তবে সম্প্রতি এক রাইডে তিনি ঘাম-মাটি দিয়ে উপার্জিত ১,২০০ টাকা হারান। যাত্রী দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করিয়ে শেষ পর্যন্ত রওনা দেননি। চালক বলেন, এটি তার সারাদিনের আয় ছিল, যা হারানোর পরে হতাশা ও দুঃখ অনুভব করেছেন।
চালক আরও জানান, তার ৬ বছরের মেয়ে নিজের সঞ্চয় থেকে ২০০ টাকা দিয়েছিল বাইকে তেল ভরার জন্য। এই অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তিনি মানুষের সতর্কতা এবং দায়বদ্ধতার উপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
লেখাটি হুবহু দেয়া হলো-পেটের দায়ে রাইড শেয়ার করি। এ্যাপে এখন আর তেমন একটা রিকুয়েস্ট পাওয়া যায় না। তাই মাঝে মধ্যে কন্ট্রাকেও রাইড শেয়ার করি। আর এই রাইড শেয়ার করেই অল্প কিছু টাকা আয় করি, দিন আনি দিন খাই। কিন্তু রক্ত পানি করা রাইডের টাকা মানুষ মে'রে দেয়, মালিবাগ থেকে একটা ভাড়া নিছি কন্ট্রাকে যাত্রী যাবে টঙ্গী আবার ব্যাক আসবে আমি চাইলাম ১২০০ টাকা উনি রাজি হইলো। যাত্রীকে নিয়ে গেলাম সুন্দর কথা বলতে বলতে গেলাম, উনি উনার কাজে গেলো ১ ঘন্টা পরে আসলো। আমি আবার গাড়ি নিয়ে ব্যাক আসছি, নিকুঞ্জ এসে বলে, "আমার মা অসুস্থ মালিবাগ হাসপাতালে ভর্তি, এখানে আমার ছোট ভাই থাকে খাবার দোকানে আমি মার জন্য কিছু খাবার নিয়া আসছি, তুমি ১০ মিনিট দাড়াও, সেই যে গেলো, আমি ঠিক একই জায়গায় ২ ঘন্টা অসহায়ের মতো দাঁড়িয়ে থাকলাম। লোকটা আর আসলো না, ১২০০ টাকা কিন্তু বড় কথা না। কিন্তু এই টাকাটা আমার সারাদিনের কামাই ছিলো। তাও খারাপ লাগতো না, আমার ঘরে কোন টাকা ছিলো না, আমার ৬ বছর মেয়ে ১০ টাকা ২০ টাকা করে ২০০ টাকা জমাইছে, আমার বাইকে তেল ছিলোনা, মেয়ে জমানো চক চকে ২০০ টাকা নিয়ে আমি বাইকে তেল ভরেছি। আমার চোখ দিয়া শুধু অঝোরে পানি পড়লো আর চিন্তা হলো মেয়ে সামনে কিভাবে দাড়াবো! তাকে বলে আসছি রাতে এসে তোমাকে ৩০০ টাকা দিবো।
চালক আরও জানান, তার ঘরে কোনো টাকা ছিল না। ৬ বছরের মেয়ে নিজের সঞ্চয় থেকে ২০০ টাকা জমিয়ে দিয়েছিল, যা দিয়ে তিনি বাইকে তেল ভরেছেন। এই অভিজ্ঞতা সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে তিনি বলেন, কঠিন সময়ে পরিবারের প্রতি দায়বদ্ধতা বজায় রাখাই তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ঘটনাটি BikeBD গ্রুপে শেয়ার করেছেন বাইক রাইডার আমির, যা রাইড শেয়ারিং এবং মানুষের প্রতিশ্রুতি নিয়ে সচেতনতার আহ্বান হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫
তবে সম্প্রতি এক রাইডে তিনি ঘাম-মাটি দিয়ে উপার্জিত ১,২০০ টাকা হারান। যাত্রী দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করিয়ে শেষ পর্যন্ত রওনা দেননি। চালক বলেন, এটি তার সারাদিনের আয় ছিল, যা হারানোর পরে হতাশা ও দুঃখ অনুভব করেছেন।
চালক আরও জানান, তার ৬ বছরের মেয়ে নিজের সঞ্চয় থেকে ২০০ টাকা দিয়েছিল বাইকে তেল ভরার জন্য। এই অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তিনি মানুষের সতর্কতা এবং দায়বদ্ধতার উপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
লেখাটি হুবহু দেয়া হলো-পেটের দায়ে রাইড শেয়ার করি। এ্যাপে এখন আর তেমন একটা রিকুয়েস্ট পাওয়া যায় না। তাই মাঝে মধ্যে কন্ট্রাকেও রাইড শেয়ার করি। আর এই রাইড শেয়ার করেই অল্প কিছু টাকা আয় করি, দিন আনি দিন খাই। কিন্তু রক্ত পানি করা রাইডের টাকা মানুষ মে'রে দেয়, মালিবাগ থেকে একটা ভাড়া নিছি কন্ট্রাকে যাত্রী যাবে টঙ্গী আবার ব্যাক আসবে আমি চাইলাম ১২০০ টাকা উনি রাজি হইলো। যাত্রীকে নিয়ে গেলাম সুন্দর কথা বলতে বলতে গেলাম, উনি উনার কাজে গেলো ১ ঘন্টা পরে আসলো। আমি আবার গাড়ি নিয়ে ব্যাক আসছি, নিকুঞ্জ এসে বলে, "আমার মা অসুস্থ মালিবাগ হাসপাতালে ভর্তি, এখানে আমার ছোট ভাই থাকে খাবার দোকানে আমি মার জন্য কিছু খাবার নিয়া আসছি, তুমি ১০ মিনিট দাড়াও, সেই যে গেলো, আমি ঠিক একই জায়গায় ২ ঘন্টা অসহায়ের মতো দাঁড়িয়ে থাকলাম। লোকটা আর আসলো না, ১২০০ টাকা কিন্তু বড় কথা না। কিন্তু এই টাকাটা আমার সারাদিনের কামাই ছিলো। তাও খারাপ লাগতো না, আমার ঘরে কোন টাকা ছিলো না, আমার ৬ বছর মেয়ে ১০ টাকা ২০ টাকা করে ২০০ টাকা জমাইছে, আমার বাইকে তেল ছিলোনা, মেয়ে জমানো চক চকে ২০০ টাকা নিয়ে আমি বাইকে তেল ভরেছি। আমার চোখ দিয়া শুধু অঝোরে পানি পড়লো আর চিন্তা হলো মেয়ে সামনে কিভাবে দাড়াবো! তাকে বলে আসছি রাতে এসে তোমাকে ৩০০ টাকা দিবো।
চালক আরও জানান, তার ঘরে কোনো টাকা ছিল না। ৬ বছরের মেয়ে নিজের সঞ্চয় থেকে ২০০ টাকা জমিয়ে দিয়েছিল, যা দিয়ে তিনি বাইকে তেল ভরেছেন। এই অভিজ্ঞতা সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে তিনি বলেন, কঠিন সময়ে পরিবারের প্রতি দায়বদ্ধতা বজায় রাখাই তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ঘটনাটি BikeBD গ্রুপে শেয়ার করেছেন বাইক রাইডার আমির, যা রাইড শেয়ারিং এবং মানুষের প্রতিশ্রুতি নিয়ে সচেতনতার আহ্বান হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন