বগুড়ায় নিজ বাড়িতে বটি দিয়ে একটি বিড়ালের গলা কেটে হত্যা করার অভিযোগে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য মো. এমরান হোসেন (২৯)।
বুধবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে আদমদীঘি থানায় এ জিডি করেন তিনি।
এমরান হোসেন জানান, গত ৪ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দত্তবাড়ীয়া গুচ্ছগ্রাম এলাকায় এক নারী একটি বিড়ালকে জবাই করে ফেলে রাখার একটি ভিডিও দেখতে পান। বিষয়টি সংগঠনের নজরে আসার পর তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হন।
জিডিতে উল্লেখ করা হয়, নারীর নাম মোছাঃ বুলবুলি (২৬)। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি তার বাড়িতে একটি সাদা-কালো রংয়ের পুরুষ বিড়ালকে বটি দিয়ে গলা সম্পূর্ণ কেটে বুক চিরে ভুড়ি বের করে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করেন এবং পরে বাড়ির পাশে ধানক্ষেতে ফেলে দেন।
ঘটনার পর প্রতিবেশী মোছাঃ শামছুন্নাহার মিনা মৃত বিড়ালটি সংগ্রহ করে তার বাড়িতে সাদা ককশিটের ভেতর বরফ দিয়ে সংরক্ষণ করে রাখেন।
ঘটনার সাক্ষী হিসেবে জিডিতে নাম এসেছে—
১) মো. ইলিম (৬৫)
২) মো. আবু জাকের (৫৫)
৩) মোছাঃ শামছুন্নাহার মিনা (৪০)
এ ছাড়া আরও অনেকে ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়।
সংগঠনের নেতারা বলেন, কোনো প্রাণীকেই এভাবে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা মানবিকতার পরিপন্থী। এ ঘটনার আইনি তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দাবি জানানো হচ্ছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৫
বগুড়ায় নিজ বাড়িতে বটি দিয়ে একটি বিড়ালের গলা কেটে হত্যা করার অভিযোগে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য মো. এমরান হোসেন (২৯)।
বুধবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে আদমদীঘি থানায় এ জিডি করেন তিনি।
এমরান হোসেন জানান, গত ৪ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দত্তবাড়ীয়া গুচ্ছগ্রাম এলাকায় এক নারী একটি বিড়ালকে জবাই করে ফেলে রাখার একটি ভিডিও দেখতে পান। বিষয়টি সংগঠনের নজরে আসার পর তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হন।
জিডিতে উল্লেখ করা হয়, নারীর নাম মোছাঃ বুলবুলি (২৬)। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি তার বাড়িতে একটি সাদা-কালো রংয়ের পুরুষ বিড়ালকে বটি দিয়ে গলা সম্পূর্ণ কেটে বুক চিরে ভুড়ি বের করে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করেন এবং পরে বাড়ির পাশে ধানক্ষেতে ফেলে দেন।
ঘটনার পর প্রতিবেশী মোছাঃ শামছুন্নাহার মিনা মৃত বিড়ালটি সংগ্রহ করে তার বাড়িতে সাদা ককশিটের ভেতর বরফ দিয়ে সংরক্ষণ করে রাখেন।
ঘটনার সাক্ষী হিসেবে জিডিতে নাম এসেছে—
১) মো. ইলিম (৬৫)
২) মো. আবু জাকের (৫৫)
৩) মোছাঃ শামছুন্নাহার মিনা (৪০)
এ ছাড়া আরও অনেকে ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়।
সংগঠনের নেতারা বলেন, কোনো প্রাণীকেই এভাবে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা মানবিকতার পরিপন্থী। এ ঘটনার আইনি তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দাবি জানানো হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন