স্থানীয় ব্যবসায়ীর অভিযোগে অভিযান, নগদ অর্থ উদ্ধার
রাজধানীর খিলক্ষেত থানাধীন নিকুঞ্জ-২ এর ১০ নম্বর রোড থেকে কুখ্যাত চাঁদাবাজ মোঃ ইসমাইল হোসেন বাবু ওরফে মোফা বাবু (৩২) কে আটক করেছে সেনাবাহিনী। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে পূর্বাচল আর্মি ক্যাম্পের একটি টহল দল তাকে গ্রেফতার করে। এ সময় তার কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের নগদ অর্থও উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মোঃ সুজন মিয়া অভিযোগ করে বলেন,
“মোফা প্রতিদিন চাঁদা দাবি করতো। এতদিন আমি চা-সিগারেট দিয়ে সামলাতাম। শুক্রবার দুপুরে সে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে আমাকে মারধর করে, দোকান ভাঙচুর চালায় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। বাধ্য হয়ে আমি সেনাবাহিনীর কাছে অভিযোগ করি।”
গ্রেফতারকৃত মোফা বর্তমানে খিলক্ষেত থানার ৯৬ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব। তার গ্রামের বাড়ি ভোলার বোরহান উদ্দিনে। দীর্ঘদিন ধরে সে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে আসছিল। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিএনপি নেতা সিলটি বাবুর আশ্রয়-প্রশ্রয়ে এ সমস্ত অপকর্ম চালিয়ে আসছিল সে।
স্বেচ্ছাসেবক দলের ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি শেখ ফরিদ হোসেন বলেন,
“আমাদের দলে কোনো সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজের স্থান নেই। তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এলাকাবাসী জানায়, শুধুমাত্র সেনাবাহিনীর হাতেই মোফা বাবুর এটি তৃতীয় গ্রেফতার। তবে এতবার ধরা পড়ার পরও তার দলীয় পরিচয়ের কারণে বহিষ্কার কিংবা সামান্য ভৎসনাও করা হয়নি।
গ্রেফতারের খবরে নিকুঞ্জ এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়রা সেনাবাহিনীর পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, “কেন এমন স্বীকৃত চাঁদাবাজরা আদালত থেকে দ্রুত বেরিয়ে এসে আবারও জনগণকে জিম্মি করে, তা সরকারকেই ভাবতে হবে।”
অভিযানের পর সেনাবাহিনী মোফা বাবুকে খিলক্ষেত থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। সেনাবাহিনী সূত্র জানিয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৫
স্থানীয় ব্যবসায়ীর অভিযোগে অভিযান, নগদ অর্থ উদ্ধার
রাজধানীর খিলক্ষেত থানাধীন নিকুঞ্জ-২ এর ১০ নম্বর রোড থেকে কুখ্যাত চাঁদাবাজ মোঃ ইসমাইল হোসেন বাবু ওরফে মোফা বাবু (৩২) কে আটক করেছে সেনাবাহিনী। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে পূর্বাচল আর্মি ক্যাম্পের একটি টহল দল তাকে গ্রেফতার করে। এ সময় তার কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের নগদ অর্থও উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মোঃ সুজন মিয়া অভিযোগ করে বলেন,
“মোফা প্রতিদিন চাঁদা দাবি করতো। এতদিন আমি চা-সিগারেট দিয়ে সামলাতাম। শুক্রবার দুপুরে সে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে আমাকে মারধর করে, দোকান ভাঙচুর চালায় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। বাধ্য হয়ে আমি সেনাবাহিনীর কাছে অভিযোগ করি।”
গ্রেফতারকৃত মোফা বর্তমানে খিলক্ষেত থানার ৯৬ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব। তার গ্রামের বাড়ি ভোলার বোরহান উদ্দিনে। দীর্ঘদিন ধরে সে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে আসছিল। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিএনপি নেতা সিলটি বাবুর আশ্রয়-প্রশ্রয়ে এ সমস্ত অপকর্ম চালিয়ে আসছিল সে।
স্বেচ্ছাসেবক দলের ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি শেখ ফরিদ হোসেন বলেন,
“আমাদের দলে কোনো সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজের স্থান নেই। তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এলাকাবাসী জানায়, শুধুমাত্র সেনাবাহিনীর হাতেই মোফা বাবুর এটি তৃতীয় গ্রেফতার। তবে এতবার ধরা পড়ার পরও তার দলীয় পরিচয়ের কারণে বহিষ্কার কিংবা সামান্য ভৎসনাও করা হয়নি।
গ্রেফতারের খবরে নিকুঞ্জ এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়রা সেনাবাহিনীর পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, “কেন এমন স্বীকৃত চাঁদাবাজরা আদালত থেকে দ্রুত বেরিয়ে এসে আবারও জনগণকে জিম্মি করে, তা সরকারকেই ভাবতে হবে।”
অভিযানের পর সেনাবাহিনী মোফা বাবুকে খিলক্ষেত থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। সেনাবাহিনী সূত্র জানিয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন