নজর বিডি

মুকসুদপুরে ভণ্ড চিকিৎসক ধরা পড়ায় জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন

মুকসুদপুরে ভণ্ড চিকিৎসক ধরা পড়ায় জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে ডাক্তার পরিচয়ে রোগী দেখা ও অস্ত্রোপচার চালানো এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। সোমবার সকালে মুকসুদপুর উপজেলার আদমপুর বাজারে পরিচালিত এ অভিযানে রেজাউল করিম নামের ওই ভণ্ড চিকিৎসককে ৩ মাসের কারাদণ্ড ও ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালত। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, রেজাউল করিম চিকিৎসক না হয়েও প্রেসক্রিপশন দেওয়া, জটিল রোগের চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচার চালানোসহ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করতেন। তাঁর কোনো চিকিৎসা সনদ, ড্রাগ লাইসেন্স কিংবা ফার্মাসিস্ট অনুমোদন ছিল না। এমনকি টিনের দোকানের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রোগী ভর্তি রেখে চিকিৎসা চালাতেন। মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রায়হান ইসলাম শোভনের নেতৃত্বে গোপালগঞ্জ জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার আহমেদ ও ড্রাগ সুপার বিথী রানী মন্ডল এই অভিযান পরিচালনা করেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আকস্মিক অভিযান চালিয়ে তাঁরা রেজাউল করিমকে হাতে-নাতে ধরেন। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, অদক্ষ ও অনুমোদনবিহীন চিকিৎসা জনগণের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে এবং অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের মতো প্রথা ভবিষ্যতে ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তারা ভ্রাম্যমান আদালতের এ ধরনের পদক্ষেপকে প্রশংসা করলেও এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে নিয়মিত নজরদারি ও আইন প্রয়োগের ওপর জোর দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


মুকসুদপুরে ভণ্ড চিকিৎসক ধরা পড়ায় জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন

প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে ডাক্তার পরিচয়ে রোগী দেখা ও অস্ত্রোপচার চালানো এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। সোমবার সকালে মুকসুদপুর উপজেলার আদমপুর বাজারে পরিচালিত এ অভিযানে রেজাউল করিম নামের ওই ভণ্ড চিকিৎসককে ৩ মাসের কারাদণ্ড ও ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালত। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, রেজাউল করিম চিকিৎসক না হয়েও প্রেসক্রিপশন দেওয়া, জটিল রোগের চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচার চালানোসহ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করতেন। তাঁর কোনো চিকিৎসা সনদ, ড্রাগ লাইসেন্স কিংবা ফার্মাসিস্ট অনুমোদন ছিল না। এমনকি টিনের দোকানের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রোগী ভর্তি রেখে চিকিৎসা চালাতেন। মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রায়হান ইসলাম শোভনের নেতৃত্বে গোপালগঞ্জ জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার আহমেদ ও ড্রাগ সুপার বিথী রানী মন্ডল এই অভিযান পরিচালনা করেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আকস্মিক অভিযান চালিয়ে তাঁরা রেজাউল করিমকে হাতে-নাতে ধরেন। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, অদক্ষ ও অনুমোদনবিহীন চিকিৎসা জনগণের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে এবং অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের মতো প্রথা ভবিষ্যতে ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তারা ভ্রাম্যমান আদালতের এ ধরনের পদক্ষেপকে প্রশংসা করলেও এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে নিয়মিত নজরদারি ও আইন প্রয়োগের ওপর জোর দিয়েছেন।

নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত