিয়া আক্তার তমা। মামলার বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই আব্দুল মালেক খান তিনজনকে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। তবে শুনানি শেষে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বলে আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মো. আতিকুর রহমান খান গণমাধ্যমকে জানান।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরের ৬ নম্বর রোডের একটি বাসায় প্রবেশ করে তিনজন নিজেদের ‘সমন্বয়ক’ পরিচয় দেন। তারা বাসার মালিক দেলোয়ার হোসেনকে মামলা থেকে অব্যাহতি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, দেলোয়ার হোসেনের পরিবার সাড়ে ৫ লাখ টাকা ব্যবস্থা করলেও বাকি টাকা শুক্রবার বিকেল ৪টার মধ্যে পরিশোধ করতে বলা হয়। টাকা না দিলে নানাভাবে হুমকি দেওয়া হয় বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।
ঘটনার পর দেলোয়ার হোসেনের পরিবার উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর রাতেই বিমানবন্দর থানার সামনে থেকে এএইচএম নোমান রেজাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে অন্য দুইজনকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন