দেশের প্রচলিত আইন ও ধর্মীয় বিধান লঙ্ঘন করে বাবার রেখে যাওয়া পৈতৃক সম্পত্তি থেকে ভাই-বোনদের বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে আপন বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ছোট ভাই মোঃ নাজমুল হাছান কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার পূর্বধইর ইউনিয়নের কোরবানপুর এলাকায়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অত্র ইউনিয়ন ভূমি অফিসের আওতাধীন ৩০ নম্বর খোষঘর মৌজার বি.এস ৩০৮ খতিয়ানভুক্ত ভূমির মালিক ছিলেন আব্দুল হামিদ। তিনি ২০০৪ সালের ২০ জুন মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী সৈয়দ মাহমুদা খাতুন, চার ছেলে—মোঃ কামরুল হাসান, মোঃ নাজমুল হাছান, মোঃ বদরুল হাসান ও মোঃ ফকরুল হাসান কাওছার এবং চার মেয়ে—শামসুন নাহার, লুৎফুন নাহার, নুরুন্নাহার বেগম ও জান্নাতুন নাহারকে রেখে যান। তার মোট সম্পত্তি ছিল ১০ একর ৪৮ শতক।
ওয়ারিশ সূত্রে সম্পত্তি বণ্টনের উদ্দেশ্যে সকল ভাই-বোন স্থানীয় ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগাযোগ করেন। কিন্তু সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারেন যে বড় ভাই মোঃ কামরুল হাসান নাকি জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ওয়ারিশ সংখ্যা কম দেখিয়ে ১৯০২/২০১০-১১ ইং মোকদ্দমার আলোকে নিজ নামে ১৩৩৮ নম্বর খারিজা খতিয়ান ও ১৩৪৪ নম্বর জোত সৃজন করেছেন। এতে অন্য ওয়ারিশদের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
নাজমুল হাছান তার অভিযোগে উল্লেখ করেন, সম্পত্তি বণ্টননামা দলিল রেজিস্ট্রি না হওয়া পর্যন্ত খারিজা খতিয়ান সৃজন কার্যক্রম বন্ধ রাখা এবং কামরুল হাসানের নামে সৃষ্ট খারিজা জোত বাতিলের দাবি জানিয়ে তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান।
এদিকে, মৃত আব্দুল হামিদের কন্যারা জানান—তাদের বাবা স্থাবর-অস্থাবর উল্লেখযোগ্য সম্পদ রেখে গেছেন। বড় ভাই কামরুল হাসান বারবার প্রতিশ্রুতি দিলেও শেষ পর্যন্ত তাদের প্রাপ্য অংশ বুঝিয়ে দেননি। বরং ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে বিভিন্ন ছলচাতুরীর মাধ্যমে তাদের সম্পদ থেকে বঞ্চিত করেছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। প্রাপ্য অংশ চাইলে তাদের নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ার কথাও জানান বোনরা।
এ ছাড়া সম্প্রতি কুমিল্লা জেলা প্রশাসক বরাবর এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির আরেকটি অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ নভেম্বর ২০২৫
দেশের প্রচলিত আইন ও ধর্মীয় বিধান লঙ্ঘন করে বাবার রেখে যাওয়া পৈতৃক সম্পত্তি থেকে ভাই-বোনদের বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে আপন বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ছোট ভাই মোঃ নাজমুল হাছান কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার পূর্বধইর ইউনিয়নের কোরবানপুর এলাকায়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অত্র ইউনিয়ন ভূমি অফিসের আওতাধীন ৩০ নম্বর খোষঘর মৌজার বি.এস ৩০৮ খতিয়ানভুক্ত ভূমির মালিক ছিলেন আব্দুল হামিদ। তিনি ২০০৪ সালের ২০ জুন মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী সৈয়দ মাহমুদা খাতুন, চার ছেলে—মোঃ কামরুল হাসান, মোঃ নাজমুল হাছান, মোঃ বদরুল হাসান ও মোঃ ফকরুল হাসান কাওছার এবং চার মেয়ে—শামসুন নাহার, লুৎফুন নাহার, নুরুন্নাহার বেগম ও জান্নাতুন নাহারকে রেখে যান। তার মোট সম্পত্তি ছিল ১০ একর ৪৮ শতক।
ওয়ারিশ সূত্রে সম্পত্তি বণ্টনের উদ্দেশ্যে সকল ভাই-বোন স্থানীয় ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগাযোগ করেন। কিন্তু সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারেন যে বড় ভাই মোঃ কামরুল হাসান নাকি জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ওয়ারিশ সংখ্যা কম দেখিয়ে ১৯০২/২০১০-১১ ইং মোকদ্দমার আলোকে নিজ নামে ১৩৩৮ নম্বর খারিজা খতিয়ান ও ১৩৪৪ নম্বর জোত সৃজন করেছেন। এতে অন্য ওয়ারিশদের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
নাজমুল হাছান তার অভিযোগে উল্লেখ করেন, সম্পত্তি বণ্টননামা দলিল রেজিস্ট্রি না হওয়া পর্যন্ত খারিজা খতিয়ান সৃজন কার্যক্রম বন্ধ রাখা এবং কামরুল হাসানের নামে সৃষ্ট খারিজা জোত বাতিলের দাবি জানিয়ে তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান।
এদিকে, মৃত আব্দুল হামিদের কন্যারা জানান—তাদের বাবা স্থাবর-অস্থাবর উল্লেখযোগ্য সম্পদ রেখে গেছেন। বড় ভাই কামরুল হাসান বারবার প্রতিশ্রুতি দিলেও শেষ পর্যন্ত তাদের প্রাপ্য অংশ বুঝিয়ে দেননি। বরং ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে বিভিন্ন ছলচাতুরীর মাধ্যমে তাদের সম্পদ থেকে বঞ্চিত করেছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। প্রাপ্য অংশ চাইলে তাদের নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ার কথাও জানান বোনরা।
এ ছাড়া সম্প্রতি কুমিল্লা জেলা প্রশাসক বরাবর এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির আরেকটি অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন