রবিবার (১২ অক্টোবর) সকালে ডাকযোগের মাধ্যমে তিনি এ স্মারকলিপি পাঠান।
স্মারকলিপিতে জামাল উদ্দিন মেম্বার উল্লেখ করেন, তিনি একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। ধারাবাহিকভাবে একাধিক মেয়াদে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে তিনি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীরা নির্বাচনে পরাজিত হয়ে প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। গত ৩ অক্টোবর কসবা থানায় দায়েরকৃত মামলা নং-০২-এ তাকে ২নং আসামি হিসেবে দেখানো হয়, যেখানে ১নং আসামি করা হয় একই ইউনিয়নের সুমন মিয়াকে।

জামাল উদ্দিন দাবি করেন, ঘটনার দিন ও সময় তিনি কসবা বা আশপাশের এলাকায় উপস্থিত ছিলেন না। বরং উন্নত প্রযুক্তির (পিসি বা লোকেশন ট্র্যাকিং) মাধ্যমে যাচাই করলে প্রমাণ মিলবে যে তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না।
তিনি বলেন, “একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সুমন মিয়ার মাধ্যমে আমার নাম মামলায় যুক্ত করেছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক।”
স্মারকলিপিতে তিনি তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা এবং তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। সেই সঙ্গে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার না করার আহ্বান জানান তিনি।
আপনার মতামত লিখুন