ফরিদপুরে নিজের মেয়েকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণের অভিযোগে ওহাব মোল্লা (৪২) নামের এক ব্যক্তিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং তার স্থাবর–অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে ক্ষতিগ্রস্ত ভুক্তভোগীকে অর্থ প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা দায়রা জজ শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি রাতে নিজ বাড়িতে মেয়েকে ধর্ষণ করেন ওহাব মোল্লা। ভুক্তভোগী ঘটনাটি মাকে জানালে, তিনি ১৫ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। অভিযোগে বলা হয়, প্রায় ছয় বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে মেয়েকে ধর্ষণ করে আসছিলেন অভিযুক্ত বাবা।
মামলার তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। শুনানি চলাকালে ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন বলেন, “আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ডে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।”
রায় ঘোষণার সময় আসামিকে আদালতে উপস্থিত রাখা হয়। পরে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
ফরিদপুরে নিজের মেয়েকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণের অভিযোগে ওহাব মোল্লা (৪২) নামের এক ব্যক্তিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং তার স্থাবর–অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে ক্ষতিগ্রস্ত ভুক্তভোগীকে অর্থ প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা দায়রা জজ শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি রাতে নিজ বাড়িতে মেয়েকে ধর্ষণ করেন ওহাব মোল্লা। ভুক্তভোগী ঘটনাটি মাকে জানালে, তিনি ১৫ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। অভিযোগে বলা হয়, প্রায় ছয় বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে মেয়েকে ধর্ষণ করে আসছিলেন অভিযুক্ত বাবা।
মামলার তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। শুনানি চলাকালে ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন বলেন, “আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ডে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।”
রায় ঘোষণার সময় আসামিকে আদালতে উপস্থিত রাখা হয়। পরে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন