রাজধানীর তুরাগের দিয়াবাড়ী মেট্রোরেল এলাকার সরকারি জমিতে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে নতুন ফুডকার্ট বাজার ও বিনোদন কেন্দ্র। এসবকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ চক্র প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করছে এবং দোকানপাট দখল–বেদখলের মাধ্যমে শক্তিশালী অবস্থান গড়ে তুলেছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, প্রায় অর্ধশতাধিক দোকানপাট থেকে দৈনিক ২০০ টাকা দোকান ভাড়া, লাইট চার্জ ও পানি বাবদ অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। এতে মাস শেষে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা চাঁদা ওঠে। এছাড়া বিদেশ থেকে আনা ‘ওয়াটার জর্বিং’, নৌকা ভ্রমণ ও অন্যান্য রাইড থেকেও মাসে কয়েক লাখ টাকা চাঁদা আদায় হয়। সূত্র জানায়, শুধু জুন মাসে এককালীন প্রায় ১১ লাখ টাকা অগ্রিম নিয়েছে এ চক্র। ফলে পুরো এলাকাটি এখন চাঁদাবাজির স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, খাবারের দোকানগুলোতে চড়া দাম এবং বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এ সুযোগে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, চুরি–ছিনতাইসহ অপরাধমূলক ঘটনাও বেড়েছে। তবে এসব ঘটনার পরও রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও স্থানীয় প্রশাসন রহস্যজনকভাবে নীরব ভূমিকা পালন করছে।
অভিযোগ রয়েছে, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নাম ভাঙিয়ে একটি চক্র নিয়মিত চাঁদাবাজি করছে। এতে দলের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে এটি দলের জন্য ভয়াবহ হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, তারা নিয়মিত টহল ও চেকপোস্ট বসিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইন উপদেষ্টা, বাণিজ্য উপদেষ্টা, আইজিপি, ডিএমপি কমিশনার, র্যাব, রাজউক, ডিএনসিসি ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
রাজধানীর তুরাগের দিয়াবাড়ী মেট্রোরেল এলাকার সরকারি জমিতে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে নতুন ফুডকার্ট বাজার ও বিনোদন কেন্দ্র। এসবকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ চক্র প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করছে এবং দোকানপাট দখল–বেদখলের মাধ্যমে শক্তিশালী অবস্থান গড়ে তুলেছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, প্রায় অর্ধশতাধিক দোকানপাট থেকে দৈনিক ২০০ টাকা দোকান ভাড়া, লাইট চার্জ ও পানি বাবদ অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। এতে মাস শেষে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা চাঁদা ওঠে। এছাড়া বিদেশ থেকে আনা ‘ওয়াটার জর্বিং’, নৌকা ভ্রমণ ও অন্যান্য রাইড থেকেও মাসে কয়েক লাখ টাকা চাঁদা আদায় হয়। সূত্র জানায়, শুধু জুন মাসে এককালীন প্রায় ১১ লাখ টাকা অগ্রিম নিয়েছে এ চক্র। ফলে পুরো এলাকাটি এখন চাঁদাবাজির স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, খাবারের দোকানগুলোতে চড়া দাম এবং বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এ সুযোগে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, চুরি–ছিনতাইসহ অপরাধমূলক ঘটনাও বেড়েছে। তবে এসব ঘটনার পরও রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও স্থানীয় প্রশাসন রহস্যজনকভাবে নীরব ভূমিকা পালন করছে।
অভিযোগ রয়েছে, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নাম ভাঙিয়ে একটি চক্র নিয়মিত চাঁদাবাজি করছে। এতে দলের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে এটি দলের জন্য ভয়াবহ হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, তারা নিয়মিত টহল ও চেকপোস্ট বসিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইন উপদেষ্টা, বাণিজ্য উপদেষ্টা, আইজিপি, ডিএমপি কমিশনার, র্যাব, রাজউক, ডিএনসিসি ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন