মুকসুদপুরে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার
জেলার খবর
ঢাকা বিভাগ, গোপালগঞ্জ, মুকসুদপুর
এ যেনো সিনেমার গল্পকেও হার মানায়...
বিশেষ প্রতিনিধি- মো: ছিরু মিয়া
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় বস্তাবন্দি অবস্থায় এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (৩০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গোবিন্দপুর ইউনিয়নের লতিফপুর গ্রামের বাড়ির পূর্ব পাশের একটি জলাশয় থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত গৃহবধূ ইতি বেগমের বয়স ২০ বছর এবং তিনি চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ নভেম্বর থেকে ইতি বেগম নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী রাসেল শেখ মুকসুদপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর চার দিন অতিবাহিত হলে স্থানীয়রা জলাশয়ে ভাসমান বস্তা দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তা থেকে ইতি বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে।
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে উদ্ধার অভিযান পরিচালিত হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন এসআই মোবারক হোসেন। পরবর্তীতে মুকসুদপুর থানার ওসি মোস্তফা কামাল, তদন্ত কর্মকর্তা শীতল চন্দ্র পাল এবং সার্কেল নাফিছুর রহমান ঘটনাস্থলে এসে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেন।
স্থানীয়দের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত ও নির্মম হত্যাকাণ্ড। তারা দ্রুত ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে স্বামী রাসেল পলাতক থাকায় তাঁকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
বিষয়: অপরাধ
মুকসুদপুরে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার
প্রকাশের তারিখ : ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
জেলার খবর
ঢাকা বিভাগ, গোপালগঞ্জ, মুকসুদপুর
এ যেনো সিনেমার গল্পকেও হার মানায়...
বিশেষ প্রতিনিধি- মো: ছিরু মিয়া
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় বস্তাবন্দি অবস্থায় এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (৩০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গোবিন্দপুর ইউনিয়নের লতিফপুর গ্রামের বাড়ির পূর্ব পাশের একটি জলাশয় থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত গৃহবধূ ইতি বেগমের বয়স ২০ বছর এবং তিনি চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ নভেম্বর থেকে ইতি বেগম নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী রাসেল শেখ মুকসুদপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর চার দিন অতিবাহিত হলে স্থানীয়রা জলাশয়ে ভাসমান বস্তা দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তা থেকে ইতি বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে।
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে উদ্ধার অভিযান পরিচালিত হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন এসআই মোবারক হোসেন। পরবর্তীতে মুকসুদপুর থানার ওসি মোস্তফা কামাল, তদন্ত কর্মকর্তা শীতল চন্দ্র পাল এবং সার্কেল নাফিছুর রহমান ঘটনাস্থলে এসে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেন।
স্থানীয়দের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত ও নির্মম হত্যাকাণ্ড। তারা দ্রুত ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে স্বামী রাসেল পলাতক থাকায় তাঁকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
বিষয়: অপরাধ
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন