বিজ্ঞাপন[/caption]
নিহতরা হলেন—ওই গ্রামের কুয়েত প্রবাসী ইদ্রিস আলীর স্ত্রী রানী বেগম (৩৫) ও তাদের ছেলে ইমরান নাজির (১৮)। ইমরান স্থানীয় ফকির উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। ইদ্রিস আলী দীর্ঘদিন ধরে কুয়েতে প্রবাস জীবন কাটাচ্ছেন।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর রহমান জানান, মঙ্গলবার সকালে কাজের জন্য রাজমিস্ত্রিরা ওই বাড়িতে গেলে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ পান। ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীরা সন্দেহ প্রকাশ করেন। পরে তারা দেওয়াল টপকে ভেতরে ঢুকে রানী বেগম ও ইমরান নাজিরের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান। তখনই তারা পুলিশে খবর দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ওসি শাহীনুর রহমান বলেন, “এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড। হত্যার কারণ ও দায়ীদের শনাক্ত করতে আমরা কাজ করছি। আশা করছি দ্রুত রহস্য উদঘাটন সম্ভব হবে।”
হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা জানান, শান্তিপূর্ণ গ্রামে এ ধরনের ঘটনা আগে ঘটেনি। তাঁরা দ্রুত দায়ীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
[caption id="attachment_14595" align="aligncenter" width="300"]
বিজ্ঞাপন[/caption]
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পেছনের কারণ উদঘাটনে ইতোমধ্যে প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে। নিহতদের পরিবারের সদস্য, প্রতিবেশী ও অন্যান্য সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করছে। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
বিজ্ঞাপন[/caption]
নিহতরা হলেন—ওই গ্রামের কুয়েত প্রবাসী ইদ্রিস আলীর স্ত্রী রানী বেগম (৩৫) ও তাদের ছেলে ইমরান নাজির (১৮)। ইমরান স্থানীয় ফকির উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। ইদ্রিস আলী দীর্ঘদিন ধরে কুয়েতে প্রবাস জীবন কাটাচ্ছেন।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর রহমান জানান, মঙ্গলবার সকালে কাজের জন্য রাজমিস্ত্রিরা ওই বাড়িতে গেলে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ পান। ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীরা সন্দেহ প্রকাশ করেন। পরে তারা দেওয়াল টপকে ভেতরে ঢুকে রানী বেগম ও ইমরান নাজিরের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান। তখনই তারা পুলিশে খবর দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ওসি শাহীনুর রহমান বলেন, “এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড। হত্যার কারণ ও দায়ীদের শনাক্ত করতে আমরা কাজ করছি। আশা করছি দ্রুত রহস্য উদঘাটন সম্ভব হবে।”
হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা জানান, শান্তিপূর্ণ গ্রামে এ ধরনের ঘটনা আগে ঘটেনি। তাঁরা দ্রুত দায়ীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
[caption id="attachment_14595" align="aligncenter" width="300"]
বিজ্ঞাপন[/caption]
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পেছনের কারণ উদঘাটনে ইতোমধ্যে প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে। নিহতদের পরিবারের সদস্য, প্রতিবেশী ও অন্যান্য সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করছে। 
আপনার মতামত লিখুন