প্রথম বরাদ্দ ৩৩৯ কোটি থেকে বর্তমানে ৫৩৫ কোটি তবুও ডুমুরিয়ার বেতাগ্রাম-তালা-পাইকগাছা-কয়রা সড়ক নির্মাণ কাজে শম্ভুক গতি, জনদুর্ভোগ চরমে অভিযোগ স্থানীয়দের।
খুলনার ডুমুরিয়া-বেতাগ্রাম-তালা-পাইকগাছা-কয়রা সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্পে ধীরগতির কারণে বাড়ছে জনদুর্ভোগ। একাধিকবার সময়সীমা ও ব্যয় বাড়ানো হলেও নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় যাত্রী ও পথচারীরা প্রতিদিন ভোগান্তি পোহাচ্ছেন।
২০২০ সালের জানুয়ারিতে একনেক অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পটির প্রাথমিক বরাদ্দ ছিল ৩৩৯ কোটি টাকা। তবে তিন দফায় ব্যয় বাড়িয়ে বর্তমানে ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৫৩৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকায়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মোজাহার এন্টারপ্রাইজ ২০২২ সালের জুনের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও এখন নতুন সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের বাঁক সোজা করার প্রায় ৭০-৮০ শতাংশ কাজ শেষ হলেও প্রশস্তকরণের কাজ হয়েছে মাত্র ৫০-৬০ শতাংশ। অনেক স্থানে কাজ শুরুই হয়নি। ধীরগতির কাজের কারণে সড়কে যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যাত্রীরা জানিয়েছেন, আগে তালা থেকে কয়রা যেতে সময় লাগতো দেড় ঘণ্টা, এখন লাগে চার ঘণ্টা। একইসাথে গাড়ির ভাড়া ও জ্বালানি খরচ বেড়েছে দ্বিগুণ।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘ তিন বছরেও কাজ শেষ হয়নি। বর্ষাকালে কাদা-পানি আর শুষ্ক মৌসুমে ধুলোবালিতে মানুষ নাকাল হচ্ছে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ যাত্রীরা প্রতিদিন চরম দুর্ভোগে পড়ছেন।
খুলনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তানিমুল হক বলেন, “জমি অধিগ্রহণ নিয়ে জটিলতার কারণে সময় বাড়াতে হয়েছে। প্রকল্পটি ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে শেষ হবে।” তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রকল্পের গুরুত্ব থাকা সত্ত্বেও গাফিলতির কারণে কাজ দ্রুত শেষ হচ্ছে না।
তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপা রানী সরকার বলেন, “ধীরগতির কারণে প্রকল্পটি সময়মতো শেষ হওয়া নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। জনস্বার্থে সড়কটি দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
প্রথম বরাদ্দ ৩৩৯ কোটি থেকে বর্তমানে ৫৩৫ কোটি তবুও ডুমুরিয়ার বেতাগ্রাম-তালা-পাইকগাছা-কয়রা সড়ক নির্মাণ কাজে শম্ভুক গতি, জনদুর্ভোগ চরমে অভিযোগ স্থানীয়দের।
খুলনার ডুমুরিয়া-বেতাগ্রাম-তালা-পাইকগাছা-কয়রা সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্পে ধীরগতির কারণে বাড়ছে জনদুর্ভোগ। একাধিকবার সময়সীমা ও ব্যয় বাড়ানো হলেও নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় যাত্রী ও পথচারীরা প্রতিদিন ভোগান্তি পোহাচ্ছেন।
২০২০ সালের জানুয়ারিতে একনেক অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পটির প্রাথমিক বরাদ্দ ছিল ৩৩৯ কোটি টাকা। তবে তিন দফায় ব্যয় বাড়িয়ে বর্তমানে ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৫৩৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকায়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মোজাহার এন্টারপ্রাইজ ২০২২ সালের জুনের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও এখন নতুন সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের বাঁক সোজা করার প্রায় ৭০-৮০ শতাংশ কাজ শেষ হলেও প্রশস্তকরণের কাজ হয়েছে মাত্র ৫০-৬০ শতাংশ। অনেক স্থানে কাজ শুরুই হয়নি। ধীরগতির কাজের কারণে সড়কে যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যাত্রীরা জানিয়েছেন, আগে তালা থেকে কয়রা যেতে সময় লাগতো দেড় ঘণ্টা, এখন লাগে চার ঘণ্টা। একইসাথে গাড়ির ভাড়া ও জ্বালানি খরচ বেড়েছে দ্বিগুণ।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘ তিন বছরেও কাজ শেষ হয়নি। বর্ষাকালে কাদা-পানি আর শুষ্ক মৌসুমে ধুলোবালিতে মানুষ নাকাল হচ্ছে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ যাত্রীরা প্রতিদিন চরম দুর্ভোগে পড়ছেন।
খুলনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তানিমুল হক বলেন, “জমি অধিগ্রহণ নিয়ে জটিলতার কারণে সময় বাড়াতে হয়েছে। প্রকল্পটি ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে শেষ হবে।” তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রকল্পের গুরুত্ব থাকা সত্ত্বেও গাফিলতির কারণে কাজ দ্রুত শেষ হচ্ছে না।
তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপা রানী সরকার বলেন, “ধীরগতির কারণে প্রকল্পটি সময়মতো শেষ হওয়া নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। জনস্বার্থে সড়কটি দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।”

আপনার মতামত লিখুন