মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বাঘড়া স্বরূপ চন্দ্র পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে গাইড বই অনুমোদনের নামে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোল্লা ইয়ার আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে স্কুলের পাঠ্য কার্যক্রমে ব্যবহৃত লেকচার গাইড বই অনুমোদনের শর্তে এক লাখ পঁচিশ হাজার টাকা নেন, যা বিদ্যালয়ের তহবিলে জমা না করে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে রাখেন।
অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে মোল্লা ইয়ার আলী স্বীকার করেন, ‘‘দেওয়ার কথা ছিল ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা, পেয়েছি ১ লাখ। বাকি টাকা এখনও পাইনি।’’ বিদ্যালয়ের তহবিলে টাকা জমা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘‘আমার ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে রেখেছি।’’
বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আলী সাগর বলেন, ‘‘এপ্রিল মাসে আমি সভাপতি হয়েছি। এই টাকার বিষয়ে আমাকে কিছু জানানো হয়নি। পরবর্তী সভায় বিষয়টি আলোচনা করা হবে।’’
বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে এই অর্থ নিজের কাছে রেখেছেন এবং তাঁদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেননি। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রধান শিক্ষক আগেও পুরনো বই বিক্রি ও অন্যান্য বিষয়ে অনিয়ম করেছেন। তাঁরা দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেন।
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বাঘড়া স্বরূপ চন্দ্র পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে গাইড বই অনুমোদনের নামে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোল্লা ইয়ার আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে স্কুলের পাঠ্য কার্যক্রমে ব্যবহৃত লেকচার গাইড বই অনুমোদনের শর্তে এক লাখ পঁচিশ হাজার টাকা নেন, যা বিদ্যালয়ের তহবিলে জমা না করে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে রাখেন।
অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে মোল্লা ইয়ার আলী স্বীকার করেন, ‘‘দেওয়ার কথা ছিল ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা, পেয়েছি ১ লাখ। বাকি টাকা এখনও পাইনি।’’ বিদ্যালয়ের তহবিলে টাকা জমা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘‘আমার ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে রেখেছি।’’
বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আলী সাগর বলেন, ‘‘এপ্রিল মাসে আমি সভাপতি হয়েছি। এই টাকার বিষয়ে আমাকে কিছু জানানো হয়নি। পরবর্তী সভায় বিষয়টি আলোচনা করা হবে।’’
বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে এই অর্থ নিজের কাছে রেখেছেন এবং তাঁদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেননি। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রধান শিক্ষক আগেও পুরনো বই বিক্রি ও অন্যান্য বিষয়ে অনিয়ম করেছেন। তাঁরা দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেন।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন