আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের হেফাজতে রাখার অংশ হিসেবে ঢাকা সেনানিবাসের একটি ভবনকে সাময়িকভাবে ‘কারাগার’ ঘোষণা করেছে সরকার।
রোববার (১২ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কারা-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সুরক্ষা সেবা বিভাগের উপসচিব মো. হাফিজ আল আসাদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৪১(১) এবং দ্য প্রিজন্স অ্যাক্ট, ১৮৯৪-এর ধারা ৩(বি) অনুসারে ঢাকা সেনানিবাসের বাশার রোড সংলগ্ন উত্তর পাশে অবস্থিত ‘এমইএস’ বিল্ডিং নং–৫৪-কে সাময়িকভাবে কারাগার হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এ ঘোষণা অবিলম্বে কার্যকর হবে। তবে প্রজ্ঞাপনে সাময়িক কারাগার ঘোষণার উদ্দেশ্য বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
সম্প্রতি জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানসহ ফ্যাসিবাদী আমলে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাবেক ও বর্তমান ২৪ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তাদের ২১ অক্টোবরের মধ্যে গ্রেপ্তার করে ২২ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এরপর গত ১১ অক্টোবর সেনা সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান জানান, অভিযুক্ত ২৪ কর্মকর্তার মধ্যে ১৫ জন বর্তমানে সেনা হেফাজতে আছেন। আরও একজনকে সেনা হেফাজতে আসার জন্য বলা হলেও তিনি এখনও অনুপস্থিত।
তিনি জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল কবির আহমেদ ‘ইলিগ্যাল অ্যাবসেন্ট’ (পলাতক) রয়েছেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৫
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের হেফাজতে রাখার অংশ হিসেবে ঢাকা সেনানিবাসের একটি ভবনকে সাময়িকভাবে ‘কারাগার’ ঘোষণা করেছে সরকার।
রোববার (১২ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কারা-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সুরক্ষা সেবা বিভাগের উপসচিব মো. হাফিজ আল আসাদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৪১(১) এবং দ্য প্রিজন্স অ্যাক্ট, ১৮৯৪-এর ধারা ৩(বি) অনুসারে ঢাকা সেনানিবাসের বাশার রোড সংলগ্ন উত্তর পাশে অবস্থিত ‘এমইএস’ বিল্ডিং নং–৫৪-কে সাময়িকভাবে কারাগার হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এ ঘোষণা অবিলম্বে কার্যকর হবে। তবে প্রজ্ঞাপনে সাময়িক কারাগার ঘোষণার উদ্দেশ্য বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
সম্প্রতি জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানসহ ফ্যাসিবাদী আমলে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাবেক ও বর্তমান ২৪ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তাদের ২১ অক্টোবরের মধ্যে গ্রেপ্তার করে ২২ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এরপর গত ১১ অক্টোবর সেনা সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান জানান, অভিযুক্ত ২৪ কর্মকর্তার মধ্যে ১৫ জন বর্তমানে সেনা হেফাজতে আছেন। আরও একজনকে সেনা হেফাজতে আসার জন্য বলা হলেও তিনি এখনও অনুপস্থিত।
তিনি জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল কবির আহমেদ ‘ইলিগ্যাল অ্যাবসেন্ট’ (পলাতক) রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন