হামলাকারীরা সাংবাদিকদের ক্যামেরা ও মোবাইল ভাঙচুর করে। এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীরা তিন সাংবাদিককে একটি রুমে আটকে লাঠি, রড দিয়ে মারধর করে গুরুতর আহত করে। পরে তাদের উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
পুলিশ হামলাকারী কথিত বিএনপি নেতা শাহাদাত হোসেন (৬০) কে আটক করেছে। তিনি তোলারাম কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি আতা-ই-রাব্বির বাবা।
জাগো নিউজের সাংবাদিক মো. আকাশ জানান, এলাকার এক নারীর অভিযোগ ছিল—তার জমি দখলে রেখেছেন শাহাদাত ও তার ছেলে রাব্বি। ওই নারী বিষয়টি নিয়ে ফতুল্লা থানায় একাধিক জিডি করেছেন। এই অভিযোগের সত্যতা জানতে সাংবাদিকরা বিকেল ৪টার দিকে ঘটনাস্থলে গেলে শাহাদাতের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা অতর্কিত হামলা চালায়।
তিনি জানান, “এক পর্যায়ে আমাদের টেনে হিঁচড়ে রুমে আটকে লাঠি আর রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে। ক্যামেরা ভেঙে ফেলে, মোবাইলগুলোও ভাঙচুর করে।”
খবর পেয়ে পুলিশ এসে সাংবাদিকদের উদ্ধার করে।
ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন বলেন— অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৫
হামলাকারীরা সাংবাদিকদের ক্যামেরা ও মোবাইল ভাঙচুর করে। এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীরা তিন সাংবাদিককে একটি রুমে আটকে লাঠি, রড দিয়ে মারধর করে গুরুতর আহত করে। পরে তাদের উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
পুলিশ হামলাকারী কথিত বিএনপি নেতা শাহাদাত হোসেন (৬০) কে আটক করেছে। তিনি তোলারাম কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি আতা-ই-রাব্বির বাবা।
জাগো নিউজের সাংবাদিক মো. আকাশ জানান, এলাকার এক নারীর অভিযোগ ছিল—তার জমি দখলে রেখেছেন শাহাদাত ও তার ছেলে রাব্বি। ওই নারী বিষয়টি নিয়ে ফতুল্লা থানায় একাধিক জিডি করেছেন। এই অভিযোগের সত্যতা জানতে সাংবাদিকরা বিকেল ৪টার দিকে ঘটনাস্থলে গেলে শাহাদাতের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা অতর্কিত হামলা চালায়।
তিনি জানান, “এক পর্যায়ে আমাদের টেনে হিঁচড়ে রুমে আটকে লাঠি আর রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে। ক্যামেরা ভেঙে ফেলে, মোবাইলগুলোও ভাঙচুর করে।”
খবর পেয়ে পুলিশ এসে সাংবাদিকদের উদ্ধার করে।
ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন বলেন— অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে।

আপনার মতামত লিখুন