ঢাকার আশুলিয়ায় গাড়ি থামিয়ে ডাকাতি করার সময় অস্ত্রসহ হাতেনাতে এক ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর ২০২৫) রাতে আশুলিয়া থানাধীন গৌরিপুর এলাকার পলমল গার্মেন্টসের পাশে সদরপুর রোডে এ ঘটনা ঘটে।
আশুলিয়া বাজার ক্যাম্পের এসআই মাহবুব উল্লাহ সরকার ও এএসআই মতিউর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে মির্জা রুবেল ওরফে সুমন (৪৫) নামে এক ডাকাত দলের সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার নামদার কুমুল্লি খানপাড়া গ্রামের মির্জা বিষু ওরফে আব্দুর রহমান খানের ছেলে এবং মায়ের নাম রুবি খানম।
পুলিশ জানায়, রাতে টহল চলাকালে পুলিশের গাড়িকে লক্ষ্য করে ৮–১০ জনের একটি ডাকাত দল রাস্তায় গাছ ফেলে বাধা সৃষ্টি করে। এ সময় তারা গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ জীবনঝুঁকি নিয়ে পাল্টা পদক্ষেপ নেয় এবং মির্জা রুবেলকে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে একটি সচল রিভলভার উদ্ধার করা হয়। তার নামে পূর্বেও ৭–৮টি ডাকাতি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
এসআই মাহবুব উল্লাহ সরকার জানান, “গ্রেপ্তারকৃত রুবেল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ডাকাতির প্রস্তুতির কথা স্বীকার করেছে। তবে সহযোগীদের পরিচয় প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানায়। অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ ঘটনায় আশুলিয়া বাজার ক্যাম্পে একটি সাধারণ ডায়েরি (নং–১৭০) করা হয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৫
ঢাকার আশুলিয়ায় গাড়ি থামিয়ে ডাকাতি করার সময় অস্ত্রসহ হাতেনাতে এক ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর ২০২৫) রাতে আশুলিয়া থানাধীন গৌরিপুর এলাকার পলমল গার্মেন্টসের পাশে সদরপুর রোডে এ ঘটনা ঘটে।
আশুলিয়া বাজার ক্যাম্পের এসআই মাহবুব উল্লাহ সরকার ও এএসআই মতিউর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে মির্জা রুবেল ওরফে সুমন (৪৫) নামে এক ডাকাত দলের সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার নামদার কুমুল্লি খানপাড়া গ্রামের মির্জা বিষু ওরফে আব্দুর রহমান খানের ছেলে এবং মায়ের নাম রুবি খানম।
পুলিশ জানায়, রাতে টহল চলাকালে পুলিশের গাড়িকে লক্ষ্য করে ৮–১০ জনের একটি ডাকাত দল রাস্তায় গাছ ফেলে বাধা সৃষ্টি করে। এ সময় তারা গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ জীবনঝুঁকি নিয়ে পাল্টা পদক্ষেপ নেয় এবং মির্জা রুবেলকে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে একটি সচল রিভলভার উদ্ধার করা হয়। তার নামে পূর্বেও ৭–৮টি ডাকাতি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
এসআই মাহবুব উল্লাহ সরকার জানান, “গ্রেপ্তারকৃত রুবেল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ডাকাতির প্রস্তুতির কথা স্বীকার করেছে। তবে সহযোগীদের পরিচয় প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানায়। অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ ঘটনায় আশুলিয়া বাজার ক্যাম্পে একটি সাধারণ ডায়েরি (নং–১৭০) করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন