ঢাকার ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তা সামাজিক ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ণের শিকার
আরিফুল ইসলাম রানা:
ঢাকার ট্রাফিক উত্তরা বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক (ট্রাফিক ইন্সপেক্টর—টিআই) জলিলের বিরুদ্ধে তাঁর স্ত্রী আছিয়া খাতুন ঝিনুক ওরফে মায়া মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে থানায় মামলা করেছেন। অভিযোগে কোনো প্রমাণ না থাকায় এটি সামাজিকভাবে টিআই জলিলকে হেয়প্রতিপন্ন করা এবং পেশাগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, আছিয়া খাতুন ঝিনুকের এটি দ্বিতীয় বিয়ে। প্রথম স্বামীর সঙ্গেও বিভিন্ন হয়রানি ও দ্বন্দ্বের কারণে তাঁর বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। বর্তমান স্বামী টিআই জলিলের কাছেও তিনি কিছুদিন ধরে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে মোটা অংকের অর্থ দাবি করে আসছিলেন। কিন্তু টিআই জলিল সেই অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে দাম্পত্য জীবনে বিরোধ বাড়ে এবং সেই বিরোধের জের ধরেই থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা যায়।
সরজমিনে স্থানীয় সূত্র ও সহকর্মীরা জানান, টিআই জলিল দীর্ঘদিন ধরে সততা, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আনা “নির্যাতন” বা “যৌতুক দাবি” সংক্রান্ত অভিযোগের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। অভিযোগপত্রে অসংগতি রয়েছে; নেই কোনো চিকিৎসা রিপোর্ট, আঘাতের প্রমাণ বা স্বাধীন সাক্ষী। তবুও বিষয়টিকে সত্য মনে করানোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ।
এক প্রতিক্রিয়ায় টিআই জলিল বলেন,
“আমি কখনোই আমার স্ত্রীকে নির্যাতন করিনি বা যৌতুক দাবি করিনি। আলহামদুলিল্লাহ, আমি স্বচ্ছল। বরং দীর্ঘদিন ধরে আমার ওপর আর্থিক চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছিল। টাকা না দিলে আমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করত। মাঝে মাঝে হুমকি দিত যে আমার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন বা যৌতুক মামলা করবে। আমার মা ও দুই সন্তানকে সে বাসায় স্থান দিত না। তাই বাধ্য হয়ে ১৫ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে মুসলিম পারিবারিক আইন ১৯৬১-এর ৭(১) বিধান অনুযায়ী তালাকের নোটিশ প্রদান করেছি। এই কারণেই আমাকে হেয় করার উদ্দেশ্যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।”
এদিকে গোপন সূত্রে জানা গেছে, আছিয়া খাতুন ঝিনুক কয়েকজন অনলাইন নিউজকর্মীকে অর্থ দিয়ে টিআই জলিলের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করিয়েছেন। এসব সংবাদ কোনো যাচাই-বাছাই বা সত্যনির্ভর তথ্য ছাড়া প্রকাশিত হয়েছে।
আইনজীবীরা বলছেন, মিথ্যা মামলা ও অপপ্রচারের মাধ্যমে কারো ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম নষ্ট করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের ভুয়া সংবাদ প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ নভেম্বর ২০২৫
ঢাকার ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তা সামাজিক ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ণের শিকার
আরিফুল ইসলাম রানা:
ঢাকার ট্রাফিক উত্তরা বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক (ট্রাফিক ইন্সপেক্টর—টিআই) জলিলের বিরুদ্ধে তাঁর স্ত্রী আছিয়া খাতুন ঝিনুক ওরফে মায়া মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে থানায় মামলা করেছেন। অভিযোগে কোনো প্রমাণ না থাকায় এটি সামাজিকভাবে টিআই জলিলকে হেয়প্রতিপন্ন করা এবং পেশাগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, আছিয়া খাতুন ঝিনুকের এটি দ্বিতীয় বিয়ে। প্রথম স্বামীর সঙ্গেও বিভিন্ন হয়রানি ও দ্বন্দ্বের কারণে তাঁর বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। বর্তমান স্বামী টিআই জলিলের কাছেও তিনি কিছুদিন ধরে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে মোটা অংকের অর্থ দাবি করে আসছিলেন। কিন্তু টিআই জলিল সেই অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে দাম্পত্য জীবনে বিরোধ বাড়ে এবং সেই বিরোধের জের ধরেই থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা যায়।
সরজমিনে স্থানীয় সূত্র ও সহকর্মীরা জানান, টিআই জলিল দীর্ঘদিন ধরে সততা, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আনা “নির্যাতন” বা “যৌতুক দাবি” সংক্রান্ত অভিযোগের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। অভিযোগপত্রে অসংগতি রয়েছে; নেই কোনো চিকিৎসা রিপোর্ট, আঘাতের প্রমাণ বা স্বাধীন সাক্ষী। তবুও বিষয়টিকে সত্য মনে করানোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ।
এক প্রতিক্রিয়ায় টিআই জলিল বলেন,
“আমি কখনোই আমার স্ত্রীকে নির্যাতন করিনি বা যৌতুক দাবি করিনি। আলহামদুলিল্লাহ, আমি স্বচ্ছল। বরং দীর্ঘদিন ধরে আমার ওপর আর্থিক চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছিল। টাকা না দিলে আমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করত। মাঝে মাঝে হুমকি দিত যে আমার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন বা যৌতুক মামলা করবে। আমার মা ও দুই সন্তানকে সে বাসায় স্থান দিত না। তাই বাধ্য হয়ে ১৫ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে মুসলিম পারিবারিক আইন ১৯৬১-এর ৭(১) বিধান অনুযায়ী তালাকের নোটিশ প্রদান করেছি। এই কারণেই আমাকে হেয় করার উদ্দেশ্যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।”
এদিকে গোপন সূত্রে জানা গেছে, আছিয়া খাতুন ঝিনুক কয়েকজন অনলাইন নিউজকর্মীকে অর্থ দিয়ে টিআই জলিলের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করিয়েছেন। এসব সংবাদ কোনো যাচাই-বাছাই বা সত্যনির্ভর তথ্য ছাড়া প্রকাশিত হয়েছে।
আইনজীবীরা বলছেন, মিথ্যা মামলা ও অপপ্রচারের মাধ্যমে কারো ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম নষ্ট করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের ভুয়া সংবাদ প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন