মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি:
জানা যায়, বিলাড়ৈ মৌজার ১৮৩৬ নম্বর খতিয়ানের ৪১৮ নম্বর দাগে মোট ২৭ শতক জমির মালিক ছিলেন খাহ্রা নিবাসী মৃত মনোরঞ্জন বনিক। তিনি ক্রয় ও দখলসূত্রে জমিটির মালিকানা অর্জন করেন। মানবিক দিক বিবেচনায় তিনি নারায়ণ বনিক ও তার পরিবারকে ওই জমির ৬ শতকে বসবাসের সুযোগ দেন।
নারায়ণ বনিকের মৃত্যুর পর তার দুই ছেলে নরেন্দ্র নাথ বনিক ও দিলীপ বনিক তৎকালীন বাড়ৈখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (বর্তমানে পলাতক) মো. ইকবাল হোসেন মাস্টারের ছত্রচ্ছায়ায় জমি ছাড়তে অস্বীকৃতি জানিয়ে হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
২০০৫ সালে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নারায়ণ চন্দ্র বনিকের মৃত সনদ ও জমির মালিকানা সংক্রান্ত একটি প্রত্যয়নপত্র দেওয়া হয়। ওই প্রত্যয়নপত্রের ভিত্তিতে নরেন্দ্র নাথ বনিক ও দিলীপ বনিক ৭ মার্চ ২০০৫ তারিখে ৭৮৩/২০০৪-০৫ নম্বর নামজারি ও জমাভাগ মামলা দায়ের করেন। এর বিরুদ্ধে জমির প্রকৃত মালিকের ওয়ারিশ শুভ বনিক আপত্তি জানান।
শুনানি শেষে শ্রীনগর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তার আদালতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ব্যারিস্টার সজীব আহমেদ ৯ জুন ২০২২ তারিখে আদেশ দেন। আদেশে বলা হয়, প্রথম পক্ষ আরএস রেকর্ডীয় মালিকের ওয়ারিশ এবং বৈধ দলিলের মাধ্যমে জমিটির মালিকানা ও ভোগদখলে রয়েছেন। অপরদিকে দ্বিতীয় পক্ষ মালিকানার স্বপক্ষে কোনো বৈধ কাগজপত্র উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হন। ফলে ৭৮৩/২০০৪-০৫ নম্বর নামজারি ও জমাভাগ মামলা বাতিলযোগ্য বলে রায় দেওয়া হয়।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, নারায়ণ বনিকের মৃত্যুর পর তার পুত্ররা একটি ভুয়া দলিল তৈরি করে ২০১৩ সালে মুন্সিগঞ্জ আমলী আদালতে ১০৪ নম্বর দেওয়ানি মামলা দায়ের করেন। পর্যাপ্ত নথিপত্র উপস্থাপন করতে না পারায় পরবর্তীতে তারা মামলা তুলে নিতে বাধ্য হন।
ভুক্তভোগী শুভ বনিক জানান, জমি ফেরত চেয়ে একাধিকবার শালিস ও সমঝোতার চেষ্টা করা হলেও কাজ হয়নি। সম্প্রতি জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তার পরিবারের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হলে অভিযুক্তরা জামিনে বের হয়ে আবারও জমি লিখে দিতে হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত উত্তম বনিকের কাছে জমির স্বপক্ষে কোনো বৈধ কাগজপত্র আছে কি না জানতে চাইলে তিনি তা দেখাতে অপারগতা প্রকাশ করেন এবং বিষয়টি ‘মানবিকভাবে’ মীমাংসার আহ্বান জানান।
শ্রীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বক্তব্য জানতে একাধিকবার তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
ভুক্তভোগী পরিবার দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি:
জানা যায়, বিলাড়ৈ মৌজার ১৮৩৬ নম্বর খতিয়ানের ৪১৮ নম্বর দাগে মোট ২৭ শতক জমির মালিক ছিলেন খাহ্রা নিবাসী মৃত মনোরঞ্জন বনিক। তিনি ক্রয় ও দখলসূত্রে জমিটির মালিকানা অর্জন করেন। মানবিক দিক বিবেচনায় তিনি নারায়ণ বনিক ও তার পরিবারকে ওই জমির ৬ শতকে বসবাসের সুযোগ দেন।
নারায়ণ বনিকের মৃত্যুর পর তার দুই ছেলে নরেন্দ্র নাথ বনিক ও দিলীপ বনিক তৎকালীন বাড়ৈখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (বর্তমানে পলাতক) মো. ইকবাল হোসেন মাস্টারের ছত্রচ্ছায়ায় জমি ছাড়তে অস্বীকৃতি জানিয়ে হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
২০০৫ সালে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নারায়ণ চন্দ্র বনিকের মৃত সনদ ও জমির মালিকানা সংক্রান্ত একটি প্রত্যয়নপত্র দেওয়া হয়। ওই প্রত্যয়নপত্রের ভিত্তিতে নরেন্দ্র নাথ বনিক ও দিলীপ বনিক ৭ মার্চ ২০০৫ তারিখে ৭৮৩/২০০৪-০৫ নম্বর নামজারি ও জমাভাগ মামলা দায়ের করেন। এর বিরুদ্ধে জমির প্রকৃত মালিকের ওয়ারিশ শুভ বনিক আপত্তি জানান।
শুনানি শেষে শ্রীনগর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তার আদালতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ব্যারিস্টার সজীব আহমেদ ৯ জুন ২০২২ তারিখে আদেশ দেন। আদেশে বলা হয়, প্রথম পক্ষ আরএস রেকর্ডীয় মালিকের ওয়ারিশ এবং বৈধ দলিলের মাধ্যমে জমিটির মালিকানা ও ভোগদখলে রয়েছেন। অপরদিকে দ্বিতীয় পক্ষ মালিকানার স্বপক্ষে কোনো বৈধ কাগজপত্র উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হন। ফলে ৭৮৩/২০০৪-০৫ নম্বর নামজারি ও জমাভাগ মামলা বাতিলযোগ্য বলে রায় দেওয়া হয়।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, নারায়ণ বনিকের মৃত্যুর পর তার পুত্ররা একটি ভুয়া দলিল তৈরি করে ২০১৩ সালে মুন্সিগঞ্জ আমলী আদালতে ১০৪ নম্বর দেওয়ানি মামলা দায়ের করেন। পর্যাপ্ত নথিপত্র উপস্থাপন করতে না পারায় পরবর্তীতে তারা মামলা তুলে নিতে বাধ্য হন।
ভুক্তভোগী শুভ বনিক জানান, জমি ফেরত চেয়ে একাধিকবার শালিস ও সমঝোতার চেষ্টা করা হলেও কাজ হয়নি। সম্প্রতি জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তার পরিবারের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হলে অভিযুক্তরা জামিনে বের হয়ে আবারও জমি লিখে দিতে হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত উত্তম বনিকের কাছে জমির স্বপক্ষে কোনো বৈধ কাগজপত্র আছে কি না জানতে চাইলে তিনি তা দেখাতে অপারগতা প্রকাশ করেন এবং বিষয়টি ‘মানবিকভাবে’ মীমাংসার আহ্বান জানান।
শ্রীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বক্তব্য জানতে একাধিকবার তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
ভুক্তভোগী পরিবার দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন