ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, শাখার কার্যক্রম প্রায় সম্পূর্ণভাবে দালালদের নিয়ন্ত্রণে। তারা বলেন—লিখিত পরীক্ষা থেকে ব্যবহারিক (ড্রাইভিং) পরীক্ষায় পর্যন্ত পরীক্ষার্থীকে পাশ করাতে হলে দালালদের সঙ্গে যোগাযোগ করা ছাড়া পথ নেই। অনেক ক্ষেত্রেই পরীক্ষার দিনই সরকারি অফিসে উপস্থিত থাকা মাত্রই সাধারণ পরীক্ষার্থীকে পেছনে ঠেলে দেওয়া হয়; আর দালালদের মাধ্যমে টাকা না দিলে পরীক্ষায় অনায়াসে ফেল করানো হয়।
একটি অভিযোগে বলা হয়—প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা ফেল করানোর পর পুনরায় গেলে সেবা গ্রহিতার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা নেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে পাশ করে দেওয়া হয়। ভুক্তভোগীরা বলছেন, “জিয়া বাবু নিজেই সরাসরি টাকা নেন না, তিনি টাকা ‘ঘুরিয়ে’ নেন”—অর্থাৎ মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে টাকা প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়।
সরকারি চাকরিতে তিন বছরের বেশি সময় একই স্থানে থাকার নিয়ম না থাকলেও অবৈধ আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তিনি তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে এ দায়িত্বে বহাল রয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি কেবল বোর্ড পরীক্ষার দিন অফিসে উপস্থিত থাকেন, অন্য সময় তাকে সচরাচর দেখা যায় না। স্থানীয়রা জানান, শাখার গেট সংলগ্ন ফটোকপি দোকান, চায়ের দোকান ও খাবারের হোটেলগুলো কার্যত দালালদের আড্ডাখানায় পরিণত হয়েছে; এখান থেকেই পরীক্ষার্থী শনাক্ত করা ও প্রতারণার কৌশল বাস্তবায়ন করা হয়। এবিষয়ে জিয়াউল হকের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিয়ে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।র্যাব, দুদক, সেনাবাহিনী ও ভ্রাম্যমাণ আদালত একাধিকবার অভিযান চালালেও সিন্ডিকেটের কার্যক্রম বন্ধ হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, অদক্ষ চালকরা ব্যবহারিক পরীক্ষা ছাড়াই লাইসেন্স পাচ্ছেন। এর ফলে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলেছে।
অফিসের গেটসংলগ্ন ফটোকপি দোকান ও চায়ের আড্ডাখানায় দালালরা খোলামেলা আসর বসায়। এখান থেকেই গ্রাহক শিকার ও প্রতারণার নানান কৌশল পরিচালিত হয়।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী দালাল চক্রটি মূলত তিন ভাগে বিভক্ত—
এই চক্রগুলোর পেছনে স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ও কিছু অসাধু কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ সমর্থন রয়েছে।
বুয়েটের দুর্ঘটনা গবেষণা কেন্দ্রের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান বলেন—
“অদক্ষ চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার ফলে সড়কে প্রতিদিন দুর্ঘটনা বাড়ছে। বিআরটিএতে সংস্কার ছাড়া এ সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়।”
একজন ভুক্তভোগী বলেন, “টাকা দিলে ১০০% পাশ নিশ্চিত।”
ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসীর দাবি—বিআরটিএ জোয়ার সাহারা অফিসে দালাল ছাড়া কোনো কাজ হয় না। সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারি ছাড়া সাধারণ মানুষের হয়রানি কমানো সম্ভব নয়। এজন্য তারা সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইন উপদেষ্টা, আইজিপি, র্যাব ডিজি ও দুদক চেয়ারম্যানের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
পরবর্তী নিউজে থাকছে জিয়াউল হকের সম্পদের ক্ষতিয়ান সম্পর্কে চমকপ্রদ তথ্য। চোখ রাখুন।
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, শাখার কার্যক্রম প্রায় সম্পূর্ণভাবে দালালদের নিয়ন্ত্রণে। তারা বলেন—লিখিত পরীক্ষা থেকে ব্যবহারিক (ড্রাইভিং) পরীক্ষায় পর্যন্ত পরীক্ষার্থীকে পাশ করাতে হলে দালালদের সঙ্গে যোগাযোগ করা ছাড়া পথ নেই। অনেক ক্ষেত্রেই পরীক্ষার দিনই সরকারি অফিসে উপস্থিত থাকা মাত্রই সাধারণ পরীক্ষার্থীকে পেছনে ঠেলে দেওয়া হয়; আর দালালদের মাধ্যমে টাকা না দিলে পরীক্ষায় অনায়াসে ফেল করানো হয়।
একটি অভিযোগে বলা হয়—প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা ফেল করানোর পর পুনরায় গেলে সেবা গ্রহিতার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা নেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে পাশ করে দেওয়া হয়। ভুক্তভোগীরা বলছেন, “জিয়া বাবু নিজেই সরাসরি টাকা নেন না, তিনি টাকা ‘ঘুরিয়ে’ নেন”—অর্থাৎ মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে টাকা প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়।
সরকারি চাকরিতে তিন বছরের বেশি সময় একই স্থানে থাকার নিয়ম না থাকলেও অবৈধ আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তিনি তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে এ দায়িত্বে বহাল রয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি কেবল বোর্ড পরীক্ষার দিন অফিসে উপস্থিত থাকেন, অন্য সময় তাকে সচরাচর দেখা যায় না। স্থানীয়রা জানান, শাখার গেট সংলগ্ন ফটোকপি দোকান, চায়ের দোকান ও খাবারের হোটেলগুলো কার্যত দালালদের আড্ডাখানায় পরিণত হয়েছে; এখান থেকেই পরীক্ষার্থী শনাক্ত করা ও প্রতারণার কৌশল বাস্তবায়ন করা হয়। এবিষয়ে জিয়াউল হকের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিয়ে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।র্যাব, দুদক, সেনাবাহিনী ও ভ্রাম্যমাণ আদালত একাধিকবার অভিযান চালালেও সিন্ডিকেটের কার্যক্রম বন্ধ হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, অদক্ষ চালকরা ব্যবহারিক পরীক্ষা ছাড়াই লাইসেন্স পাচ্ছেন। এর ফলে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলেছে।
অফিসের গেটসংলগ্ন ফটোকপি দোকান ও চায়ের আড্ডাখানায় দালালরা খোলামেলা আসর বসায়। এখান থেকেই গ্রাহক শিকার ও প্রতারণার নানান কৌশল পরিচালিত হয়।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী দালাল চক্রটি মূলত তিন ভাগে বিভক্ত—
এই চক্রগুলোর পেছনে স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ও কিছু অসাধু কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ সমর্থন রয়েছে।
বুয়েটের দুর্ঘটনা গবেষণা কেন্দ্রের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান বলেন—
“অদক্ষ চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার ফলে সড়কে প্রতিদিন দুর্ঘটনা বাড়ছে। বিআরটিএতে সংস্কার ছাড়া এ সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়।”
একজন ভুক্তভোগী বলেন, “টাকা দিলে ১০০% পাশ নিশ্চিত।”
ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসীর দাবি—বিআরটিএ জোয়ার সাহারা অফিসে দালাল ছাড়া কোনো কাজ হয় না। সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারি ছাড়া সাধারণ মানুষের হয়রানি কমানো সম্ভব নয়। এজন্য তারা সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইন উপদেষ্টা, আইজিপি, র্যাব ডিজি ও দুদক চেয়ারম্যানের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
পরবর্তী নিউজে থাকছে জিয়াউল হকের সম্পদের ক্ষতিয়ান সম্পর্কে চমকপ্রদ তথ্য। চোখ রাখুন।
আপনার মতামত লিখুন