স্থানীয়দের অভিযোগ, ৭০ ফুট প্রস্থের সড়কের ৩৮ ফুট দখল করে সারি সারি দোকানঘর নির্মাণ করেছে জেলা পরিষদ। প্রতিটি দোকান ৮–১০ লাখ টাকায় ইজারা দিয়ে ৭ কোটি টাকার বেশি হাতিয়ে নিয়েছেন পরিষদের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী। অথচ জেলা পরিষদে জমা হয়েছে মাত্র সামান্য ইজারা, আয়কর ও ভ্যাটের টাকা।
তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে সড়ক সম্প্রসারণের কথা বলে পুরোনো স্থাপনা উচ্ছেদ করে জেলা পরিষদ। কিন্তু সড়ক প্রশস্ত না করে পরের বছর (২০২২) আবার নতুন করে দোকানঘর নির্মাণ শুরু করে এবং পুনরায় ইজারা প্রদান করে। বাধা দিতে গেলে ব্যবসায়ীদের হয়রানির অভিযোগও উঠে।
ব্যবসায়ী পার্থ কুমার কুণ্ডুর অভিযোগের ভিত্তিতে মানবাধিকার কমিশন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে তদন্তের নির্দেশ দেয়। তদন্তে দেখা যায়, ৭০ ফুট সড়কের মাত্র ৩২ ফুট ব্যবহৃত হচ্ছে; বাকি অংশ অবৈধভাবে দোকানঘর নির্মাণে দখল হয়ে আছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়—
সড়কটি ‘জনসাধারণের ব্যবহার্য রাস্তা’ হিসেবে রেকর্ডভুক্ত
জেলা পরিষদ জনস্বার্থ যাচাই ছাড়াই নতুন দোকান নির্মাণ ও ইজারা দিয়েছে
পরিষদ বিধিমালার ১০(২)(১) অনুযায়ী এমন জমি হস্তান্তর বা দখল প্রদান নিষিদ্ধ
রিটের রায়ে আদালত নির্দেশ দেয়—
তিন মাসের মধ্যে সব ধরনের অননুমোদিত স্থাপনা, দোকান, অস্থায়ী কাঠামো অপসারণ করতে হবে
সড়কের মূল প্রস্থ ৭০ ফুট পুনরুদ্ধার করতে হবে
ভারী ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন পরিবহনের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে হবে
ভবিষ্যতে রাস্তার ধারের জমিতে জেলা পরিষদ কোনো ইজারা বা অনুমতি দিতে পারবে না
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সড়ক অবমুক্ত হলে যানবাহন চলাচল সহজ হবে এবং ব্যবসায়ীদেরও সুবিধা হবে। তবে রায় বাস্তবায়নে এক মাসেও কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ না থাকায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
জানতে চাইলে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও খুলনা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) হুসাইন শওকাত বলেন—
“চুকনগর বাজারের যতিন-কাশিম সড়কসংক্রান্ত রিটের রায় উচ্চ আদালত দিয়েছে। আমরা জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবো। আপিলে রায় বহাল থাকলে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
স্থানীয়দের অভিযোগ, ৭০ ফুট প্রস্থের সড়কের ৩৮ ফুট দখল করে সারি সারি দোকানঘর নির্মাণ করেছে জেলা পরিষদ। প্রতিটি দোকান ৮–১০ লাখ টাকায় ইজারা দিয়ে ৭ কোটি টাকার বেশি হাতিয়ে নিয়েছেন পরিষদের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী। অথচ জেলা পরিষদে জমা হয়েছে মাত্র সামান্য ইজারা, আয়কর ও ভ্যাটের টাকা।
তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে সড়ক সম্প্রসারণের কথা বলে পুরোনো স্থাপনা উচ্ছেদ করে জেলা পরিষদ। কিন্তু সড়ক প্রশস্ত না করে পরের বছর (২০২২) আবার নতুন করে দোকানঘর নির্মাণ শুরু করে এবং পুনরায় ইজারা প্রদান করে। বাধা দিতে গেলে ব্যবসায়ীদের হয়রানির অভিযোগও উঠে।
ব্যবসায়ী পার্থ কুমার কুণ্ডুর অভিযোগের ভিত্তিতে মানবাধিকার কমিশন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে তদন্তের নির্দেশ দেয়। তদন্তে দেখা যায়, ৭০ ফুট সড়কের মাত্র ৩২ ফুট ব্যবহৃত হচ্ছে; বাকি অংশ অবৈধভাবে দোকানঘর নির্মাণে দখল হয়ে আছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়—
সড়কটি ‘জনসাধারণের ব্যবহার্য রাস্তা’ হিসেবে রেকর্ডভুক্ত
জেলা পরিষদ জনস্বার্থ যাচাই ছাড়াই নতুন দোকান নির্মাণ ও ইজারা দিয়েছে
পরিষদ বিধিমালার ১০(২)(১) অনুযায়ী এমন জমি হস্তান্তর বা দখল প্রদান নিষিদ্ধ
রিটের রায়ে আদালত নির্দেশ দেয়—
তিন মাসের মধ্যে সব ধরনের অননুমোদিত স্থাপনা, দোকান, অস্থায়ী কাঠামো অপসারণ করতে হবে
সড়কের মূল প্রস্থ ৭০ ফুট পুনরুদ্ধার করতে হবে
ভারী ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন পরিবহনের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে হবে
ভবিষ্যতে রাস্তার ধারের জমিতে জেলা পরিষদ কোনো ইজারা বা অনুমতি দিতে পারবে না
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সড়ক অবমুক্ত হলে যানবাহন চলাচল সহজ হবে এবং ব্যবসায়ীদেরও সুবিধা হবে। তবে রায় বাস্তবায়নে এক মাসেও কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ না থাকায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
জানতে চাইলে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও খুলনা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) হুসাইন শওকাত বলেন—
“চুকনগর বাজারের যতিন-কাশিম সড়কসংক্রান্ত রিটের রায় উচ্চ আদালত দিয়েছে। আমরা জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবো। আপিলে রায় বহাল থাকলে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।”

আপনার মতামত লিখুন