নড়াইলের লোহাগড়ায় এক চাঞ্চল্যকর প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে। অজ্ঞাত দুই প্রতারকের ফাঁদে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে গত শনিবার (৪ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে লোহাগড়া পুরাতন গরুহাট মার্কেট সংলগ্ন এলাকায়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মোসাঃ জেসমিন খানম (৫৫), স্বামী শেখ মনিরুজ্জামান, লোহাগড়া পৌরসভার কুন্দশী এলাকার বাসিন্দা। ওইদিন তিনি বাজার করতে গিয়ে প্রতারকদের মুখোমুখি হন।
দুই অপরিচিত ব্যক্তি তার কাছে এসে জানায়, তারা বেকারির কেক তৈরির কেমিক্যাল নিয়ে এসেছে—বেকারির ঘর কোন দিকে জানতে চায়। সরল মনে দিকনির্দেশনা দিলে তারা মিষ্টি কথায় জেসমিন খানমকে সঙ্গে নিয়ে লোহাগড়া পোদ্দারপাড়া সোনালী ব্যাংক রোডের দিকে যায়।
পথিমধ্যে এক ব্যক্তি তার হাত ধরে বলে, “আন্টি, আপনি আমার মায়ের মতো”—এই বলে প্রতারণামূলক আচরণ করতে থাকে। এরপর জেসমিন খানম কোনো এক প্রভাবে অচেতন বা সংবেদনশূন্য অবস্থায় পড়েন। বুঝে ওঠার আগেই প্রতারকরা তার গলা থেকে ৮ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন, ২ আনা লকেট, ১.৫ আনা কানের দুলসহ প্রায় ৭৫ হাজার টাকার স্বর্ণালংকার এবং ব্যাগে থাকা নগদ ২,৫০০ টাকা হাতিয়ে নেয়।
চেতনা ফিরে পাওয়ার পর তিনি নিজেকে লোহাগড়া পোদ্দারপাড়া মহসিন মোল্লার দোকানের সামনে দেখতে পান। পরে প্রতারকদের খোঁজে মজুমদার মার্কেট পর্যন্ত গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান।
পরে জেসমিন খানম লোহাগড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি বলেন,
“বাজার এলাকার সিসি ক্যামেরা ফুটেজ দেখলে হয়তো প্রতারকদের চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।”
এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন,
“অভিযোগটি পেয়েছি। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়দের দাবি, বাজার এলাকায় সিসি ক্যামেরা নজরদারি জোরদার করা হলে ভবিষ্যতে এমন প্রতারণা রোধ করা সম্ভব হবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৫
নড়াইলের লোহাগড়ায় এক চাঞ্চল্যকর প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে। অজ্ঞাত দুই প্রতারকের ফাঁদে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে গত শনিবার (৪ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে লোহাগড়া পুরাতন গরুহাট মার্কেট সংলগ্ন এলাকায়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মোসাঃ জেসমিন খানম (৫৫), স্বামী শেখ মনিরুজ্জামান, লোহাগড়া পৌরসভার কুন্দশী এলাকার বাসিন্দা। ওইদিন তিনি বাজার করতে গিয়ে প্রতারকদের মুখোমুখি হন।
দুই অপরিচিত ব্যক্তি তার কাছে এসে জানায়, তারা বেকারির কেক তৈরির কেমিক্যাল নিয়ে এসেছে—বেকারির ঘর কোন দিকে জানতে চায়। সরল মনে দিকনির্দেশনা দিলে তারা মিষ্টি কথায় জেসমিন খানমকে সঙ্গে নিয়ে লোহাগড়া পোদ্দারপাড়া সোনালী ব্যাংক রোডের দিকে যায়।
পথিমধ্যে এক ব্যক্তি তার হাত ধরে বলে, “আন্টি, আপনি আমার মায়ের মতো”—এই বলে প্রতারণামূলক আচরণ করতে থাকে। এরপর জেসমিন খানম কোনো এক প্রভাবে অচেতন বা সংবেদনশূন্য অবস্থায় পড়েন। বুঝে ওঠার আগেই প্রতারকরা তার গলা থেকে ৮ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন, ২ আনা লকেট, ১.৫ আনা কানের দুলসহ প্রায় ৭৫ হাজার টাকার স্বর্ণালংকার এবং ব্যাগে থাকা নগদ ২,৫০০ টাকা হাতিয়ে নেয়।
চেতনা ফিরে পাওয়ার পর তিনি নিজেকে লোহাগড়া পোদ্দারপাড়া মহসিন মোল্লার দোকানের সামনে দেখতে পান। পরে প্রতারকদের খোঁজে মজুমদার মার্কেট পর্যন্ত গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান।
পরে জেসমিন খানম লোহাগড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি বলেন,
“বাজার এলাকার সিসি ক্যামেরা ফুটেজ দেখলে হয়তো প্রতারকদের চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।”
এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন,
“অভিযোগটি পেয়েছি। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়দের দাবি, বাজার এলাকায় সিসি ক্যামেরা নজরদারি জোরদার করা হলে ভবিষ্যতে এমন প্রতারণা রোধ করা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন