খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার মাগুরখালীতে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় ভাইয়ের বন্ধু কর্তৃক বোনকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত যুবক ইভান মন্ডলকে (৩০) আটক করেছে পুলিশ। গত বুধবার (১২ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে মাগুরখালী ইউনিয়নের আলাদিপুরস্থ ভুক্তভোগীর পৈত্রিক বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে তুমুল বিতর্ক, যেখানে উভয় পক্ষের পক্ষ থেকে আসছে পরস্পরবিরোধী অভিযোগ।
ডুমুরিয়া থানা সূত্রে জানা গেছে, এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর পিতা সুভাষ সরকার বাদী হয়ে ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।
আটক হওয়ার পর অভিযুক্ত ইভান মন্ডল আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোউক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন।
ডুমুরিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাসুদ রানা জানান, আসামি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রমতে, মাগুরখালি গ্রামের ইভান মন্ডলের সাথে আলাদিপুর গ্রামের নবদ্বীপ সরকারের (ভুক্তভোগীর ভাই) দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ছিল। এই সুবাদে ইভানের বাড়িতে অবাধ যাতায়াত ছিল। অভিযোগ করা হয়েছে যে, বিয়ের প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে উভয়ের সম্মতিতে তাদের মধ্যে একসময় শারীরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
তবে আসামীর পরিবার ও স্থানীয়দের একটি অংশ এটিকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা বলে দাবি করেছেন।
আসামীর বাবা সুরেশ মন্ডল সহ পরিবারের লোকজনের দাবি, নবদ্বীপ সরকার ইভান মন্ডলের কাছ থেকে আনুমানিক ৫ লক্ষ টাকা ধার নিয়েছিলেন।
পাওনা টাকা ফেরত না দেওয়ার মানসে নবদ্বীপ সরকার পরিকল্পিতভাবে ইভানকে ফাঁসানোর জন্য ঘটনার দিন সন্ধ্যায় টাকা নিয়ে যেতে বলেন।
স্থানীয়রা (সুরেশ মন্ডল, বিধান মন্ডল, পলাশ বিশ্বাস, সাবেক ইউপি সদস্য প্রসাদ মন্ডল) অভিযোগ করেন যে, নবদ্বীপ সরকার ও তার বোন এই ধরনের কার্যকলাপের মাধ্যমে সমাজের ধনী ব্যক্তিদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে থাকেন। তারা দাবি করেন, ভিকটিম বিতর্কিত ব্যক্তি এবং পূর্বেও ৬-৮ জন পুরুষের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা নিয়েছে।
তারা ঘটনার সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
ভুক্তভোগীর ভাই নবদ্বীপ সরকার ইভান মন্ডলের সাথে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের কথা স্বীকার করলেও আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
ধর্ষণ এবং ঋণের জালে ফাঁসানোর এই পরস্পরবিরোধী অভিযোগের কারণে ঘটনাটি নতুন মোড় নিয়েছে। ঘটনার সঠিক তথ্য উদঘাটনের জন্য এখন পুলিশি তদন্ত এবং আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে আছে এলাকার সাধারণ মানুষ।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ নভেম্বর ২০২৫
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার মাগুরখালীতে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় ভাইয়ের বন্ধু কর্তৃক বোনকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত যুবক ইভান মন্ডলকে (৩০) আটক করেছে পুলিশ। গত বুধবার (১২ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে মাগুরখালী ইউনিয়নের আলাদিপুরস্থ ভুক্তভোগীর পৈত্রিক বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে তুমুল বিতর্ক, যেখানে উভয় পক্ষের পক্ষ থেকে আসছে পরস্পরবিরোধী অভিযোগ।
ডুমুরিয়া থানা সূত্রে জানা গেছে, এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর পিতা সুভাষ সরকার বাদী হয়ে ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।
আটক হওয়ার পর অভিযুক্ত ইভান মন্ডল আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোউক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন।
ডুমুরিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাসুদ রানা জানান, আসামি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রমতে, মাগুরখালি গ্রামের ইভান মন্ডলের সাথে আলাদিপুর গ্রামের নবদ্বীপ সরকারের (ভুক্তভোগীর ভাই) দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ছিল। এই সুবাদে ইভানের বাড়িতে অবাধ যাতায়াত ছিল। অভিযোগ করা হয়েছে যে, বিয়ের প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে উভয়ের সম্মতিতে তাদের মধ্যে একসময় শারীরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
তবে আসামীর পরিবার ও স্থানীয়দের একটি অংশ এটিকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা বলে দাবি করেছেন।
আসামীর বাবা সুরেশ মন্ডল সহ পরিবারের লোকজনের দাবি, নবদ্বীপ সরকার ইভান মন্ডলের কাছ থেকে আনুমানিক ৫ লক্ষ টাকা ধার নিয়েছিলেন।
পাওনা টাকা ফেরত না দেওয়ার মানসে নবদ্বীপ সরকার পরিকল্পিতভাবে ইভানকে ফাঁসানোর জন্য ঘটনার দিন সন্ধ্যায় টাকা নিয়ে যেতে বলেন।
স্থানীয়রা (সুরেশ মন্ডল, বিধান মন্ডল, পলাশ বিশ্বাস, সাবেক ইউপি সদস্য প্রসাদ মন্ডল) অভিযোগ করেন যে, নবদ্বীপ সরকার ও তার বোন এই ধরনের কার্যকলাপের মাধ্যমে সমাজের ধনী ব্যক্তিদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে থাকেন। তারা দাবি করেন, ভিকটিম বিতর্কিত ব্যক্তি এবং পূর্বেও ৬-৮ জন পুরুষের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা নিয়েছে।
তারা ঘটনার সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
ভুক্তভোগীর ভাই নবদ্বীপ সরকার ইভান মন্ডলের সাথে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের কথা স্বীকার করলেও আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
ধর্ষণ এবং ঋণের জালে ফাঁসানোর এই পরস্পরবিরোধী অভিযোগের কারণে ঘটনাটি নতুন মোড় নিয়েছে। ঘটনার সঠিক তথ্য উদঘাটনের জন্য এখন পুলিশি তদন্ত এবং আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে আছে এলাকার সাধারণ মানুষ।

আপনার মতামত লিখুন