তুরাগে কাঁশবন থেকে নারীর পঁচাগলা ও পোকায় ধরা মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর তুরাগে কাঁশবনের ভেতর থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের অনুমানিক বয়স ২২ থেকে ২৫ বছর। পরনে ছিল লাল রংয়ের জামা ও কালো পায়জামা।পুলিশ বলছে, নিহত নারীর গলায় ওড়না পেঁচানো, পঁচাগলা ও পোকায় ধরা ছিল। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তুরাগ থানার ১৭ নম্বর সেক্টরের ১নং রোড জি- ব্লক খেলার মাঠের উত্তর পার্শ্বে ইসকন মন্দিরের পূর্ব পাশ কাঁশবনের ভেতর থেকে মরদেহটি পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ।আজ ডিএমপির তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০ টার দিকে স্হানীয় এলাকাবাসী তুরাগ থানার ইসকন মন্দিরের পূর্ব পাশে কাঁশবনের ভেতর এক নারীর লাশ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তুরাগ থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে তুরাগ থানা পুলিশের একটি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। এরপর প্রাথমিক তদন্ত ও সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রত্যক্ষদর্শী ও আশপাশের লোকজন সাংবাদিকদের জানায়, নারীর মৃত্যুর ঘটনাটি রহস্যজনক বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে । তাদের ভাষ্য মতে লাশটি প্রায় সপ্তাহ খানেক আগের হতে পারে। এ নারীকে কে বা কারা হত্যার পর তার মরদেহ এখানে ফেলে রেখে গেছে। এতে লাশ পঁচে দেহের বিভিন্ন জায়গায় পোঁকা ধরেছে। মৃত নারীর পিঠ ও পা পচন ধরেছে। এছাড়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে কালচে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা শহিদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। কাঁশবনে লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বিপুল সংখ্যক মানুষ ভীড় জমায়।
তুরাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসমা-উল হোসনা গণমাধ্যমকে বলেন, নিহত নারীর গলায় ওড়না পেঁচানো, শরীরের কাপড়-চোপড় এলোমেলো অবস্থায় ছিল। মরদেহটিতে পচন ধরেছে। এবিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
তুরাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে নারী ভিকটিমের লাশ উদ্ধার করা হয়। বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।এব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে।
তুরাগে কাঁশবন থেকে নারীর পঁচাগলা ও পোকায় ধরা মরদেহ উদ্ধার
প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
রাজধানীর তুরাগে কাঁশবনের ভেতর থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের অনুমানিক বয়স ২২ থেকে ২৫ বছর। পরনে ছিল লাল রংয়ের জামা ও কালো পায়জামা।পুলিশ বলছে, নিহত নারীর গলায় ওড়না পেঁচানো, পঁচাগলা ও পোকায় ধরা ছিল। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তুরাগ থানার ১৭ নম্বর সেক্টরের ১নং রোড জি- ব্লক খেলার মাঠের উত্তর পার্শ্বে ইসকন মন্দিরের পূর্ব পাশ কাঁশবনের ভেতর থেকে মরদেহটি পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ।আজ ডিএমপির তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০ টার দিকে স্হানীয় এলাকাবাসী তুরাগ থানার ইসকন মন্দিরের পূর্ব পাশে কাঁশবনের ভেতর এক নারীর লাশ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তুরাগ থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে তুরাগ থানা পুলিশের একটি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। এরপর প্রাথমিক তদন্ত ও সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রত্যক্ষদর্শী ও আশপাশের লোকজন সাংবাদিকদের জানায়, নারীর মৃত্যুর ঘটনাটি রহস্যজনক বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে । তাদের ভাষ্য মতে লাশটি প্রায় সপ্তাহ খানেক আগের হতে পারে। এ নারীকে কে বা কারা হত্যার পর তার মরদেহ এখানে ফেলে রেখে গেছে। এতে লাশ পঁচে দেহের বিভিন্ন জায়গায় পোঁকা ধরেছে। মৃত নারীর পিঠ ও পা পচন ধরেছে। এছাড়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে কালচে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা শহিদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। কাঁশবনে লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বিপুল সংখ্যক মানুষ ভীড় জমায়।
তুরাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসমা-উল হোসনা গণমাধ্যমকে বলেন, নিহত নারীর গলায় ওড়না পেঁচানো, শরীরের কাপড়-চোপড় এলোমেলো অবস্থায় ছিল। মরদেহটিতে পচন ধরেছে। এবিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
তুরাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে নারী ভিকটিমের লাশ উদ্ধার করা হয়। বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।এব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন