স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড থেকে গ্রাহকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সাম্প্রতিক প্রতারণামূলক ঘটনাকে ঘিরে গণমাধ্যমে যে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, সে বিষয়ে ব্যাংকটি আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের করপোরেট অ্যাফেয়ার্স, ব্র্যান্ড অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের কান্ট্রি হেড বিটপী দাশ চৌধুরী জানান, এ ঘটনায় নতুন করে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। সমস্যার দ্রুত সমাধান ও মূল কারণ শনাক্ত করতে ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে কাজ করছেন।
ব্যাংকটির বিবৃতিতে বলা হয়, চলতি সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে কিছু গ্রাহকের ক্রেডিট কার্ড থেকে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের বিভিন্ন ওয়ালেটে অনুমতিহীন লেনদেনের অভিযোগ আসে। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই গ্রাহকসুরক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত কার্ডধারীদের অর্থ ফেরত দেওয়া হয়েছে।স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাসের এজাজ বিজয় বিবৃতিতে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যবেক্ষক দল ইতিমধ্যে এ–সংক্রান্ত প্রক্রিয়া ও সিস্টেম পর্যালোচনা করছে। ব্যাংক ঘটনাটি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানিয়েছে এবং তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করা হবে।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, ব্যাংকের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ঘাটতি নেই। ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড মোবাইল অ্যাপ এনক্রিপ্টেড ও সুরক্ষিত চ্যানেলের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। সাময়িকভাবে ‘অ্যাড মানি’ ফিচার স্থগিত করা হয়েছে, যাতে বাইরে থেকে প্রতারণা ঠেকানো যায়।এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাংকের নেওয়া পদক্ষেপে সন্তুষ্টি জানিয়েছেন।স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বলেছে, দেশের মানুষের উন্নয়নযাত্রার অংশীদার হিসেবে ১২০ বছর ধরে গ্রাহকদের পাশে রয়েছে তারা; আর্থিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যাচ্ছে।
নজর/স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড/ক্রেডিট কার্ড প্রতারণা/সুমাইয়া

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড থেকে গ্রাহকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সাম্প্রতিক প্রতারণামূলক ঘটনাকে ঘিরে গণমাধ্যমে যে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, সে বিষয়ে ব্যাংকটি আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের করপোরেট অ্যাফেয়ার্স, ব্র্যান্ড অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের কান্ট্রি হেড বিটপী দাশ চৌধুরী জানান, এ ঘটনায় নতুন করে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। সমস্যার দ্রুত সমাধান ও মূল কারণ শনাক্ত করতে ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে কাজ করছেন।
ব্যাংকটির বিবৃতিতে বলা হয়, চলতি সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে কিছু গ্রাহকের ক্রেডিট কার্ড থেকে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের বিভিন্ন ওয়ালেটে অনুমতিহীন লেনদেনের অভিযোগ আসে। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই গ্রাহকসুরক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত কার্ডধারীদের অর্থ ফেরত দেওয়া হয়েছে।স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাসের এজাজ বিজয় বিবৃতিতে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যবেক্ষক দল ইতিমধ্যে এ–সংক্রান্ত প্রক্রিয়া ও সিস্টেম পর্যালোচনা করছে। ব্যাংক ঘটনাটি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানিয়েছে এবং তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করা হবে।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, ব্যাংকের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ঘাটতি নেই। ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড মোবাইল অ্যাপ এনক্রিপ্টেড ও সুরক্ষিত চ্যানেলের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। সাময়িকভাবে ‘অ্যাড মানি’ ফিচার স্থগিত করা হয়েছে, যাতে বাইরে থেকে প্রতারণা ঠেকানো যায়।এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাংকের নেওয়া পদক্ষেপে সন্তুষ্টি জানিয়েছেন।স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বলেছে, দেশের মানুষের উন্নয়নযাত্রার অংশীদার হিসেবে ১২০ বছর ধরে গ্রাহকদের পাশে রয়েছে তারা; আর্থিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যাচ্ছে।
নজর/স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড/ক্রেডিট কার্ড প্রতারণা/সুমাইয়া

আপনার মতামত লিখুন