আশুলিয়ায় সন্তানসহ একই পরিবারের তিন জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে স্বামীর মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় এবং কন্যা সন্তান ও স্ত্রীর মরদেহ বিছানা থেকে পাওয়া গেছে।
রাত ৮টার দিকে ইয়ারপুর ইউনিয়নের নরসিংহপুর এলাকায় হা-মীম পোশাক কারখানার তিন নম্বর গেট সংলগ্ন আবুল হোসেনের টিনসেড বাড়ির একটি কক্ষ থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন বগুড়া জেলার ধুনট থানার নলডাঙা গ্রামের রুবেল আহমেদ, তার স্ত্রী সোনিয়া আক্তার (বগুড়ার বড়িতলি এলাকার বাসিন্দা) এবং তাদের ৫ বছরের কন্যা জামিলা।
https://www.youtube.com/watch?v=0v3uMfHY4ncস্থানীয়রা জানিয়েছেন, সোনিয়া বেগম স্বামী ও সন্তান নিয়ে ওই বাড়ির একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন। বিকেলে বাড়িতে কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে তারা থানায় খবর দেন। পুলিশ কক্ষের দরজা ভেঙে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সন্তানের মুখ থেকে বিষের গন্ধ পাওয়া গেছে এবং স্ত্রীর মরদেহে শ্বাসরোধের চিহ্ন রয়েছে। আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মজিবুর রহমান জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে স্বামী পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী ও সন্তানকে হত্যা করার পর আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
আশুলিয়ায় সন্তানসহ একই পরিবারের তিন জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে স্বামীর মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় এবং কন্যা সন্তান ও স্ত্রীর মরদেহ বিছানা থেকে পাওয়া গেছে।
রাত ৮টার দিকে ইয়ারপুর ইউনিয়নের নরসিংহপুর এলাকায় হা-মীম পোশাক কারখানার তিন নম্বর গেট সংলগ্ন আবুল হোসেনের টিনসেড বাড়ির একটি কক্ষ থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন বগুড়া জেলার ধুনট থানার নলডাঙা গ্রামের রুবেল আহমেদ, তার স্ত্রী সোনিয়া আক্তার (বগুড়ার বড়িতলি এলাকার বাসিন্দা) এবং তাদের ৫ বছরের কন্যা জামিলা।
https://www.youtube.com/watch?v=0v3uMfHY4ncস্থানীয়রা জানিয়েছেন, সোনিয়া বেগম স্বামী ও সন্তান নিয়ে ওই বাড়ির একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন। বিকেলে বাড়িতে কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে তারা থানায় খবর দেন। পুলিশ কক্ষের দরজা ভেঙে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সন্তানের মুখ থেকে বিষের গন্ধ পাওয়া গেছে এবং স্ত্রীর মরদেহে শ্বাসরোধের চিহ্ন রয়েছে। আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মজিবুর রহমান জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে স্বামী পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী ও সন্তানকে হত্যা করার পর আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন