বিজ্ঞাপন[/caption]
আরোও পড়ুন: ওসমান হাদীর ওপর হামলার প্রতিবাদে জয়পুরহাটে শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরদিনই রাজধানীতে দিনের বেলায় সম্ভাব্য এক প্রার্থীর ওপর গুলির ঘটনায় নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর মতে, এ ধরনের ঘটনা নির্বাচনের সামগ্রিক নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে ফেলছে। তারা বলছে, কেউ যেন সহিংসতা সৃষ্টি করে নির্বাচন প্রক্রিয়া ব্যাহত করতে না পারে—তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকার ও নির্বাচন কমিশনের।
আরোও পড়ুন: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হাদী গুলিবিদ্ধ: জয়পুরহাটে এনসিপির মশাল মিছিল
রাজনৈতিক দলগুলোর ভাষ্য, ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদিকে যেভাবে প্রকাশ্যে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে গুলি করা হয়েছে, তা কোনোভাবেই স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তাদের মতে, এ হামলা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য একটি অশনিসংকেত। এতে নির্বাচনী পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে পড়তে পারে।
[caption id="attachment_17330" align="aligncenter" width="300"]
বিজ্ঞাপন[/caption]
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রগুলো জানায়, জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জনসংযোগ চলাকালে চট্টগ্রাম ও পাবনায়ও গুলির ঘটনা ঘটেছে। তবে ওসমান হাদির ওপর হামলার ধরন ও প্রেক্ষাপট ভিন্ন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত ৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও-বায়েজিদ) আসনে গণসংযোগকালে বিএনপি-মনোনীত প্রার্থী ও দলটির মহানগর আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ গুলিবিদ্ধ হন। ওই ঘটনায় একজন নিহত হন এবং আরও দুজন আহত হন। পরে ২৭ নভেম্বর পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনে জামায়াতের প্রার্থী ও জেলা আমির আবু তালেব মণ্ডলের জনসংযোগকে কেন্দ্র করে হামলা, গুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে, চট্টগ্রাম ও পাবনার ঘটনাগুলোর পেছনে স্থানীয় রাজনীতি, অপরাধজগতের দ্বন্দ্বসহ নানা হিসাব-নিকাশ জড়িত থাকতে পারে। তবে ওসমান হাদির ওপর গুলির ঘটনাটি নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার একটি সুপরিকল্পিত চেষ্টা হতে পারে বলে ধারণা করছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।
[caption id="attachment_17228" align="aligncenter" width="300"]
বিজ্ঞাপন[/caption]
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন একাধিক কর্মকর্তা নজরবিডিকে জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরেই একটি পক্ষ নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দিয়ে আসছিল। তারা নির্বাচনে অংশ না নিলে ভোট প্রতিহত করার ঘোষণাও দিয়েছিল। কর্মকর্তাদের মতে, সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই এই হামলার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
বিজ্ঞাপন[/caption]
আরোও পড়ুন: ওসমান হাদীর ওপর হামলার প্রতিবাদে জয়পুরহাটে শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরদিনই রাজধানীতে দিনের বেলায় সম্ভাব্য এক প্রার্থীর ওপর গুলির ঘটনায় নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর মতে, এ ধরনের ঘটনা নির্বাচনের সামগ্রিক নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে ফেলছে। তারা বলছে, কেউ যেন সহিংসতা সৃষ্টি করে নির্বাচন প্রক্রিয়া ব্যাহত করতে না পারে—তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকার ও নির্বাচন কমিশনের।
আরোও পড়ুন: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হাদী গুলিবিদ্ধ: জয়পুরহাটে এনসিপির মশাল মিছিল
রাজনৈতিক দলগুলোর ভাষ্য, ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদিকে যেভাবে প্রকাশ্যে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে গুলি করা হয়েছে, তা কোনোভাবেই স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তাদের মতে, এ হামলা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য একটি অশনিসংকেত। এতে নির্বাচনী পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে পড়তে পারে।
[caption id="attachment_17330" align="aligncenter" width="300"]
বিজ্ঞাপন[/caption]
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রগুলো জানায়, জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জনসংযোগ চলাকালে চট্টগ্রাম ও পাবনায়ও গুলির ঘটনা ঘটেছে। তবে ওসমান হাদির ওপর হামলার ধরন ও প্রেক্ষাপট ভিন্ন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত ৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও-বায়েজিদ) আসনে গণসংযোগকালে বিএনপি-মনোনীত প্রার্থী ও দলটির মহানগর আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ গুলিবিদ্ধ হন। ওই ঘটনায় একজন নিহত হন এবং আরও দুজন আহত হন। পরে ২৭ নভেম্বর পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনে জামায়াতের প্রার্থী ও জেলা আমির আবু তালেব মণ্ডলের জনসংযোগকে কেন্দ্র করে হামলা, গুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে, চট্টগ্রাম ও পাবনার ঘটনাগুলোর পেছনে স্থানীয় রাজনীতি, অপরাধজগতের দ্বন্দ্বসহ নানা হিসাব-নিকাশ জড়িত থাকতে পারে। তবে ওসমান হাদির ওপর গুলির ঘটনাটি নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার একটি সুপরিকল্পিত চেষ্টা হতে পারে বলে ধারণা করছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।
[caption id="attachment_17228" align="aligncenter" width="300"]
বিজ্ঞাপন[/caption]
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন একাধিক কর্মকর্তা নজরবিডিকে জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরেই একটি পক্ষ নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দিয়ে আসছিল। তারা নির্বাচনে অংশ না নিলে ভোট প্রতিহত করার ঘোষণাও দিয়েছিল। কর্মকর্তাদের মতে, সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই এই হামলার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। 
আপনার মতামত লিখুন