রাজধানীর পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া তুরাগ নদী এখন অবৈধ নৌযান ও অনভিজ্ঞ চালকদের কারণে পরিণত হয়েছে দুর্ঘটনার ঝুঁকিপূর্ণ রুটে। প্রতিদিনই শত শত মানুষ জীবিকার তাগিদে এই নদীপথ ব্যবহার করছেন, কিন্তু নিরাপত্তার ন্যূনতম ব্যবস্থা না থাকায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে দুর্ঘটনা।
তুরাগ নদীতে চলাচলকারী অধিকাংশ নৌযানের চালকদের নেই প্রশিক্ষণ বা লাইসেন্স। নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের নিয়ম অনুযায়ী সব চালকের লাইসেন্স বাধ্যতামূলক হলেও বাস্তবে তা মানা হচ্ছে না। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিশোর বয়সী ছেলেরা পর্যন্ত যাত্রীবাহী ইঞ্জিনচালিত নৌকা চালাচ্ছে—যা যে কোনো মুহূর্তে বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
নদীতে চলাচল করা বেশিরভাগ নৌযানই নিবন্ধনহীন বা অবৈধভাবে তৈরি। এসব নৌকা ও ট্রলার চালানো হচ্ছে কোনো নিয়মনীতি ছাড়াই। অনেক নৌকা অতিরিক্ত যাত্রী বহন করছে, নেই লাইফজ্যাকেট, নেই নিরাপত্তা সরঞ্জাম। ফলে সামান্য বাতাস বা ঢেউ উঠলেই যাত্রীরা আতঙ্কে ভোগেন।
সম্প্রতি কয়েকটি এলাকায় ছোটখাটো দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। কিন্তু এসব দুর্ঘটনা গোপন রাখা হয় যাতে প্রশাসনের নজর না পড়ে। নৌযান মালিকদের অভিযোগ, নদীতে পর্যাপ্ত তদারকি না থাকায় নৌচালকরা ইচ্ছেমতো নিয়ম ভাঙছেন।
তুরাগ নদীতে বিআইডব্লিউটিএ ও থানা প্রশাসনের তদারকি প্রায় নেই বললেই চলে। মাঝে মাঝে অভিযান হলেও কিছুদিন পরই ফের আগের অবস্থায় ফিরে যায়। স্থানীয়রা জানান, রাতের বেলায় অবৈধ নৌযান ও বালুবাহী ট্রলারের চলাচল বেড়ে যায়, যা পরিবেশ ও নিরাপত্তা—দুই দিক থেকেই বিপজ্জনক।
তুরাগপাড়ের বাসিন্দারা বলেন,
“প্রতিদিন নদী পার হতে হয়। ভয় হয় কখন আবার উল্টে যায় নৌকা। কেউ দেখে না, কেউ ব্যবস্থা নেয় না।”
তাঁরা অবৈধ নৌযান ও অনভিজ্ঞ চালকদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৫
রাজধানীর পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া তুরাগ নদী এখন অবৈধ নৌযান ও অনভিজ্ঞ চালকদের কারণে পরিণত হয়েছে দুর্ঘটনার ঝুঁকিপূর্ণ রুটে। প্রতিদিনই শত শত মানুষ জীবিকার তাগিদে এই নদীপথ ব্যবহার করছেন, কিন্তু নিরাপত্তার ন্যূনতম ব্যবস্থা না থাকায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে দুর্ঘটনা।
তুরাগ নদীতে চলাচলকারী অধিকাংশ নৌযানের চালকদের নেই প্রশিক্ষণ বা লাইসেন্স। নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের নিয়ম অনুযায়ী সব চালকের লাইসেন্স বাধ্যতামূলক হলেও বাস্তবে তা মানা হচ্ছে না। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিশোর বয়সী ছেলেরা পর্যন্ত যাত্রীবাহী ইঞ্জিনচালিত নৌকা চালাচ্ছে—যা যে কোনো মুহূর্তে বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
নদীতে চলাচল করা বেশিরভাগ নৌযানই নিবন্ধনহীন বা অবৈধভাবে তৈরি। এসব নৌকা ও ট্রলার চালানো হচ্ছে কোনো নিয়মনীতি ছাড়াই। অনেক নৌকা অতিরিক্ত যাত্রী বহন করছে, নেই লাইফজ্যাকেট, নেই নিরাপত্তা সরঞ্জাম। ফলে সামান্য বাতাস বা ঢেউ উঠলেই যাত্রীরা আতঙ্কে ভোগেন।
সম্প্রতি কয়েকটি এলাকায় ছোটখাটো দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। কিন্তু এসব দুর্ঘটনা গোপন রাখা হয় যাতে প্রশাসনের নজর না পড়ে। নৌযান মালিকদের অভিযোগ, নদীতে পর্যাপ্ত তদারকি না থাকায় নৌচালকরা ইচ্ছেমতো নিয়ম ভাঙছেন।
তুরাগ নদীতে বিআইডব্লিউটিএ ও থানা প্রশাসনের তদারকি প্রায় নেই বললেই চলে। মাঝে মাঝে অভিযান হলেও কিছুদিন পরই ফের আগের অবস্থায় ফিরে যায়। স্থানীয়রা জানান, রাতের বেলায় অবৈধ নৌযান ও বালুবাহী ট্রলারের চলাচল বেড়ে যায়, যা পরিবেশ ও নিরাপত্তা—দুই দিক থেকেই বিপজ্জনক।
তুরাগপাড়ের বাসিন্দারা বলেন,
“প্রতিদিন নদী পার হতে হয়। ভয় হয় কখন আবার উল্টে যায় নৌকা। কেউ দেখে না, কেউ ব্যবস্থা নেয় না।”
তাঁরা অবৈধ নৌযান ও অনভিজ্ঞ চালকদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন