এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রকাশ্য সেবন ও কেনাবেচা এখন আর গোপন নয়, বরং ‘ওপেন সিক্রেট’। একসময় শান্তিপূর্ণ নিকুঞ্জ আজ মাদকের সহজলভ্যতায় ধ্বংসের পথে ঠেলে দিয়েছে এলাকার কিশোর ও তরুণ প্রজন্মকে। নেশার জালে আটকে যাচ্ছে সম্ভাবনাময় জীবন, ভেঙে পড়ছে পরিবার, এবং সমাজে বাড়ছে অপরাধের ভয়াবহতা।
নিকুঞ্জের টানপাড়া, জামতলা, পশ্চিমপাড়া, সরকারবাড়ি ও পুরাতন বাজার এলাকায় মাদকসেবীদের অবাধ বিচরণ এখন নিত্যদিনের চিত্র। চুরি, ছিনতাই, কিশোর গ্যাংসহ অধিকাংশ অপরাধের পেছনে মাদকের হাত। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অন্তত এক ডজন স্থানে প্রকাশ্যে মাদক কেনাবেচা ও সেবন হচ্ছে। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে এই অবৈধ ব্যবসার বিস্তার কয়েকগুণ বেড়ে গেছে।

তদন্তে উঠে এসেছে, কিছু মাদক কারবারি রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে নিজেদের আড়াল করছে। যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের নাম ভাঙিয়ে মাদক বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এছাড়া স্থানীয় পরিচিত নাম—নবী হোসেন, সবুজ, কাঠমিস্ত্রি রিপন, খোরশেদ, আসিফ ও মানিক—দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসায় জড়িত বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। সামাজিক প্রতিবাদ ও থানা পুলিশের উদ্যোগ থাকলেও কার্যকর কোনো ফল দেখা যায়নি।
বর্তমান পরিস্থিতিতে এলাকাবাসী দাবি করছে—নিকুঞ্জে মাদক ব্যবসায়ীদের উৎপাত বন্ধ করতে এখনই বিশেষ ও ধারাবাহিক অভিযান চালাতে হবে। প্রয়োজন নিয়মিত টহল, গোপন নজরদারি ও যুব সমাজকে সম্পৃক্ত করে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা।
খিলক্ষেত থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল আলিম বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে থানা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুষ্ঠু বিকাশের স্বার্থে শুধু নিকুঞ্জ নয়, পুরো জাতিকেই মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”
নিকুঞ্জবাসীর প্রত্যাশা—এই আশ্বাস যেন বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না থেকে, দ্রুত মাঠপর্যায়ে দৃশ্যমান ও কার্যকর অভিযান চালিয়ে মাদকের কালো থাবা থেকে তরুণ প্রজন্ম ও এলাকা রক্ষা করা হয়।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রকাশ্য সেবন ও কেনাবেচা এখন আর গোপন নয়, বরং ‘ওপেন সিক্রেট’। একসময় শান্তিপূর্ণ নিকুঞ্জ আজ মাদকের সহজলভ্যতায় ধ্বংসের পথে ঠেলে দিয়েছে এলাকার কিশোর ও তরুণ প্রজন্মকে। নেশার জালে আটকে যাচ্ছে সম্ভাবনাময় জীবন, ভেঙে পড়ছে পরিবার, এবং সমাজে বাড়ছে অপরাধের ভয়াবহতা।
নিকুঞ্জের টানপাড়া, জামতলা, পশ্চিমপাড়া, সরকারবাড়ি ও পুরাতন বাজার এলাকায় মাদকসেবীদের অবাধ বিচরণ এখন নিত্যদিনের চিত্র। চুরি, ছিনতাই, কিশোর গ্যাংসহ অধিকাংশ অপরাধের পেছনে মাদকের হাত। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অন্তত এক ডজন স্থানে প্রকাশ্যে মাদক কেনাবেচা ও সেবন হচ্ছে। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে এই অবৈধ ব্যবসার বিস্তার কয়েকগুণ বেড়ে গেছে।

তদন্তে উঠে এসেছে, কিছু মাদক কারবারি রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে নিজেদের আড়াল করছে। যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের নাম ভাঙিয়ে মাদক বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এছাড়া স্থানীয় পরিচিত নাম—নবী হোসেন, সবুজ, কাঠমিস্ত্রি রিপন, খোরশেদ, আসিফ ও মানিক—দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসায় জড়িত বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। সামাজিক প্রতিবাদ ও থানা পুলিশের উদ্যোগ থাকলেও কার্যকর কোনো ফল দেখা যায়নি।
বর্তমান পরিস্থিতিতে এলাকাবাসী দাবি করছে—নিকুঞ্জে মাদক ব্যবসায়ীদের উৎপাত বন্ধ করতে এখনই বিশেষ ও ধারাবাহিক অভিযান চালাতে হবে। প্রয়োজন নিয়মিত টহল, গোপন নজরদারি ও যুব সমাজকে সম্পৃক্ত করে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা।
খিলক্ষেত থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল আলিম বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে থানা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুষ্ঠু বিকাশের স্বার্থে শুধু নিকুঞ্জ নয়, পুরো জাতিকেই মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”
নিকুঞ্জবাসীর প্রত্যাশা—এই আশ্বাস যেন বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না থেকে, দ্রুত মাঠপর্যায়ে দৃশ্যমান ও কার্যকর অভিযান চালিয়ে মাদকের কালো থাবা থেকে তরুণ প্রজন্ম ও এলাকা রক্ষা করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন