নজর বিডি

ডুমুরিয়ায় সবজির বাজার লাগামহীন, মাছ-মাংসের দামও ঊর্ধ্বমুখী

ডুমুরিয়ায় সবজির বাজার লাগামহীন, মাছ-মাংসের দামও ঊর্ধ্বমুখী

প্রায় দুই মাস ধরে ডুমুরিয়ার কাঁচাবাজারের দাম ঊর্ধ্বমুখী অবস্থায় রয়েছে। সবজি বিক্রি হচ্ছে কেজি ৮০ টাকার ওপরে, আবার দেশি টমেটো, চায়না গাজর, বেগুন, শসা ও পটলের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। বৃষ্টির অজুহাত, ঋতু পরিবর্তন এবং পণ্যের ঘাটতির কারণে বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণহীন অবস্থায় আছে।

বৃহস্পতিবার সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভারতীয় টমেটো কেজিতে ৮০ টাকা, দেশি টমেটো ১০০-১১০ টাকা, চায়না গাজর ১০০-১২০ টাকা, লম্বা বেগুন ৮০ টাকা, সাদা গোল বেগুন ৯০ টাকা এবং কালো গোল বেগুন ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শিম ৩৫ টাকা, দেশি শসা ৬০ টাকা, করল্লা ৭০ টাকা, দেশি পটল ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪৫ টাকা এবং কাঁচা মরিচ ১৬০ টাকায় কেনা যাচ্ছে।

দামের ওঠানামা দেখা গেছে রসুন ও আদাতেও। দেশি রসুন ১২০ টাকা, চায়না রসুন ১৮০ টাকা এবং চায়না আদা ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে; দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ৮৫ টাকা, ক্রস জাত পেঁয়াজ ৭৫-৮৫ টাকা। মাছ-মাংসের বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।

ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। মোতাহার হোসেন বলেন, “সবজির দাম যে আমাদের নাগালের বাইরে, কেউ তা দেখছে না। দিনের পর দিন দাম বাড়ছে, আমরা শুধু সহ্য করে যাচ্ছি।” মোস্তাফিজুর রহমান যোগ করেন, “আগের সরকারও পারলো না, বর্তমান সরকারও পারছে না। আমাদের মতো অল্প বেতনের মানুষই ভুক্তভোগী।”

বিক্রেতারা পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেছেন। নূরে আলম বলেন, “অসময়ে বেশি বৃষ্টি হওয়ায় অনেক ফসল নষ্ট হয়েছে। শীত আসলেই দাম কমে যাবে।” আর মো. লিটন জানান, “রসুনের দাম সাময়িকভাবে বেড়েছে, নতুন সরবরাহ আসলেই দাম কমবে।”

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রভাব সাময়িক হলেও ক্রেতাদের পক্ষে ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। নতুন শীত মৌসুমের আগ পর্যন্ত দাম নিয়ন্ত্রণের কোনো সম্ভাবনা নেই।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


ডুমুরিয়ায় সবজির বাজার লাগামহীন, মাছ-মাংসের দামও ঊর্ধ্বমুখী

প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৫

featured Image

প্রায় দুই মাস ধরে ডুমুরিয়ার কাঁচাবাজারের দাম ঊর্ধ্বমুখী অবস্থায় রয়েছে। সবজি বিক্রি হচ্ছে কেজি ৮০ টাকার ওপরে, আবার দেশি টমেটো, চায়না গাজর, বেগুন, শসা ও পটলের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। বৃষ্টির অজুহাত, ঋতু পরিবর্তন এবং পণ্যের ঘাটতির কারণে বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণহীন অবস্থায় আছে।

বৃহস্পতিবার সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভারতীয় টমেটো কেজিতে ৮০ টাকা, দেশি টমেটো ১০০-১১০ টাকা, চায়না গাজর ১০০-১২০ টাকা, লম্বা বেগুন ৮০ টাকা, সাদা গোল বেগুন ৯০ টাকা এবং কালো গোল বেগুন ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শিম ৩৫ টাকা, দেশি শসা ৬০ টাকা, করল্লা ৭০ টাকা, দেশি পটল ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪৫ টাকা এবং কাঁচা মরিচ ১৬০ টাকায় কেনা যাচ্ছে।

দামের ওঠানামা দেখা গেছে রসুন ও আদাতেও। দেশি রসুন ১২০ টাকা, চায়না রসুন ১৮০ টাকা এবং চায়না আদা ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে; দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ৮৫ টাকা, ক্রস জাত পেঁয়াজ ৭৫-৮৫ টাকা। মাছ-মাংসের বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।

ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। মোতাহার হোসেন বলেন, “সবজির দাম যে আমাদের নাগালের বাইরে, কেউ তা দেখছে না। দিনের পর দিন দাম বাড়ছে, আমরা শুধু সহ্য করে যাচ্ছি।” মোস্তাফিজুর রহমান যোগ করেন, “আগের সরকারও পারলো না, বর্তমান সরকারও পারছে না। আমাদের মতো অল্প বেতনের মানুষই ভুক্তভোগী।”

বিক্রেতারা পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেছেন। নূরে আলম বলেন, “অসময়ে বেশি বৃষ্টি হওয়ায় অনেক ফসল নষ্ট হয়েছে। শীত আসলেই দাম কমে যাবে।” আর মো. লিটন জানান, “রসুনের দাম সাময়িকভাবে বেড়েছে, নতুন সরবরাহ আসলেই দাম কমবে।”

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রভাব সাময়িক হলেও ক্রেতাদের পক্ষে ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। নতুন শীত মৌসুমের আগ পর্যন্ত দাম নিয়ন্ত্রণের কোনো সম্ভাবনা নেই।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত