নোয়াখালীতে অটোরিকশা চালক হত্যার রহস্য উদঘাটন, মূল আসামি গ্রেফতার
নোয়াখালীর সোনামুড়ীতে অটোরিকশা চালককে নির্মমভাবে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে। গ্রেফতারের পর আসামির স্বীকারোক্তিতে উদ্ধার করা হয়েছে ভিকটিমের অটোরিকশার ৪টি ব্যাটারি।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সোনাইমুড়ী থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান চাটখিল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মনীষ দাস।
পুলিশ জানায়, অটোরিকশা চালক রাহেদ হোসেন (১৮) কে গত ২ মে পূর্বপরিকল্পিতভাবে মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে ছিনতাইকারীরা। ১৯ মে সকালে জয়াগ ইউনিয়নের নোয়াখালী-ঢাকা মহাসড়কের পাশে একটি ডোবা থেকে কচুরিপানার নিচে অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহতের বাবা ইউসুফ কামাল লাশ শনাক্ত করেন এবং পরে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
প্রায় ৪ মাস পর তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষণ ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ডেমরা থানার সারুলিয়া বাজার এলাকা থেকে মূল আসামি মো. শাহাদাত হোসেন সবুজ ওরফে মানিক (১৯) কে গ্রেফতার করে। সে লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানার নন্দী গ্রাম এলাকার মাসুদ আলমের পুত্র।
গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে শাহাদাত হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে। তার দেওয়া তথ্যমতে সোনাইমুড়ীর নদনা ইউনিয়নের একটি ডোবা থেকে অটোরিকশার ব্যাটারি উদ্ধার করা হয়। এ মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি মো. সাইফুল ইসলাম বাবুকেও আগেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
তদন্ত সংশ্লিষ্টদের মতে, এটি একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র যারা নতুন ও তরুণ চালকদের টার্গেট করে গাড়ি ছিনতাই করে থাকে।
সহকারী পুলিশ সুপার মনীষ দাস জানান, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা কার্যক্রমের সমন্বয়ের মাধ্যমে মূল আসামিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত রাহেদের পরিবার দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছে। নোয়াখালী জেলা পুলিশ জানিয়েছে, চক্রের সকল সদস্যকে আইনের আওতায় আনা হবে।
নোয়াখালীতে অটোরিকশা চালক হত্যার রহস্য উদঘাটন, মূল আসামি গ্রেফতার
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
নোয়াখালীর সোনামুড়ীতে অটোরিকশা চালককে নির্মমভাবে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে। গ্রেফতারের পর আসামির স্বীকারোক্তিতে উদ্ধার করা হয়েছে ভিকটিমের অটোরিকশার ৪টি ব্যাটারি।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সোনাইমুড়ী থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান চাটখিল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মনীষ দাস।
পুলিশ জানায়, অটোরিকশা চালক রাহেদ হোসেন (১৮) কে গত ২ মে পূর্বপরিকল্পিতভাবে মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে ছিনতাইকারীরা। ১৯ মে সকালে জয়াগ ইউনিয়নের নোয়াখালী-ঢাকা মহাসড়কের পাশে একটি ডোবা থেকে কচুরিপানার নিচে অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহতের বাবা ইউসুফ কামাল লাশ শনাক্ত করেন এবং পরে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
প্রায় ৪ মাস পর তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষণ ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ডেমরা থানার সারুলিয়া বাজার এলাকা থেকে মূল আসামি মো. শাহাদাত হোসেন সবুজ ওরফে মানিক (১৯) কে গ্রেফতার করে। সে লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানার নন্দী গ্রাম এলাকার মাসুদ আলমের পুত্র।
গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে শাহাদাত হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে। তার দেওয়া তথ্যমতে সোনাইমুড়ীর নদনা ইউনিয়নের একটি ডোবা থেকে অটোরিকশার ব্যাটারি উদ্ধার করা হয়। এ মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি মো. সাইফুল ইসলাম বাবুকেও আগেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
তদন্ত সংশ্লিষ্টদের মতে, এটি একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র যারা নতুন ও তরুণ চালকদের টার্গেট করে গাড়ি ছিনতাই করে থাকে।
সহকারী পুলিশ সুপার মনীষ দাস জানান, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা কার্যক্রমের সমন্বয়ের মাধ্যমে মূল আসামিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত রাহেদের পরিবার দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছে। নোয়াখালী জেলা পুলিশ জানিয়েছে, চক্রের সকল সদস্যকে আইনের আওতায় আনা হবে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন