এর আগে, গত ৩০ নভেম্বর সন্ধ্যায় মুকসুদপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের লতিফপুর গ্রামে বাড়ির পূর্ব পাশের একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ইতি বেগমের মরদেহ। স্থানীয়দের দেওয়া খবর পেয়ে মুকসুদপুর থানার ওসি মোস্তফা কামাল, তদন্ত কর্মকর্তা শীতল চন্দ্র পাল, এসআই মোবারক হোসেন এবং ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মেহেদী হাসান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশ উদ্ধার করেন এবং প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেন।
সংশ্লিষ্ট খবর পড়ুন: মুকসুদপুরে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার
স্থানীয়রা জানান, ইতি বেগম তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন এবং তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে তাদের ধারণা। ঘটনার আগে ২৬ নভেম্বর স্বামী রাসেল শেখ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে দাবি করেন, স্ত্রী নিখোঁজ। কিন্তু চার দিন পর তারই বাড়ির পাশের পুকুর থেকে বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধারের ঘটনায় সন্দেহ আরও বেড়ে যায়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ঢাকার সাভারে কাজ করার সময় রাসেল শেখের সঙ্গে জামালপুরের ইতি বেগমের পরিচয় হয়। তিন বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। হত্যাকাণ্ডের সময় ইতি তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া রাসেল শেখকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং মামলাটিকে অগ্রাধিকার দিয়ে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তদন্তসংশ্লিষ্টদের মতে, রাসেল শেখের গ্রেফতার মামলার রহস্য উদ্ঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এনে দেবে।
বিষয়: অপরাধ 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫
এর আগে, গত ৩০ নভেম্বর সন্ধ্যায় মুকসুদপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের লতিফপুর গ্রামে বাড়ির পূর্ব পাশের একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ইতি বেগমের মরদেহ। স্থানীয়দের দেওয়া খবর পেয়ে মুকসুদপুর থানার ওসি মোস্তফা কামাল, তদন্ত কর্মকর্তা শীতল চন্দ্র পাল, এসআই মোবারক হোসেন এবং ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মেহেদী হাসান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশ উদ্ধার করেন এবং প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেন।
সংশ্লিষ্ট খবর পড়ুন: মুকসুদপুরে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার
স্থানীয়রা জানান, ইতি বেগম তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন এবং তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে তাদের ধারণা। ঘটনার আগে ২৬ নভেম্বর স্বামী রাসেল শেখ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে দাবি করেন, স্ত্রী নিখোঁজ। কিন্তু চার দিন পর তারই বাড়ির পাশের পুকুর থেকে বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধারের ঘটনায় সন্দেহ আরও বেড়ে যায়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ঢাকার সাভারে কাজ করার সময় রাসেল শেখের সঙ্গে জামালপুরের ইতি বেগমের পরিচয় হয়। তিন বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। হত্যাকাণ্ডের সময় ইতি তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া রাসেল শেখকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং মামলাটিকে অগ্রাধিকার দিয়ে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তদন্তসংশ্লিষ্টদের মতে, রাসেল শেখের গ্রেফতার মামলার রহস্য উদ্ঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এনে দেবে।
বিষয়: অপরাধ 
আপনার মতামত লিখুন